ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সুনামগঞ্জে ডিসির মদতে ফসলরক্ষা বাঁধের কোটি টাকার প্রকল্প হাতিয়ে নিল শিবির ক্যাডাররা
মার্কিন মদতে রাজনীতিতে শক্ত অবস্থায় জামায়াত: ইরানে হামলার পর ভোল বদলে যুক্তরাষ্ট্র-বিরোধী সমাবেশ-মিছিল
ইউনূস সরকারের ১৮ মাসে শিক্ষাঙ্গন ‘ক্ষত-বিক্ষত’: প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের অভিযোগ, ১৪ দফা দাবি উত্থাপন
ন্যাশনাল ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদে বিতর্কের মুখে সরলেন বনমন্ত্রী মিন্টু, নয়া দায়িত্বে মেলিতা
অতিরিক্ত মদ্যপানে মৃত্যু: পরিবারের কারসাজিতে ‘জুলাই শহীদ’, জুটল ৩০ লাখ আর মামলায় নিরীহদের হয়রানি
মার্কিন মদতে রাজনীতিতে শক্ত অবস্থায় জামায়াত: ইরানে হামলার পর ভোল বদলে যুক্তরাষ্ট্র-বিরোধী সমাবেশ-মিছিল
ঢাকায় আসছেন পল কাপুর: নতুন সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে ১৮ মাস পর গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন কর্মকর্তার সফর
সিএমপির ওসির বিরুদ্ধে মাদক সরবরাহ ও বিপুল সম্পদ অর্জনের অভিযোগ
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) পাঁচলাইশ থানার বর্তমান ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল করিমের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসা, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে মাদক সরবরাহ এবং ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিপুল সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠেছে। কনস্টেবল থেকে পদোন্নতি পেয়ে ওসি হওয়া এই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে এমনকি সাবেক এক পুলিশ কর্মকর্তার সঙ্গে যোগসাজশে ইয়াবা ব্যবসার মাধ্যমে শতকোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার তথ্য সামনে এসেছে।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, ওসি আব্দুল করিম ব্যক্তিগত কাজে একটি কালো রঙের সিএইচআর (CHR) মডেলের গাড়ি ব্যবহার করেন, যার নম্বর ‘চট্টগ্রাম মেট্রো-ঘ ১১-৪৫২৬’। অভিযোগ রয়েছে, তিনি নিজেই এই গাড়ি চালিয়ে সিএমপি কমিশনার হাসিব আজিজের জন্য নিয়মিত বিদেশি মদ সরবরাহ করেন। পুলিশ বাহিনীতে গুঞ্জন রয়েছে, যোগ্যতার চেয়ে ‘তেলবাজি’ এবং
ঊর্ধ্বতনদের অনৈতিক আবদার রক্ষা করেই তিনি নিজের অবস্থান টিকিয়ে রেখেছেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে কনস্টেবল হিসেবে চাকরিতে যোগদান করেছিলেন আব্দুল করিম। পরবর্তী সময়ে পদোন্নতি পেয়ে কোতোয়ালী থানার ওসি থাকাকালীন সাবেক আলোচিত ওসি মহসিনের সঙ্গে মিলে তিনি বড় ধরনের ইয়াবা সিন্ডিকেট গড়ে তোলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এই ব্যবসার মাধ্যমেই তিনি শতকোটি টাকার মালিক হয়েছেন বলে দাবি করা হচ্ছে। আব্দুল করিমের সম্পদের বিষয়ে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বগুড়ায় তিনি একটি আলিশান বাড়ি নির্মাণ করেছেন, যার কাজ সম্প্রতি শেষ হয়েছে। এ ছাড়া রাজধানী ঢাকা ও বন্দরনগরী চট্টগ্রামে তাঁর একাধিক স্থাবর সম্পত্তির পাহাড় রয়েছে বলে জানা গেছে। কোতোয়ালী থানায় থাকাকালীন তাঁর বিরুদ্ধে ব্যাপক
চাঁদাবাজির অভিযোগও রয়েছে। তৎকালীন ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মামলার ভয় দেখিয়ে এবং অনেককে গ্রেফতার করে তিনি ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেছেন। অভিযোগ রয়েছে, বর্তমানে পাঁচলাইশ থানায় বদলি হলেও তাঁর পুরনো ইয়াবা ব্যবসা এখনো সচল রয়েছে। এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে ওসি আব্দুল করিমের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে সিএমপির একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, "বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেলে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।" পেশাদার বাহিনীতে একজন ওসির বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসা ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের এমন গুরুতর অভিযোগ পুলিশ সদর দপ্তরের ভাবমূর্তিকে
সংকটে ফেলেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ঊর্ধ্বতনদের অনৈতিক আবদার রক্ষা করেই তিনি নিজের অবস্থান টিকিয়ে রেখেছেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে কনস্টেবল হিসেবে চাকরিতে যোগদান করেছিলেন আব্দুল করিম। পরবর্তী সময়ে পদোন্নতি পেয়ে কোতোয়ালী থানার ওসি থাকাকালীন সাবেক আলোচিত ওসি মহসিনের সঙ্গে মিলে তিনি বড় ধরনের ইয়াবা সিন্ডিকেট গড়ে তোলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এই ব্যবসার মাধ্যমেই তিনি শতকোটি টাকার মালিক হয়েছেন বলে দাবি করা হচ্ছে। আব্দুল করিমের সম্পদের বিষয়ে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বগুড়ায় তিনি একটি আলিশান বাড়ি নির্মাণ করেছেন, যার কাজ সম্প্রতি শেষ হয়েছে। এ ছাড়া রাজধানী ঢাকা ও বন্দরনগরী চট্টগ্রামে তাঁর একাধিক স্থাবর সম্পত্তির পাহাড় রয়েছে বলে জানা গেছে। কোতোয়ালী থানায় থাকাকালীন তাঁর বিরুদ্ধে ব্যাপক
চাঁদাবাজির অভিযোগও রয়েছে। তৎকালীন ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মামলার ভয় দেখিয়ে এবং অনেককে গ্রেফতার করে তিনি ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেছেন। অভিযোগ রয়েছে, বর্তমানে পাঁচলাইশ থানায় বদলি হলেও তাঁর পুরনো ইয়াবা ব্যবসা এখনো সচল রয়েছে। এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে ওসি আব্দুল করিমের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে সিএমপির একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, "বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেলে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।" পেশাদার বাহিনীতে একজন ওসির বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসা ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের এমন গুরুতর অভিযোগ পুলিশ সদর দপ্তরের ভাবমূর্তিকে
সংকটে ফেলেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।



