ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
শত কোটি টাকার ইউনিফর্ম প্রকল্পে সিন্ডিকেট ও অনিয়মের অভিযোগ, পুরোনো পোশাকে ফিরছে পুলিশ!
সংস্কারের নামে ৬৫ প্রকল্পে ৮০ হাজার কোটি টাকা অস্বাভাবিক ব্যয় বাড়িয়েছে ইউনূস সরকার: বরাদ্দ লোপাটের অভিযোগ
সিপিডির সংবাদ সম্মেলন: মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি ‘চরম বৈষম্যমূলক’, বাতিলের আহ্বান; জাপানের ইপিএ চুক্তি পুনর্বিবেচনার দাবি
‘পুলিশ মারা হবে, ম্যাসাকার হবে—ড. ইউনূস আগেই জানতেন’, দায় এড়াতেই দেরিতে দেশে ফেরেন তিনি: শামীম হায়দার পাটোয়ারী
আবারো কারাগারে মৃত্যুর মিছিল: বিনা বিচারে মারা গেলেন দুমকি ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শফিক
ড. ইউনূসকে ‘লোভী’ ও ‘অপদার্থ’ আখ্যা দিলেন রনি, বিদায়ের পেছনে আমেরিকার হাত থাকার দাবি
অন্তর্বর্তী সরকারের বড় সিদ্ধান্ত আসত ‘কিচেন কেবিনেট’ থেকে: বিস্ফোরক মন্তব্যে সাখাওয়াত হোসেন
১০০% বিদ্যুৎ সক্ষমতার দেশে জ্বালানি সংকট ও বিপুল বকেয়া: বিদ্যুৎমন্ত্রীর ভাষ্যে ইউনূস সরকারের অব্যবস্থাপনা-ব্যর্থতা
বিদ্যুৎ বিভাগ ও পাওয়ার সেলের অফিসিয়াল তথ্য অনুসারে বর্তমানে বাংলাদেশে স্থাপিত বিদ্যুৎ সক্ষমতা ৩২,৩২২ মেগাওয়াট (কিছু সূত্রে ২৮,৯১৯ মেগাওয়াট বা ২৮,৬১৬ মেগাওয়াট উল্লেখ আছে, যা আমদানি সহ)।
সাম্প্রতিক তথ্যমতে (ফেব্রুয়ারি ২০২৬) চাহিদা ১৩,০০০ মেগাওয়াটের কাছাকাছি, এবং এ বছর চাহিদা সর্বোচ্চ ১৮,০০০ মেগাওয়াট হতে পারে বলে বিদ্যুৎ বিভাগের ধারণা।
১৯ এপ্রিল ২০২৪ তারিখে সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদনের রেকর্ড ছিল ১৫,৬৪৮ মেগাওয়াট, যা ২৩ জুলাই ২০২৫ ভেঙ্গে সর্বোচ্চ উৎপাদনের নতুন রেকর্ড হয়, ১৬,৭৯৪ মেগাওয়াট।
বর্তমানে জ্বালানি (গ্যাস, কয়লা, তেল) সংকট ও বকেয়ার কারণে পূর্ণ সক্ষমতা ব্যবহার করা যাচ্ছে না—প্রায় ৪০-৬০% বিদ্যুৎ কেন্দ্রের, যেগুলো অলস বা আংশিক চালু অবস্থায় আছে। সক্ষমতা চাহিদার চেয়ে অনেক বেশি কিন্তু
জ্বালানি ঘাটতি, বকেয়া বিল এবং অর্থনৈতিক কারণে প্রকৃত উৎপাদন চাহিদার কাছাকাছি বা কম থাকে। এই অবস্থায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। তিনি স্বীকার করেছেন যে, বিদ্যুৎ ও জ্বালানী খাতে ‘বিশৃঙ্খলা’ বিরাজ করছে—বিদ্যুৎকেন্দ্র আছে কিন্তু জ্বালানি নেই, বিপুল বকেয়া দায় চাপিয়ে পড়ছে। বসিয়ে রেখে কেন্দ্রের ভাড়া (ক্যাপাসিটি চার্জ) দিতে হচ্ছে। বৃহস্পতিবার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে জ্বালানি বিটের সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী বলেন, “আমরা নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার চেষ্টা করছি। সংকট থেকে উত্তরণের জন্য সমাধানের পথ খুঁজছি, পরিকল্পনা নিচ্ছি।” তিনি আরও বলেন, “বিএনপি সরকার (২০০১-২০০৬) লোডশেডিং রেখে গেলেও জনগণের মাথায় ঋণের দায় চাপায়নি। এখন বাতি জ্বলে, কিন্তু
জাতি ঋণের দায়ে ডুবে যাচ্ছে। “ঋণের দায় নেওয়ার চেয়ে কষ্ট করে থাকা ভালো।” এই বক্তব্যের প্রেক্ষাপটে প্রশ্ন উঠেছে—যেখানে সক্ষমতা চাহিদার চেয়ে অনেক বেশি (প্রায় ১০০% এরও অধিক রিজার্ভ সক্ষমতা), সেখানে কেন নিয়মিত জ্বালানি (কয়লা, গ্যাস, তেল) সরবরাহের ব্যবস্থাপনা ব্যাহত হচ্ছে? বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিদ্যুৎ সক্ষমতা দ্রুত বাড়ানো হয়েছে, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে কিন্তু তা সবকিছু ইউনূস সরকারের অব্যবস্থপনার কারনে ধ্বসে পড়েছে। ইউনূসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমল শেষে (ফেব্রুয়ারি ২০২৬ অনুসারে), বিদ্যুৎ খাতে মোট বকেয়া বিল ৪৫ হাজার কোটি টাকা (কিছু সূত্রে ৪৭ হাজার কোটি টাকা পর্যন্ত) উল্লেখ করা হয়েছে। নতুন বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু এই অঙ্ক উল্লেখ করেছেন। এর মধ্যে: বেসরকারি
