ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ক্ষমতায় এসেই নিজেদের লোকদের বাঁচানোর পুরনো খেলায় ফিরলো বিএনপি
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতিতে রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার অবদান
নবগঠিত বিএনপি সরকারের সন্মতিতেই ‘কালের কন্ঠে” রাষ্ট্রপতি’র খোলামেলা সাক্ষাৎকার!
চাঁদাবাজি বন্ধ না হলে উদ্যোক্তারা ব্যবসা গুটিয়ে নিতে বাধ্য হতে পারেন: ডিসিসিআই সভাপতি
মার্কিন শুল্কের নতুন অস্থিরতায় বাংলাদেশি রপ্তানিতে আরো তীব্র হবে অনিশ্চয়তা
চাগোস দ্বীপ নিয়ে ট্রাম্পের সতর্কবার্তা: স্টারমারকে হুঁশিয়ারি, সামরিক ঘাঁটি নিয়ে উদ্বেগ
মেক্সিকোতে কার্টেল সংঘাতের ছায়া, আতঙ্কের মধ্যেই বিশ্বকাপ আয়োজনের প্রস্তুতি
হামলা-মামলা-আটকের মধ্যেই সারাদেশে মিছিল-কার্যালয় খুলছে তৃণমুলের আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা
হামলা, মামলা ও আটক–অভিযানের মধ্যেই দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় ঝটিকা কর্মসূচি পালন এবং দলীয় কার্যালয় খোলার চেষ্টা চালিয়েছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ–এর নেতাকর্মীরা। গত ছয় দিনে অন্তত ৩০টি জেলা–উপজেলায় দলীয় উপস্থিতির খবর পাওয়া গেছে।
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে বিভিন্ন স্থানে মিছিল, স্লোগান, জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন এবং শহীদ মিনারে পুষ্পমাল্য অর্পণের ঘটনা ঘটে। কয়েকটি স্থানে ভিডিও ও ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জননিরাপত্তা বিঘ্নের আশঙ্কায় একাধিক ব্যক্তিকে আটক করেছে বলে জানিয়েছে।
ইঊনূস সরকারের সময় আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়ার পরে দলটির প্রকাশ্য কর্মসূচিতে ব্যাপক নিপীড়ন চালালে কিছুটা স্থবির হয়ে পড়ে কার্যক্রম।
তবে সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন স্থানে
ঝটিকা কর্মসূচি ও কার্যালয় পুনরায় সক্রিয় করার চেষ্টার মাধ্যমে সাংগঠনিক উপস্থিতি জানান দেওয়ার প্রয়াস দেখা যাচ্ছে। হামলা–মামলা ও আটক অভিযানের মধ্যেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কোন দিকে যায়, তা নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা চলছে। গাইবান্ধা পৌর পার্কের শহীদ মিনারে পুষ্পমাল্য অর্পণ করে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে ঝটিকা মিছিলের সময় দুই নেতাকে আটক করে পুলিশ। শনিবার বিকাল সোয়া ৩টার দিকে শহরের স্টেশন রোড এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। আটকরা হলেন—গাইবান্ধা জেলা আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্যবিষয়ক সম্পাদক, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান এমারুল ইসলাম সাবিন এবং সাদুল্যাপুর উপজেলার নলডাঙ্গা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহিন চাকলাদার। আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেন গাইবান্ধা সদর
থানার ওসি আবদুল্লাহ আল মামুন। পাবনায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও ঝটিকা মিছিলের পর উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। শনিবার রাতে শহরের পৃথক এলাকায় অভিযান চালিয়ে দুইজনকে আটক করে পুলিশ। পাবনা সদর থানার ওসি (অপারেশন) সঞ্জয় কুমার সাহা জানান, আটকরা হলেন—পাবনা জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহসভাপতি আলামিন মালিথা এবং আওয়ামী লীগ কর্মী শেখ রাজু। এছাড়াও চট্টগ্রাম, রাজশাহী, রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ, জামালপুরের বকশীগঞ্জ, সাতক্ষীরার কলারোয়া এবং নড়াইলের লোহাগড়াসহ বিভিন্ন স্থানে দলীয় কার্যালয়ে উপস্থিতি, ব্যানার স্থাপন ও পতাকা উত্তোলনের খবর পাওয়া গেছে। কিছু স্থানে দলীয় নেতাকর্মীদের কর্মসূচির ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। কোথাও কোথাও পাল্টা প্রতিক্রিয়াও দেখা গেছে। পাবনায় দলীয় কার্যালয়ে আগুন দেওয়ার ঘটনাও ঘটে, যদিও এতে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর
পাওয়া যায়নি।
ঝটিকা কর্মসূচি ও কার্যালয় পুনরায় সক্রিয় করার চেষ্টার মাধ্যমে সাংগঠনিক উপস্থিতি জানান দেওয়ার প্রয়াস দেখা যাচ্ছে। হামলা–মামলা ও আটক অভিযানের মধ্যেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কোন দিকে যায়, তা নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা চলছে। গাইবান্ধা পৌর পার্কের শহীদ মিনারে পুষ্পমাল্য অর্পণ করে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে ঝটিকা মিছিলের সময় দুই নেতাকে আটক করে পুলিশ। শনিবার বিকাল সোয়া ৩টার দিকে শহরের স্টেশন রোড এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। আটকরা হলেন—গাইবান্ধা জেলা আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্যবিষয়ক সম্পাদক, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান এমারুল ইসলাম সাবিন এবং সাদুল্যাপুর উপজেলার নলডাঙ্গা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহিন চাকলাদার। আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেন গাইবান্ধা সদর
থানার ওসি আবদুল্লাহ আল মামুন। পাবনায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও ঝটিকা মিছিলের পর উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। শনিবার রাতে শহরের পৃথক এলাকায় অভিযান চালিয়ে দুইজনকে আটক করে পুলিশ। পাবনা সদর থানার ওসি (অপারেশন) সঞ্জয় কুমার সাহা জানান, আটকরা হলেন—পাবনা জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহসভাপতি আলামিন মালিথা এবং আওয়ামী লীগ কর্মী শেখ রাজু। এছাড়াও চট্টগ্রাম, রাজশাহী, রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ, জামালপুরের বকশীগঞ্জ, সাতক্ষীরার কলারোয়া এবং নড়াইলের লোহাগড়াসহ বিভিন্ন স্থানে দলীয় কার্যালয়ে উপস্থিতি, ব্যানার স্থাপন ও পতাকা উত্তোলনের খবর পাওয়া গেছে। কিছু স্থানে দলীয় নেতাকর্মীদের কর্মসূচির ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। কোথাও কোথাও পাল্টা প্রতিক্রিয়াও দেখা গেছে। পাবনায় দলীয় কার্যালয়ে আগুন দেওয়ার ঘটনাও ঘটে, যদিও এতে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর
পাওয়া যায়নি।



