ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আত্মশুদ্ধি, মানবপ্রেম ও ঐতিহ্যের মহামিলন
*বাংলাদেশি নাগরিকদের ওপর মার্কিন স্যাংশন,কূটনৈতিক ব্যর্থতা, আন্তর্জাতিকভাবে কোণঠাসা*
❝পোস্টাল ব্যালট ও ট্রান্সফার করা ভোটব্যাংক হলো জামাত এনসিপি জোটের ডামি নির্বাচনের সুপরিকল্পিত কৌশল❞
পাকিস্তানের ইশারায় ক্রিকেট ধ্বংস, ইউনুস সরকারের ব্যর্থতা আর আসিফ নজরুলের নীরবতা—বাংলাদেশের ক্রিকেট আজ নেতৃত্বহীন লাশ
শিবির ক্যাডারদের হাতে কারাগার, কারাগারে আটকে আওয়ামী লীগের উপর চলছে পরিকল্পিত গণহত্যা
জাতিসংঘের প্রতিবেদনে স্বীকৃত সত্য : দক্ষিণ এশিয়ায় মূল্যস্ফীতির শিরোমণি বাংলাদেশ
এখন রাজাকারের সাথে কে যোগ দিছে? বলেন আপনারা দেশের মানুষ” – জনতার কথা
সেনাপ্রধানের রহস্যময় পদক্ষেপ: নেপথ্যে ভারতের হুঁশিয়ারি ও সেনা মোতায়েনে সরকারের সঙ্গে টানাপোড়েন
সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের সম্প্রতি যমুনা ফিউচার পার্ক পরিদর্শনকে কেন্দ্র করে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। আপাতদৃষ্টিতে সাধারণ এই ঘটনাটি স্বাভাবিক ছিল না বলে দাবি করেছে একাধিক নির্ভরযোগ্য গোয়েন্দা সূত্র। সূত্রমতে, এই পরিদর্শনের পেছনে রয়েছে দেশের নিরাপত্তা ও রাজনীতির সঙ্গে সম্পর্কিত দুটি গুরুতর কারণ—একটি ভারতের পক্ষ থেকে আসা কঠোর হুঁশিয়ারি এবং অন্যটি দেশের অভ্যন্তরে সেনা মোতায়েন নিয়ে সরকারের সঙ্গে সেনাবাহিনীর মতবিরোধ।
ভারতের কঠোর বার্তা:
গোয়েন্দা সূত্র জানিয়েছে, সম্প্রতি ভারতে সংঘটিত একটি জঙ্গি হামলায় বাংলাদেশের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়ার দাবি করেছে ভারত। এ ঘটনায় নয়াদিল্লি অত্যন্ত কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে এবং সরাসরি সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানকে একটি শক্ত বার্তা দিয়েছে। এই বিষয়টি নিয়ে
আলোচনার জন্য গতকাল একটি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। অভ্যন্তরীণ মতবিরোধ: অন্যদিকে, দেশের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূস আগামী ১২ ও ১৩ অক্টোবর রাজধানীতে সেনাবাহিনী মোতায়েনের জন্য চাপ দিচ্ছেন বলে জানা গেছে। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনারও রাজধানীর কয়েকটি স্পর্শকাতর পয়েন্টে সেনা মোতায়েনের জন্য অনুরোধ জানিয়েছিলেন। কিন্তু সেনাবাহিনীর শীর্ষ কমান্ড সরাসরি মাঠে নামার ব্যাপারে ভিন্নমত পোষণ করছে। ডিএমপির অনুরোধে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে ইতিবাচক সাড়া দেওয়া হয়নি। এই মতপার্থক্যের কারণে ড. ইউনূস সেনাপ্রধানকে আলোচনার জন্য তলব করেছিলেন বলে সূত্র নিশ্চিত করেছে। সরকারের সঙ্গে সেনাবাহিনীর এই ঘটনা সমন্বয়হীনতার প্রশ্ন সামনে এনেছে। বিশ্লেষকদের উদ্বেগ ও নীরবতা: এই প্রতিবেদন
লেখা পর্যন্ত আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) বা সরকারের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি আসেনি। এই নীরবতা চলমান রহস্যকে আরও ঘনীভূত করছে। নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা এই দ্বিমুখী সংকটকে দেশের জন্য 'ভঙ্গুর' পরিস্থিতি হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। তাদের মতে, একদিকে ভারতের সঙ্গে নিরাপত্তা সংকট এবং অন্যদিকে অভ্যন্তরীণ শাসনব্যবস্থায় মতানৈক্য—এই দুটি বিষয়ই দেশের ভবিষ্যৎ গতিপথ নির্ধারণে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। সংশ্লিষ্ট সকল মহল এখন একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতির জন্য অপেক্ষা করছে।
আলোচনার জন্য গতকাল একটি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। অভ্যন্তরীণ মতবিরোধ: অন্যদিকে, দেশের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূস আগামী ১২ ও ১৩ অক্টোবর রাজধানীতে সেনাবাহিনী মোতায়েনের জন্য চাপ দিচ্ছেন বলে জানা গেছে। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনারও রাজধানীর কয়েকটি স্পর্শকাতর পয়েন্টে সেনা মোতায়েনের জন্য অনুরোধ জানিয়েছিলেন। কিন্তু সেনাবাহিনীর শীর্ষ কমান্ড সরাসরি মাঠে নামার ব্যাপারে ভিন্নমত পোষণ করছে। ডিএমপির অনুরোধে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে ইতিবাচক সাড়া দেওয়া হয়নি। এই মতপার্থক্যের কারণে ড. ইউনূস সেনাপ্রধানকে আলোচনার জন্য তলব করেছিলেন বলে সূত্র নিশ্চিত করেছে। সরকারের সঙ্গে সেনাবাহিনীর এই ঘটনা সমন্বয়হীনতার প্রশ্ন সামনে এনেছে। বিশ্লেষকদের উদ্বেগ ও নীরবতা: এই প্রতিবেদন
লেখা পর্যন্ত আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) বা সরকারের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি আসেনি। এই নীরবতা চলমান রহস্যকে আরও ঘনীভূত করছে। নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা এই দ্বিমুখী সংকটকে দেশের জন্য 'ভঙ্গুর' পরিস্থিতি হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। তাদের মতে, একদিকে ভারতের সঙ্গে নিরাপত্তা সংকট এবং অন্যদিকে অভ্যন্তরীণ শাসনব্যবস্থায় মতানৈক্য—এই দুটি বিষয়ই দেশের ভবিষ্যৎ গতিপথ নির্ধারণে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। সংশ্লিষ্ট সকল মহল এখন একটি আনুষ্ঠানিক বিবৃতির জন্য অপেক্ষা করছে।



