ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরের ভাঙচুর ও নাশকতার দায় স্বীকার ছাত্রদলের
সারাদেশে আওয়ামী লীগের পার্টি অফিস গুঁড়িয়ে দিয়েছিলাম, ছাত্রদল সভাপতি রাকিবের স্বীকারোক্তি
জুলাই সিডিআই বলায় শাওনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ, নাম আছে মাহিরও
তারেক রহমান: বিচারের নামে কারো প্রতি যেন ‘অবিচার’ করা না হয়
জুলাই চেতনা নিয়ে ব্যবসা, যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
ভোটার হওয়ার সময় বাড়ল
‘বিবেক কাজ করেনি’, এইচএসসি পরীক্ষা চলাকালে বিদ্যালয়ে মদ্যপান-মাতলামির পর প্রধান শিক্ষকের ভাষ্য
সীমান্তে জড়ো হওয়া বাংলাদেশিদের নেওয়া হয়েছে হোন্ডিং সেন্টারে
বাংলাদেশে প্রবেশের উদ্দেশ্যে ভারতীয় সীমান্তে জড়ো হওয়া শতশত বাংলাদেশিকে অবশেষে নেওয়া হলো হোল্ডিং সেন্টারে। পুলিশ ও বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের (বিএসএফ) সমন্বয়ে তিনটি হোল্ডিং সেন্টারে রাখা হয়েছে প্রায় শতাধিক বাংলাদেশি নাগরিককে। তাদের বাংলাদেশে পাঠানোর জন্য নথি যাচাইয়ের কাজ শুরু হয়েছে। প্রাথমিক আলোচনা করা হয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ- বিজিবির সঙ্গে।
অনুপ্রবেশ ইস্যুতে পশ্চিমবঙ্গে নতুন নির্বাচিত বিজেপি সরকারের কঠোর পদক্ষেপের পরই শতশত অবৈধ অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশি নাগরিক গত দুই দিন ধরে নিজেদের দেশে ফিরতে চেয়ে পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার হাকিমপুর সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় জমায়েত হতে থাকে। মঙ্গলবার রাতের দিকে এসব বাংলাদেশি নাগরিকদের অনেককেই স্থানীয় বসিরহাট মহকুমার বিভিন্ন অস্থায়ী হোল্ডিং সেন্টারে রাখা হয়েছে। পুলিশের তরফে
প্রাথমিক নথি যাচাইয়ের পর ১১০ জন বাংলাদেশি নাগরিককে রাখা হয়েছে স্বরূপনগরের তেঁতুলিয়া এলাকায় সরকারি গেস্ট হাউস ‘পথের সাথী’তে। আইনি জটিলতা এবং বিএসএফের ছাড়পত্র না পাওয়ায় তাদের এই গেস্ট হাউসে আপাতত রাখা হয়েছে। গেস্ট হাউসের বাইরে মোতায়েন রয়েছে কঠোর পুলিশ নিরাপত্তা। অন্যদিকে হাকিমপুর সীমান্তের পাশে একটি প্রাইমারি স্কুলে রাখা হয়েছে শতাধিক বাংলাদেশি নাগরিককে। এছাড়া সীমান্তের পাশে দুটি নবনির্মিত বাড়িতে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে আরও ১৭০ জন বাংলাদেশিকে। তবে বুধবার দুপুর পর্যন্ত ট্রেনে-বাসে এমনকি গাড়ি ভাড়া করে উল্লেখযোগ্য অবৈধ বাংলাদেশি সীমান্তে আসছেন। বুধবার বিকেল পর্যন্ত সেই সংখ্যাটা আরও প্রায় দেড় শতাধিক। তবে প্রশাসন সূত্রের খবর, বুধবার পর্যন্ত যেসব বাংলাদেশি নাগরিক সীমান্তে এসেছেন তাদের
