১৮-এর নির্বাচনে অনিয়ম আমরা চাইনি, প্রশাসনের অতিউৎসাহীরা করেছে: সজীব ওয়াজেদ জয় – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৩০ জানুয়ারি, ২০২৬
     ৪:৫১ পূর্বাহ্ণ

১৮-এর নির্বাচনে অনিয়ম আমরা চাইনি, প্রশাসনের অতিউৎসাহীরা করেছে: সজীব ওয়াজেদ জয়

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৩০ জানুয়ারি, ২০২৬ | ৪:৫১ 36 ভিউ
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শাসনামলে ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে অনিয়মের কথা স্বীকার করলেও এর দায় প্রশাসনের ওপর চাপিয়েছেন তাঁর ছেলে ও সাবেক তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেন, ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের জয়ের জন্য কোনো কারচুপির প্রয়োজন ছিল না, প্রশাসনের কিছু অতিউৎসাহী কর্মকর্তা নিজ দায়িত্বে এসব ঘটিয়েছিলেন। প্রশাসনের দায়: ২০১৮ সালের নির্বাচনে অনিয়মের জন্য প্রশাসনের ‘অতিউৎসাহী’ কর্মকর্তাদের দায়ী করেছেন জয়। দলীয় অবস্থান: তিনি দাবি করেন, অনিয়মের ঘটনায় তিনি এবং শেখ হাসিনা অত্যন্ত ক্ষুব্ধ ছিলেন। জরিপের ফলাফল: জয়ের দাবি, নির্বাচনের আগেই তাদের নিজস্ব ও মার্কিন জরিপে আওয়ামী লীগের বিপুল জয়ের আভাস ছিল। ২০২৪

নির্বাচন: সর্বশেষ ২০২৪ সালের নির্বাচনে কোনো কারচুপি হয়নি, বিএনপি নির্বাচন বর্জন করায় তা একতরফা মনে হতে পারে। পর্যবেক্ষকদের ভূমিকা: বর্তমানে প্রধান রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করা বা ব্যালট বাক্স ভর্তির অভিযোগ উঠলেও বিদেশি পর্যবেক্ষকরা কেন নীরব, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। আল জাজিরার সাংবাদিক শ্রীনিবাসন জৈনের মুখোমুখি হয়ে সজীব ওয়াজেদ জয় বাংলাদেশে বিগত নির্বাচনগুলোর বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। সাংবাদিক যখন ২০১৮ সালের নির্বাচনে ‘রাতের ভোট’ ও নিরাপত্তা বাহিনীর বাড়াবাড়ি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন, তখন জয় বলেন, সেই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিজয়ের জন্য কোনো অনিয়মের দরকার ছিল না। জয় বলেন, “২০১৮ সালের নির্বাচনের আগে আমাদের জরিপ এবং আমেরিকানদের জনমত জরিপ—উভয়েই দেখাচ্ছিল যে আওয়ামী লীগ

বিপুল ব্যবধানে জয়লাভ করবে। আমরা কেউ কোনো অনিয়ম চাইনি।” প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে তিনি বলেন, “প্রশাসনের কিছু লোক অতিউৎসাহী হয়ে নিজেদের কাঁধে এই দায়িত্ব (অনিয়ম করার) তুলে নিয়েছিল। দলীয় দিক থেকে আমি এবং আমার মা (শেখ হাসিনা) এতে অত্যন্ত ক্ষুব্ধ ছিলাম। আমরা একটি পরিচ্ছন্ন নির্বাচন চেয়েছিলাম কারণ আমরা এমনিতেই জিততাম।” নিজের পরিচালিত জরিপের পরিসংখ্যান তুলে ধরে তিনি বলেন, ১৬০টি আসনে জরিপ চালিয়ে দেখা গিয়েছিল যে আওয়ামী লীগের জয়ের ন্যূনতম ব্যবধান হবে ৩০ শতাংশ। তাই কারচুপির কোনো যৌক্তিক কারণ ছিল না। ২০২৪ সালের নির্বাচন নিয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের নেতিবাচক প্রতিবেদনের জবাবে জয় দাবি করেন, ২০২৪ সালে কোনো ‘রিগিং’ বা কারচুপি হয়নি। বিরোধী দল নির্বাচনে অংশ

না নেওয়ায় পরিস্থিতি এমন হয়েছে। নির্বাচন কমিশন সরকারের আজ্ঞাবহ ছিল—এমন অভিযোগও তিনি নাকচ করে দেন। সাক্ষাৎকারের শেষ পর্যায়ে বর্তমান পরিস্থিতির প্রসঙ্গ টেনে তিনি প্রশ্ন রাখেন, এখন যখন প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোকে কোণঠাসা করা হচ্ছে এবং অনিয়মের নতুন প্রমাণ মিলছে, তখন ২০১৮ বা ২০২৪ নিয়ে সরব থাকা পর্যবেক্ষকরা কেন নিশ্চুপ ভূমিকা পালন করছেন?

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
ব্যাপক বিভ্রাটে ইউটিউব, ভোগান্তিতে ব্যবহারকারীরা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস আজ ভাষা শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা শহীদ মিনারে রুমিন ফারহানাকে বাধা, মহাসড়ক অবরোধ ভূমিকম্পে কাঁপল দেশ আরব আমিরাতে ৮২৩ খাদ্যপণ্যে বিশেষ ছাড় ভেনেজুয়েলায় শত শত রাজনৈতিক বন্দির মুক্তির সম্ভাবনা দ্যা হান্ড্রেডের নিলামে বাংলাদেশের ২৩ ক্রিকেটার, সর্বোচ্চ ক্যাটাগরিতে মোস্তাফিজ ফুটবল বিশ্বকাপ দেখতে বাংলাদেশের জনসংখ্যার তিন গুণ আবেদন! মহান একুশে ফেব্রুয়ারি ব্রেন টিউমারের সফল অস্ত্রোপচার শেষে বাসায় তানিয়া বৃষ্টি ট্রাম্পের বৈশ্বিক শুল্ক আরোপ অবৈধ : মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা নিয়ে যা জানাল আবহাওয়া অধিদপ্তর ভারতীয়দের ভিসা দেওয়া শুরু করল বাংলাদেশ দেশে কত দামে স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে আজ ৫৫০ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ, তদন্ত চলমান থাকা স্বত্বেও নির্বাচনের ৩দিন আগে ফয়েজ আহমদ তৈয়্যবকে সেইফ এক্সিট দিলো ইউনূস; নেপথ্যে কোন স্বার্থ? নিজের অর্থ সম্পদ বাড়িয়ে নিয়েছে কিন্তু দেশের অর্থনীতিকে করেছে পঙ্গু আওয়ামী লীগঃ মাথা নোয়াবার নয় আওয়ামী লীগঃ মাথা নোয়াবার নয় ‘জামায়াতের হাত থেকে বাঁচতে নাকে রুমাল দিয়ে বিএনপিকে ভোট দিয়েছে মানুষ’: সাংবাদিক নুরুল কবির