বিদ্যুৎ উৎপাদনকারীদের (আইপিপি) কাছে বিপিডিবির বকেয়া প্রায় ২০ হাজার কোটি । গ্যাস সরবরাহকারী কোম্পানিগুলোর বকেয়া প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা বাকিটা আদানি সহ বিদেশী কোম্পানির বকেয়া। সামগ্রিকভাবে দেশি-বিদেশি কোম্পানিগুলোর কাছে ৪৫ হাজার কোটি টাকা বকেয়া, যা বিদ্যুৎ খাতকে “দেউলিয়া পরিস্থিতি” তে এনে ফেলেছে। আওয়ামীলীগ সরকারের রেখে যাওয়া বকেয়া ছিল ৩৯০০০ কোটি টাকা ছিল, যা নিয়মিত সরবরাহ আর পরিশোঢের মধ্যে ছিল। প্রতি ৩ মাস অন্তর পর্যায়ক্রমে বকেয়া পেমেন্ট দেয়া হতো বিদ্যুৎ প্রদানকারী কোম্পানিগুলোকে । এর মধ্যে বেশী বএক্যা ছিল আদানি পাওয়ার এর, তবুও আদানি কখনও বকেয়ার জন্য বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখে নাই। স্থানীয় বেসরকারি পাওয়ার প্রডিউসারদের (আইপিপি) কাছে বকেয়া তখন কম ছিল। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে
বিদেশি দেনা (যেমন আদানির কাছে) অনেকাংশে কমানো হয়েছে কিন্তু স্থানীয় বেসরকারি প্রডিউসারদের বকেয়া বেড়েছে। এর কারণ হিসেবে জ্বালানি সংকট, ভর্তুকি কমানোর চাপ, রাজস্ব ঘাটতি ও পেমেন্ট ডিলে উল্লেখ করা হয়। বর্তমান সরকার এখন বকেয়া পরিশোধের পরিকল্পনা নিচ্ছে, কিন্তু রাজস্ব খাতের আর্থিক সংকট এখনো গভীর। ইউনূস সরকারের এই অব্যাবস্থাপনা কি ইচ্ছাকৃত অবহেলা, না অর্থনৈতিক চাপের ফল? নাকি আওয়ামীলীগ সরকারের উপর দায় বর্তানোর জন্য পরিকল্পিত উদ্যাগ, সেই বিষয়ে প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে। না হলে বাংলাদেশে সবচেয়ে সক্ষমতার জায়গা ছিল যেই বিদ্যুৎ খাত, সেটা কেন মাত্র ১৮ মাসের মাথায় দেউলিয়া হয়ে যাবার পথে যাবে? বর্তমান সরকার এখন চুক্তি পুনর্বিবেচনা, ব্যয় সংকোচন এবং জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করার
দিকে মনোযোগ দিচ্ছে। মন্ত্রী টুকু বলেছেন, লোডশেডিং কমলেও ঋণের বোঝা কমাতে হবে। রমজান ও গ্রীষ্ম মৌসুমে নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের জন্য জ্বালানি নিরাপত্তা, দেশীয় উৎপাদন বৃদ্ধি এবং টেকসই চুক্তি নিশ্চিত করা জরুরি। অন্যথায় সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও জনগণকে লোডশেডিং বা ঋণের বোঝা—দুটোরই কষ্ট সহ্য করতে হবে।
জ্বালানি ঘাটতি, বকেয়া বিল এবং অর্থনৈতিক কারণে প্রকৃত উৎপাদন চাহিদার কাছাকাছি বা কম থাকে। এই অবস্থায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। তিনি স্বীকার করেছেন যে, বিদ্যুৎ ও জ্বালানী খাতে ‘বিশৃঙ্খলা’ বিরাজ করছে—বিদ্যুৎকেন্দ্র আছে কিন্তু জ্বালানি নেই, বিপুল বকেয়া দায় চাপিয়ে পড়ছে। বসিয়ে রেখে কেন্দ্রের ভাড়া (ক্যাপাসিটি চার্জ) দিতে হচ্ছে। বৃহস্পতিবার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে জ্বালানি বিটের সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী বলেন, “আমরা নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার চেষ্টা করছি। সংকট থেকে উত্তরণের জন্য সমাধানের পথ খুঁজছি, পরিকল্পনা নিচ্ছি।” তিনি আরও বলেন, “বিএনপি সরকার (২০০১-২০০৬) লোডশেডিং রেখে গেলেও জনগণের মাথায় ঋণের দায় চাপায়নি। এখন বাতি জ্বলে, কিন্তু