যাবতীয় নথি সংগ্রহ করা হয়েছে। তাদের পরিচয় যাচাই-বাছাইয়ের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে কোনো অপরাধের মামলা রয়েছে কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশি প্রমাণিত হলে নিয়ম মেনে পরবর্তীতে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে বিএসএফ তাদের বিজিবির হাতে তুলে দেবে। হেফাজতে থাকা অনুপ্রবেশকারীরা নিজেরাই জানিয়েছেন, দালালের হাত ধরে তারা বিভিন্ন সময় বেআইনিভাবে ভারতে প্রবেশ করেছিলেন। এরপর কলকাতাসহ বিভিন্ন রাজ্যে অবস্থান করছিলেন। কেউ থাকছিলেন রাজারহাটে, কেউ বা থাকছিলেন হাওড়া, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায়। কেউ কেউ আবার সরাসরি দক্ষিণ ভারতের রাজ্য কেরলে বসবাস করা শুরু করেছিলেন। পশ্চিমবঙ্গে প্রবেশ করে স্থানীয় দালালের সহায়তায় তারা ভারতীয় পরিচয়পত্র তৈরি করে ফেলেছিলেন। আর এই কাজে
তাদের সহায়তা করেছিল আগের তৃণমূল কংগ্রেসের সরকারের লোকজনেরা। এমনটাই দাবি করেছেন বেআইনিভাবে কাগজপত্র বানিয়ে নেওয়া লোকজন।
প্রাথমিক নথি যাচাইয়ের পর ১১০ জন বাংলাদেশি নাগরিককে রাখা হয়েছে স্বরূপনগরের তেঁতুলিয়া এলাকায় সরকারি গেস্ট হাউস ‘পথের সাথী’তে। আইনি জটিলতা এবং বিএসএফের ছাড়পত্র না পাওয়ায় তাদের এই গেস্ট হাউসে আপাতত রাখা হয়েছে। গেস্ট হাউসের বাইরে মোতায়েন রয়েছে কঠোর পুলিশ নিরাপত্তা। অন্যদিকে হাকিমপুর সীমান্তের পাশে একটি প্রাইমারি স্কুলে রাখা হয়েছে শতাধিক বাংলাদেশি নাগরিককে। এছাড়া সীমান্তের পাশে দুটি নবনির্মিত বাড়িতে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে আরও ১৭০ জন বাংলাদেশিকে। তবে বুধবার দুপুর পর্যন্ত ট্রেনে-বাসে এমনকি গাড়ি ভাড়া করে উল্লেখযোগ্য অবৈধ বাংলাদেশি সীমান্তে আসছেন। বুধবার বিকেল পর্যন্ত সেই সংখ্যাটা আরও প্রায় দেড় শতাধিক। তবে প্রশাসন সূত্রের খবর, বুধবার পর্যন্ত যেসব বাংলাদেশি নাগরিক সীমান্তে এসেছেন তাদের
যাবতীয় নথি সংগ্রহ করা হয়েছে। তাদের পরিচয় যাচাই-বাছাইয়ের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে কোনো অপরাধের মামলা রয়েছে কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশি প্রমাণিত হলে নিয়ম মেনে পরবর্তীতে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে বিএসএফ তাদের বিজিবির হাতে তুলে দেবে। হেফাজতে থাকা অনুপ্রবেশকারীরা নিজেরাই জানিয়েছেন, দালালের হাত ধরে তারা বিভিন্ন সময় বেআইনিভাবে ভারতে প্রবেশ করেছিলেন। এরপর কলকাতাসহ বিভিন্ন রাজ্যে অবস্থান করছিলেন। কেউ থাকছিলেন রাজারহাটে, কেউ বা থাকছিলেন হাওড়া, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায়। কেউ কেউ আবার সরাসরি দক্ষিণ ভারতের রাজ্য কেরলে বসবাস করা শুরু করেছিলেন। পশ্চিমবঙ্গে প্রবেশ করে স্থানীয় দালালের সহায়তায় তারা ভারতীয় পরিচয়পত্র তৈরি করে ফেলেছিলেন। আর এই কাজে
তাদের সহায়তা করেছিল আগের তৃণমূল কংগ্রেসের সরকারের লোকজনেরা। এমনটাই দাবি করেছেন বেআইনিভাবে কাগজপত্র বানিয়ে নেওয়া লোকজন।



