ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ফেনীতে মাটিলুট ও চাঁদাবাজির জেরে যুবদল-ছাত্রদলের দুপক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১
মূল্যবান জিনিস থানায় জমা রেখে ঈদযাত্রার অভিনব পরামর্শ ডিএমপির
মিসাইল আতঙ্ক, কাছে গিয়েও হরমুজ পেরোতে পারেনি বাংলাদেশি জাহাজ
শেখ হাসিনার খাদ্য ব্যবস্থাপনা: ইউনূসের পর বিএনপি সরকারও চাহিদা মেটাচ্ছে সেই মজুদে
ভারতের সরবরাহকৃত তেলে মজুদ পর্যাপ্ত, জ্বালানি তেলের রেশনিং প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত
অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে চট্টগ্রাম বন্দরে জাহাজ কেনায় ৪৮৬ কোটি টাকার আর্থিক অসঙ্গতি
ইউনুসের অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাও মনে করছেন মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি দেশের কৃষি ও প্রাণি সম্পদের জন্য ক্ষতিকর
‘সেভেন সিস্টার্সে’ হামলার হুমকি আন্তর্জাতিক অপরাধ, ছাত্রদের দিয়ে কিংস পার্টি করালেন: ঢাবি শিক্ষক
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় না পাঠিয়ে সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস তাদের দিয়ে ‘কিংস পার্টি’ করিয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. শেখ হাফিজুর রহমান কার্জন। ভারতের ‘সেভেন সিস্টার্স’ নিয়ে এক ছাত্রনেতার বক্তব্যকে তিনি আন্তর্জাতিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেছেন।
সম্প্রতি ‘চর্চা’ নামের একটি টকশোতে দেশের সমসাময়িক রাজনীতি ও শিক্ষার্থীদের ভূমিকা নিয়ে আলোচনাকালে তিনি এসব কথা বলেন।
ভারতের ‘সেভেন সিস্টার্স’ নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের কড়া সমালোচনা করে ড. কার্জন বলেন, ‘একজন ছাত্র বলছে ভারতের সেভেন সিস্টার্সে আক্রমণ করব। এটি আন্তর্জাতিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন (Clear violation of international law)। যখন কেউ কোনো দেশের ভৌগোলিক অখণ্ডতা (Territorial integrity)
নিয়ে কথা বলে, তখন সেই দেশ আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে পারে। ইন্ডিয়ার কেউ যদি বাংলাদেশের অখণ্ডতা নিয়ে কথা বলে, আমরাও ব্যবস্থা নিতে পারি।’ তিনি আরও বলেন, ছাত্রনেতার এমন বক্তব্য ভারত বা অন্য যেকোনো দেশকে পদক্ষেপ নেওয়ার বৈধতা দিতে পারে। অথচ ড. ইউনূস বিষয়টিকে সমর্থন (এনডোর্স) করেছেন। কোনো রাজনৈতিক দলের নেতা এমন কথা বললে তাকে তাৎক্ষণিক গ্রেপ্তার করা হতো বলেও মন্তব্য করেন তিনি। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় না ফিরিয়ে রাজনীতিতে জড়ানোর সমালোচনা করে এই আইন বিশ্লেষক বলেন, ‘অভ্যুত্থানের পর উচিত ছিল তারা যেন পড়াশোনায় ফিরে যায়। পড়াশোনা করে যোগ্যতা অর্জন করলে তারাই ভবিষ্যতে নেতা হতো। কিন্তু তাদের আপনি দল করালেন।’ তিনি প্রশ্ন রাখেন, ‘শুধু কি
ছাত্রদের দল হয়? শিক্ষক, ব্যবসায়ী, রাজনীতিবিদ, সামরিক কর্মকর্তা, পুলিশ বা কৃষকের কী হবে?’ ছাত্রনেতাদের রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেন শেখ হাফিজুর রহমান কার্জন। তিনি বলেন, ‘এদের পড়াশোনা আমার কাছে খুব ভাসা-ভাসা (সুপারফিশিয়াল) মনে হয়েছে। রাজনীতি করতে হলে রাষ্ট্রবিজ্ঞান, সমাজবিজ্ঞান, অর্থনীতি বা ইতিহাসের মৌলিক বিষয়গুলো জানতে হয়। ড. ইউনূস যাদের দিয়ে রাজনীতি করাতে চেয়েছেন, তাদের সেই জ্ঞান নেই।’ সারা দেশে ‘মব কালচার’ সৃষ্টির অভিযোগ এনে ঢাবি শিক্ষক বলেন, ‘এই ছাত্রদের দিয়ে তিনি যে সমস্ত অপকর্ম করিয়েছেন, তাকে সন্ত্রাস বা ‘মব’ (mob) ছাড়া আর কী বলব? এরা সারা দেশে মব তৈরি করেছে।’
নিয়ে কথা বলে, তখন সেই দেশ আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে পারে। ইন্ডিয়ার কেউ যদি বাংলাদেশের অখণ্ডতা নিয়ে কথা বলে, আমরাও ব্যবস্থা নিতে পারি।’ তিনি আরও বলেন, ছাত্রনেতার এমন বক্তব্য ভারত বা অন্য যেকোনো দেশকে পদক্ষেপ নেওয়ার বৈধতা দিতে পারে। অথচ ড. ইউনূস বিষয়টিকে সমর্থন (এনডোর্স) করেছেন। কোনো রাজনৈতিক দলের নেতা এমন কথা বললে তাকে তাৎক্ষণিক গ্রেপ্তার করা হতো বলেও মন্তব্য করেন তিনি। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় না ফিরিয়ে রাজনীতিতে জড়ানোর সমালোচনা করে এই আইন বিশ্লেষক বলেন, ‘অভ্যুত্থানের পর উচিত ছিল তারা যেন পড়াশোনায় ফিরে যায়। পড়াশোনা করে যোগ্যতা অর্জন করলে তারাই ভবিষ্যতে নেতা হতো। কিন্তু তাদের আপনি দল করালেন।’ তিনি প্রশ্ন রাখেন, ‘শুধু কি
ছাত্রদের দল হয়? শিক্ষক, ব্যবসায়ী, রাজনীতিবিদ, সামরিক কর্মকর্তা, পুলিশ বা কৃষকের কী হবে?’ ছাত্রনেতাদের রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেন শেখ হাফিজুর রহমান কার্জন। তিনি বলেন, ‘এদের পড়াশোনা আমার কাছে খুব ভাসা-ভাসা (সুপারফিশিয়াল) মনে হয়েছে। রাজনীতি করতে হলে রাষ্ট্রবিজ্ঞান, সমাজবিজ্ঞান, অর্থনীতি বা ইতিহাসের মৌলিক বিষয়গুলো জানতে হয়। ড. ইউনূস যাদের দিয়ে রাজনীতি করাতে চেয়েছেন, তাদের সেই জ্ঞান নেই।’ সারা দেশে ‘মব কালচার’ সৃষ্টির অভিযোগ এনে ঢাবি শিক্ষক বলেন, ‘এই ছাত্রদের দিয়ে তিনি যে সমস্ত অপকর্ম করিয়েছেন, তাকে সন্ত্রাস বা ‘মব’ (mob) ছাড়া আর কী বলব? এরা সারা দেশে মব তৈরি করেছে।’