জাতি ঋণের দায়ে ডুবে যাচ্ছে। “ঋণের দায় নেওয়ার চেয়ে কষ্ট করে থাকা ভালো।” এই বক্তব্যের প্রেক্ষাপটে প্রশ্ন উঠেছে—যেখানে সক্ষমতা চাহিদার চেয়ে অনেক বেশি (প্রায় ১০০% এরও অধিক রিজার্ভ সক্ষমতা), সেখানে কেন নিয়মিত জ্বালানি (কয়লা, গ্যাস, তেল) সরবরাহের ব্যবস্থাপনা ব্যাহত হচ্ছে? বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিদ্যুৎ সক্ষমতা দ্রুত বাড়ানো হয়েছে, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে কিন্তু তা সবকিছু ইউনূস সরকারের অব্যবস্থপনার কারনে ধ্বসে পড়েছে। ইউনূসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমল শেষে (ফেব্রুয়ারি ২০২৬ অনুসারে), বিদ্যুৎ খাতে মোট বকেয়া বিল ৪৫ হাজার কোটি টাকা (কিছু সূত্রে ৪৭ হাজার কোটি টাকা পর্যন্ত) উল্লেখ করা হয়েছে। নতুন বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু এই অঙ্ক উল্লেখ করেছেন। এর মধ্যে: বেসরকারি
বিদ্যুৎ উৎপাদনকারীদের (আইপিপি) কাছে বিপিডিবির বকেয়া প্রায় ২০ হাজার কোটি । গ্যাস সরবরাহকারী কোম্পানিগুলোর বকেয়া প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা বাকিটা আদানি সহ বিদেশী কোম্পানির বকেয়া। সামগ্রিকভাবে দেশি-বিদেশি কোম্পানিগুলোর কাছে ৪৫ হাজার কোটি টাকা বকেয়া, যা বিদ্যুৎ খাতকে “দেউলিয়া পরিস্থিতি” তে এনে ফেলেছে। আওয়ামীলীগ সরকারের রেখে যাওয়া বকেয়া ছিল ৩৯০০০ কোটি টাকা ছিল, যা নিয়মিত সরবরাহ আর পরিশোঢের মধ্যে ছিল। প্রতি ৩ মাস অন্তর পর্যায়ক্রমে বকেয়া পেমেন্ট দেয়া হতো বিদ্যুৎ প্রদানকারী কোম্পানিগুলোকে । এর মধ্যে বেশী বএক্যা ছিল আদানি পাওয়ার এর, তবুও আদানি কখনও বকেয়ার জন্য বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখে নাই। স্থানীয় বেসরকারি পাওয়ার প্রডিউসারদের (আইপিপি) কাছে বকেয়া তখন কম ছিল। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে
বিদেশি দেনা (যেমন আদানির কাছে) অনেকাংশে কমানো হয়েছে কিন্তু স্থানীয় বেসরকারি প্রডিউসারদের বকেয়া বেড়েছে। এর কারণ হিসেবে জ্বালানি সংকট, ভর্তুকি কমানোর চাপ, রাজস্ব ঘাটতি ও পেমেন্ট ডিলে উল্লেখ করা হয়। বর্তমান সরকার এখন বকেয়া পরিশোধের পরিকল্পনা নিচ্ছে, কিন্তু রাজস্ব খাতের আর্থিক সংকট এখনো গভীর। ইউনূস সরকারের এই অব্যাবস্থাপনা কি ইচ্ছাকৃত অবহেলা, না অর্থনৈতিক চাপের ফল? নাকি আওয়ামীলীগ সরকারের উপর দায় বর্তানোর জন্য পরিকল্পিত উদ্যাগ, সেই বিষয়ে প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে। না হলে বাংলাদেশে সবচেয়ে সক্ষমতার জায়গা ছিল যেই বিদ্যুৎ খাত, সেটা কেন মাত্র ১৮ মাসের মাথায় দেউলিয়া হয়ে যাবার পথে যাবে? বর্তমান সরকার এখন চুক্তি পুনর্বিবেচনা, ব্যয় সংকোচন এবং জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করার
দিকে মনোযোগ দিচ্ছে। মন্ত্রী টুকু বলেছেন, লোডশেডিং কমলেও ঋণের বোঝা কমাতে হবে। রমজান ও গ্রীষ্ম মৌসুমে নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের জন্য জ্বালানি নিরাপত্তা, দেশীয় উৎপাদন বৃদ্ধি এবং টেকসই চুক্তি নিশ্চিত করা জরুরি। অন্যথায় সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও জনগণকে লোডশেডিং বা ঋণের বোঝা—দুটোরই কষ্ট সহ্য করতে হবে।



