ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ভয়াবহ বিনিয়োগ সংকট : অবৈধ ইউনুস সরকারের অধীনে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক বিপর্যয়নামা
ইউনুসের গণভোট প্রহসন : সংবিধান ও গণতন্ত্রের সাথে নগ্ন প্রতারণা
ইউনুসের অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলের বলি যেভাবে হলো বাংলাদেশের আপামর তরুণ প্রজন্ম
শ্রীশ্রী সরস্বতী পূজার আন্তরিক শুভেচ্ছা – জ্ঞান, শুভবুদ্ধি ও সম্প্রীতিতে আলোকিত হোক বাংলাদেশ।
ফাঁস হওয়া অডিও: ‘হাসিনার বিচার সুষ্ঠু হয়নি, তবুও পলিটিক্যালি জিনিয়াস’—মার্কিন কূটনীতিকের স্বীকারোক্তি
সংস্কারের আড়ালে ‘ডাকাতি’: নিলাম ছাড়াই গ্রামীণফোনকে ২৫০০ কোটি টাকার উপহার
সেনাবাহিনীতে ‘সফট ক্যু’র চেষ্টা নস্যাৎ: এনএসএ খলিলুরের পরিকল্পনা ভেস্তে দিলেন সেনাপ্রধান
সীমান্তে উসকানিদাতাদের চরম মূল্য দিতে হবে: আখতার হোসেন
জাতীয় নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেছেন, আমরা সীমান্তে শান্তি চাই। কোনো ধরনের অশান্তি চাই না। তারপরও যদি বাংলাদেশের মানুষকে বারবার উসকানি দেওয়া হয় তাহলে উসকানিদাতাদের চরম মূল্য দিতে হবে। কারণ স্বাধীন ভূখণ্ড রক্ষায় বাংলাদেশের মানুষ জীবন দিতে প্রস্তুত আছে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) ‘আগ্রাসন’ এবং বাংলাদেশিদের ওপর হামলার প্রতিবাদে শনিবার রাতে মশাল শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
এর আগে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে জাতীয় নাগরিক কমিটির উদ্যোগে মশাল মিছিল বের করা হয়। মিছিলে ‘দিল্লির আগ্রাসন, রুখে দাও জনগণ’, ‘দিল্লি না ঢাকা, ঢাকা ঢাকা’, ‘দালালি না রাজপথ, রাজপথ রাজপথ’—এমন বিভিন্ন স্লোগান দেওয়া হয়। মিছিলটি শাহবাগ মোড়ে গিয়ে
শেষ হয়। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ হয়। আখতার হোসেন বলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে দিনে-দুপুরে বিএসএফ এসে আমাদের ফসল নষ্ট করছে। তারা বাংলাদেশের ভূখণ্ডে আগ্নেয়াস্ত্র নিক্ষেপ করার সাহস দেখিয়েছে। কিন্তু চাঁপাইনবাবগঞ্জের মানুষেরা তাদের প্রতিহত করতে রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছে। বাংলাদেশের মানুষ পরাধীনতার স্বাদ আর কোনোভাবেই সহ্য করবে না। চাঁপাইনবাবগঞ্জে আমাদের যে ভাইয়েরা আজকে বিজিবির সঙ্গে মিলে ভারতের আগ্রাসন রুখে দিয়েছে, জাতীয় নাগরিক কমিটির পক্ষ থেকে আমরা তাদের ধন্যবাদ জানাতে চাই। বাংলাদেশের এক ইঞ্চি জায়গা কেড়ে নেওয়ার চক্রান্ত সফল হতে দেওয়া হবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, দালাল খুনি হাসিনার পতনের পর দিল্লির মাথা খারাপ হয়ে গেছে। এখন তারা বাংলাদেশের সীমান্ত নিয়ে নয়ছয় করার
চেষ্টা করছে। আমরা হুঁশিয়ার করে বলতে চাই, এক এক ইঞ্চি জায়গা হারাতে দিব না। এজন্য বাংলার মানুষ জীবন দিতে প্রস্তুত আছে। আমরা বিশ্বাস রাখতে চাই, ভারত বাংলাদেশের মানুষের পালস বুঝবে এবং তারা বাংলাদেশের উপর অযাচিত কোনো আগ্রাসন চালাবে না। কিন্তু যদি তা করা হয় তাহলে বাংলাদেশের মানুষ তা প্রতিহত করবে। এ সময় জাতীয় নাগরিক কমিটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীর উপস্থিত ছিলেন।
শেষ হয়। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ হয়। আখতার হোসেন বলেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে দিনে-দুপুরে বিএসএফ এসে আমাদের ফসল নষ্ট করছে। তারা বাংলাদেশের ভূখণ্ডে আগ্নেয়াস্ত্র নিক্ষেপ করার সাহস দেখিয়েছে। কিন্তু চাঁপাইনবাবগঞ্জের মানুষেরা তাদের প্রতিহত করতে রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছে। বাংলাদেশের মানুষ পরাধীনতার স্বাদ আর কোনোভাবেই সহ্য করবে না। চাঁপাইনবাবগঞ্জে আমাদের যে ভাইয়েরা আজকে বিজিবির সঙ্গে মিলে ভারতের আগ্রাসন রুখে দিয়েছে, জাতীয় নাগরিক কমিটির পক্ষ থেকে আমরা তাদের ধন্যবাদ জানাতে চাই। বাংলাদেশের এক ইঞ্চি জায়গা কেড়ে নেওয়ার চক্রান্ত সফল হতে দেওয়া হবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, দালাল খুনি হাসিনার পতনের পর দিল্লির মাথা খারাপ হয়ে গেছে। এখন তারা বাংলাদেশের সীমান্ত নিয়ে নয়ছয় করার
চেষ্টা করছে। আমরা হুঁশিয়ার করে বলতে চাই, এক এক ইঞ্চি জায়গা হারাতে দিব না। এজন্য বাংলার মানুষ জীবন দিতে প্রস্তুত আছে। আমরা বিশ্বাস রাখতে চাই, ভারত বাংলাদেশের মানুষের পালস বুঝবে এবং তারা বাংলাদেশের উপর অযাচিত কোনো আগ্রাসন চালাবে না। কিন্তু যদি তা করা হয় তাহলে বাংলাদেশের মানুষ তা প্রতিহত করবে। এ সময় জাতীয় নাগরিক কমিটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীর উপস্থিত ছিলেন।



