ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বাস ভাড়া বাড়াল সরকার
বাংলাদেশে জ্বালানি সংকটের আশঙ্কায় থমকে যাচ্ছে গার্মেন্টস খাত, ক্রয়াদেশ চলে যাচ্ছে ভারতে
আদানির ইউনিট বন্ধ, জ্বালানি সংকটে লোডশেডিং বেড়েই চলেছে
তেলের লাইনে দাঁড়াতেও ‘ভাড়া চালক’ সংকটে নতুন ব্যবসা
গ্যাস সংকটের দায় আওয়ামী লীগ সরকারের ঘাড়ে চাপানো তথ্যমন্ত্রীর বিভ্রান্তিকর বক্তব্য: ফ্যাক্টস কী বলছে
ডিআইজিসহ ১৩ পুলিশ কর্মকর্তা বাধ্যতামূলক অবসরে
বাসভাড়া বাড়ছে বৃহস্পতিবার
সেচ সংকটে বিপর্যয়: “কৃষি কার্ড” নিয়ে পাম্পে পাম্পে ঘুরেও ডিজেল পাচ্ছেন না কৃষক, বোরো ধানে চিটা পড়ার আশঙ্কা
বিএনপি সরকারের উদ্যোগে সম্প্রতি চালু হওয়া ‘কৃষক কার্ড’ নিয়ে এক পাম্প থেকে আরেক পাম্পে ঘুরছেন কৃষকরা। তবু সেচের জন্য প্রয়োজনীয় ডিজেল মিলছে না। তীব্র দাবদাহে পানির অভাবে বোরো ধানের খেত শুকিয়ে যাচ্ছে, অনেক জায়গায় ধানে চিটা পড়তে শুরু করেছে। ফলে দেশের খাদ্য উৎপাদন নিয়ে দেখা দিয়েছে গভীর শঙ্কা।
পাবনার চাটমোহর, মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর, জামালপুরের সরিষাবাড়ী, রাজশাহী, নওগাঁসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় সরেজমিনে দেখা গেছে, কৃষকরা ভোররাত থেকে ড্রাম-বোতল নিয়ে ফিলিং স্টেশনে লাইন দিচ্ছেন। অনেকে তিন-চার ঘণ্টা অপেক্ষা করেও মাত্র ২-৫ লিটার ডিজেল পাচ্ছেন, যা এক দিনের সেচের জন্যও যথেষ্ট নয়। কেউ কেউ খালি হাতে ফিরে যাচ্ছেন।
এক কৃষক জানান,
“কৃষি কার্ড নিয়ে এসেছি,
কিন্তু তেল তো নেই। তিন দিন ঘুরেও পাইনি। ধানের গাছ পুড়ে যাচ্ছে, বুক ফেটে যাচ্ছে দেখে।” আরেকজন বলেন, “সেচ না দিলে ধান চিটা হয়ে যাবে। এবার ফলন একেবারে নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা।” বোরো ধান সম্পূর্ণ সেচনির্ভর একটি জাত। ফেব্রুয়ারি থেকে মে মাস পর্যন্ত নিয়মিত এক দিন পরপর সেচ দিতে হয়। দেশে প্রায় ৬২-৬৫ শতাংশ বোরো জমি ডিজেলচালিত শ্যালো টিউবওয়েল ও পাম্পের ওপর নির্ভরশীল। বর্তমানে ডিজেলের তীব্র সংকট ও সীমিত সরবরাহের কারণে হাজার হাজার পাম্প বন্ধ রয়েছে। খোলা বাজারে ডিজেল পেলেও দাম লিটারপ্রতি ১৫-২০ টাকা বেশি। সরকার সম্প্রতি কৃষক কার্ড চালু করেছে, যার মাধ্যমে সার, বীজ, সেচ সুবিধা, ঋণ ও নগদ সহায়তা দেওয়ার কথা। প্রধানমন্ত্রী নিজে
