ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ত্রিপুরায় বিএসএফের ওপর স্থানীয় বাসিন্দাদের হামলা, ৩ আহত, ৯ গ্রেপ্তার
তাহসিফ হত্যায় দীপকে তৃতীয় দফায় রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন পুলিশের
কুমিল্লা ইলিশবাহী পিকআপে ডাকাতির পর ১৯ আসামি গ্রেপ্তার
সাংবাদিক রাজীব ঘোষকে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া নিয়ে ডিআরইউ ও ক্র্যাবের উদ্বেগ
বিএনপির সন্ত্রাসীদের নিপীড়নের ভিডিও করায় তৌফিককে হত্যা করা হয়, জানান সহকর্মীরা
ঘুষের এক লাখ টাকাসহ গ্রেপ্তার ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার আসাদুল কারাগারে
ঘুষ চাওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত প্রসিকিউটরের দেশত্যাগ, নিষেধাজ্ঞার তথ্য জানালেন চিফ প্রসিকিউটর
এবার কুয়েতে বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড
স্ত্রীর ব্যক্তিগত ছবি ফেসবুকে প্রকাশ করার জেরে ঘনিষ্ঠ বন্ধুকে ছুরিকাঘাতে হত্যার দায়ে এক বাংলাদেশি প্রবাসীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন কুয়েতের একটি আদালত।
গতকাল ৩রা নভেম্বর, মঙ্গলবার দেশটির ফৌজদারি আদালত এ রায় দেন।
কুয়েতের পাবলিক প্রসিকিউশনের বরাত দিয়ে দেশটির সংবাদমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রসিকিউশনের তথ্য অনুযায়ী, নিহত ব্যক্তি ছিলেন অভিযুক্ত বাংলাদেশির বন্ধু। একবার তার বাসায় বেড়াতে গিয়ে বন্ধুটি তার স্ত্রীর অনুমতি ছাড়াই ছবি তোলেন। পরে সেই ছবি ফেসবুকে প্রকাশ করেন। ছবিগুলো নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য আসতে থাকায় সেগুলো সরিয়ে নিতে বন্ধুকে অনুরোধ করেন অভিযুক্ত। তবে তিনি তাতে রাজি হননি। উল্টো আরো ছবি প্রকাশ করেন।
এ নিয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তি ও তার স্ত্রীর মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়। একপর্যায়ে বন্ধুর ওপর
ক্ষুব্ধ হয়ে তাকে হত্যার পরিকল্পনা করেন ওই বাংলাদেশি। প্রসিকিউশনের ভাষ্য, পরিকল্পনা অনুযায়ী, অভিযুক্ত ব্যক্তি একটি ছুরি নিয়ে তাদের কর্মস্থলের বাইরে অপেক্ষা করতে থাকেন। ভুক্তভোগী সেখানে আছেন, তা নিশ্চিত হওয়ার পর তার বেরিয়ে আসার অপেক্ষা করেন। পরে তিনি বাইরে এলে মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে একাধিকবার ছুরিকাঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। আদালতে হত্যার দায় স্বীকার করেন অভিযুক্ত। তিনি জানান, নিহত ব্যক্তির সঙ্গে তার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ছিল। তবে স্ত্রীর ছবি ফেসবুকে প্রকাশ করাকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। ছবি সরিয়ে নিতে বারবার অনুরোধ করেও ব্যর্থ হওয়ায় তিনি প্রতিশোধ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। আদালত অভিযুক্তের স্বীকারোক্তি ও মামলার অন্যান্য তথ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে তাকে ইচ্ছাকৃত
ও পূর্বপরিকল্পিত হত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত করেন। পরে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। এ ব্যাপারে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ দূতাবাস কিংবা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ক্ষুব্ধ হয়ে তাকে হত্যার পরিকল্পনা করেন ওই বাংলাদেশি। প্রসিকিউশনের ভাষ্য, পরিকল্পনা অনুযায়ী, অভিযুক্ত ব্যক্তি একটি ছুরি নিয়ে তাদের কর্মস্থলের বাইরে অপেক্ষা করতে থাকেন। ভুক্তভোগী সেখানে আছেন, তা নিশ্চিত হওয়ার পর তার বেরিয়ে আসার অপেক্ষা করেন। পরে তিনি বাইরে এলে মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে একাধিকবার ছুরিকাঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। আদালতে হত্যার দায় স্বীকার করেন অভিযুক্ত। তিনি জানান, নিহত ব্যক্তির সঙ্গে তার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ছিল। তবে স্ত্রীর ছবি ফেসবুকে প্রকাশ করাকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। ছবি সরিয়ে নিতে বারবার অনুরোধ করেও ব্যর্থ হওয়ায় তিনি প্রতিশোধ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। আদালত অভিযুক্তের স্বীকারোক্তি ও মামলার অন্যান্য তথ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করে তাকে ইচ্ছাকৃত
ও পূর্বপরিকল্পিত হত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত করেন। পরে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। এ ব্যাপারে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ দূতাবাস কিংবা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।