এর উদ্বোধন করে বলেছেন, এটি কৃষকদের আত্মনির্ভরশীল করবে। কিন্তু মাঠ পর্যায়ে কার্ডধারী কৃষকরা বলছেন, কার্ড থাকলেও বাস্তবে ডিজেল সহজলভ্য হয়নি। কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, জ্বালানি সংকটের কারণে সেচ ব্যাহত হচ্ছে, তবে পরিস্থিতি মোকাবিলায় চেষ্টা চলছে। তবে কৃষকরা অভিযোগ করছেন, সংকটের সমাধান না হলে এবারের বোরো মৌসুমে বড় ধরনের ফলন বিপর্যয় ঘটতে পারে। এদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, চলমান তাপপ্রবাহ আরও কয়েক দিন অব্যাহত থাকতে পারে। ফলে সেচের অভাবে ধানের শীষ শুকিয়ে চিটা হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি বাড়ছে।কৃষকদের দাবি— জরুরি ভিত্তিতে ডিজেলের সরবরাহ বাড়াতে হবে, কৃষি কার্ডের সুবিধা যেন মাঠ পর্যায়ে পৌঁছে এবং সেচের জন্য বিশেষ ভর্তুকি নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় দেশের খাদ্য
নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়বে।
কিন্তু তেল তো নেই। তিন দিন ঘুরেও পাইনি। ধানের গাছ পুড়ে যাচ্ছে, বুক ফেটে যাচ্ছে দেখে।” আরেকজন বলেন, “সেচ না দিলে ধান চিটা হয়ে যাবে। এবার ফলন একেবারে নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা।” বোরো ধান সম্পূর্ণ সেচনির্ভর একটি জাত। ফেব্রুয়ারি থেকে মে মাস পর্যন্ত নিয়মিত এক দিন পরপর সেচ দিতে হয়। দেশে প্রায় ৬২-৬৫ শতাংশ বোরো জমি ডিজেলচালিত শ্যালো টিউবওয়েল ও পাম্পের ওপর নির্ভরশীল। বর্তমানে ডিজেলের তীব্র সংকট ও সীমিত সরবরাহের কারণে হাজার হাজার পাম্প বন্ধ রয়েছে। খোলা বাজারে ডিজেল পেলেও দাম লিটারপ্রতি ১৫-২০ টাকা বেশি। সরকার সম্প্রতি কৃষক কার্ড চালু করেছে, যার মাধ্যমে সার, বীজ, সেচ সুবিধা, ঋণ ও নগদ সহায়তা দেওয়ার কথা। প্রধানমন্ত্রী নিজে
এর উদ্বোধন করে বলেছেন, এটি কৃষকদের আত্মনির্ভরশীল করবে। কিন্তু মাঠ পর্যায়ে কার্ডধারী কৃষকরা বলছেন, কার্ড থাকলেও বাস্তবে ডিজেল সহজলভ্য হয়নি। কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, জ্বালানি সংকটের কারণে সেচ ব্যাহত হচ্ছে, তবে পরিস্থিতি মোকাবিলায় চেষ্টা চলছে। তবে কৃষকরা অভিযোগ করছেন, সংকটের সমাধান না হলে এবারের বোরো মৌসুমে বড় ধরনের ফলন বিপর্যয় ঘটতে পারে। এদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, চলমান তাপপ্রবাহ আরও কয়েক দিন অব্যাহত থাকতে পারে। ফলে সেচের অভাবে ধানের শীষ শুকিয়ে চিটা হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি বাড়ছে।কৃষকদের দাবি— জরুরি ভিত্তিতে ডিজেলের সরবরাহ বাড়াতে হবে, কৃষি কার্ডের সুবিধা যেন মাঠ পর্যায়ে পৌঁছে এবং সেচের জন্য বিশেষ ভর্তুকি নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় দেশের খাদ্য
নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়বে।



