সালাউদ্দিন অধ্যায়ের অবসান – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
     ৫:০৩ পূর্বাহ্ণ

সালাউদ্দিন অধ্যায়ের অবসান

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ | ৫:০৩ 216 ভিউ
পদত্যাগ ও পলায়নের ভিড়ে ব্যতিক্রম ছিলেন কাজী সালাউদ্দিন। ৫ আগস্টের আগে তো বটেই, পরেও বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি থাকার ব্যাপারে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ছিলেন সাবেক এই ফুটবলার। সর্বশেষ ১৩ আগস্ট তিনি জানান, কোনো হুমকিতে ভয় পান না। বাফুফে থেকে পদত্যাগ করবেন না। বরং আরও একবার সভাপতি পদে নির্বাচন করবেন। পদত্যাগ তিনি করেননি। কিন্তু গতকাল সংবাদ সম্মেলন করে জানিয়ে দিয়েছেন, আগামী বাফুফে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন না। সালাউদ্দিনের ঘোষণার পরই জল্পনা-কল্পনা শুরু হয়ে গেছে, কে হচ্ছেন পরবর্তী সভাপতি। বেশ জোরেশোরেই তাবিথ আউয়ালের নাম শোনা যাচ্ছে। তাঁর একটি ঘনিষ্ঠ সূত্র নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়ে ইঙ্গিতও দিয়েছে। তবে আগামী দু-একদিন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে সিদ্ধান্ত নেবেন

তাবিথ। এর আগে ২০১২ ও ২০১৬ সালে স্বতন্ত্র হিসেবে সহসভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন তাবিথ। বাফুফের পরবর্তী নির্বাচন হবে আগামী ২৬ অক্টোবর। ওই নির্বাচনে অংশ নেবেন না বলে গতকাল নিশ্চিত করেন সালাউদ্দিন, ‘বাফুফের যে নির্বাচন আসছে, এতে আমি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করব না। এটা জানানোর জন্য এসেছি। আমি চার মেয়াদে দায়িত্বে ছিলাম, এমন সুযোগ পাওয়ায় নিজেকে ভাগ্যবান মনে করি।’ নির্বাচন কিছুদিন পেছানোর জন্য ফিফার কাছে চিঠি দিয়েছিল বাফুফে। উত্তরে ফিফা মনে করিয়ে দিয়েছে– ফিফার ১৪ ও ১৯ ধারা অনুযায়ী ফেডারেশনে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপের সুযোগ নেই এবং বাফুফের ৩২ ধারা অনুযায়ী চার বছর পর অর্থাৎ ২৬ অক্টোবর নির্বাচন হতে হবে। ফিফা ও এএফসি এই নির্বাচন গভীরভাবে

পর্যবেক্ষণ করবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। সভাপতি হিসেবে যে অর্জনে তিনি সন্তুষ্ট, সেটাও বলেছেন, ‘আশা রাখি, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের যেন আরও উন্নতি হয়, ফুটবল যেন ভবিষ্যতে ভালোভাবে থাকে। অন্তত আমার একটা খুশি আছে যে, সবশেষ অনূর্ধ্ব-২০ দলকে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে চ্যাম্পিয়ন হতে দেখতে পেরেছি আমি। ব্যক্তিগতভাবে এটা আমার জন্য ভালো অনুভূতি।’ এই ১৬ বছর একসঙ্গে কাজ করার জন্য গণমাধ্যমকেও ধন্যবাদ জানিয়েছেন। কোনো চাপে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন কিনা– এমন প্রশ্নের জবাবে সালাউদ্দিন বলেন, ‘আমি আগেই এই ঘোষণা দিয়ে দিলাম, যেন কারও কোনো বিষয়ে কনফিউশন না থাকে, কোনো সংশয় না থাকে। আমি যা বলার বলে দিয়েছি। আমি আপনাদের কোনো প্রশ্নের উত্তর দেব না। আমি

আমার মতামত দিয়ে দিয়েছি, আমি কোনো নির্বাচন করব না।’ নির্বাচন না করায় ফেডারেশনে তাঁর সভাপতিত্বের প্রায় দেড় দশকের অবসান হচ্ছে। আর ফুটবল সংগঠক হিসেবে যা দুই দশকের বেশি। ২০০৩ সালে বাফুফের সহসভাপতি নির্বাচিত হন তিনি। কিন্তু তৎকালীন ফেডারেশন সভাপতি এসএ সুলতানের সঙ্গে মতবিরোধের কারণে পদত্যাগ করেন। ফেডারেশন সভাপতির অনুরোধে ২০০৫ সালে পদত্যাগপত্র প্রত্যাহার করলেও সাত মাস পর একই কারণে পুনরায় পদত্যাগ করেন। ২০০৮ সালে প্রথমবার বাফুফে সভাপতি নির্বাচিত হন সালাউদ্দিন। টানা চার মেয়াদ পর তাঁর রাজত্ব থেকে মুক্ত হচ্ছে ফুটবল। এই চার মেয়াদেই তিনি সাফের (সাউথ এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশন) সভাপতি হন। ৫ আগস্ট দেশের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর ক্রীড়াসহ বিভিন্ন অঙ্গনের ব্যক্তিত্বরা

নিজ নিজ পদ থেকে পদত্যাগ করেন। বিসিবি থেকে নাজমুল হাসান পাপন ২১ আগস্ট পদত্যাগ করেছেন। সর্বশেষ ১০ সেপ্টেম্বর ৪২ ফেডারেশনের সভাপতিকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। সালাউদ্দিন পদত্যাগ করেননি, ফিফার নিয়মের কারণে তাঁকে পদত্যাগও করানো যায়নি। তবে আলট্রাস নামের ফুটবলারদের একটি সংগঠন এবং বাংলাদেশ ফুটবল সাপোর্টার্স ফোরাম দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ এনে বাফুফে সভাপতির পদত্যাগ দাবি করে আসছিল। বাফুফে সভাপতি হয়েই ২০০৮ সালে সালাউদ্দিন ফুটবল উন্নয়নে সিটিসেলের সঙ্গে ১৬ কোটি টাকার চমকপ্রদ একটি চুক্তি করেন। পরবর্তী সময়টা তাঁর কেটেছে নানা বিতর্ক, সমালোচনা, অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে। তাঁর বিরুদ্ধে স্বজনপ্রীতি, কমিশন বাণিজ্যের অভিযোগ আছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
রপ্তানি খাতে বড় পতন, সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে সরকার ক্ষমতার শেষ মুহূর্তে তড়িঘড়ি প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধি: দুর্নীতির মচ্ছবে ব্যাস্ত ইউনুস সরকারের বিশেষ সহকারী আবারো কারা হেফাজতে আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু: মামলা ছাড়া আটক হুমায়ূন কবির, মৃত্যুর মিছিলে আরেকটি নাম চট্টগ্রাম বন্দরে শিবির–এনসিপি কোটায় নিয়োগ: ৯ জনকে পদায়ন নিজেদের নেওয়া ব্যাংক ঋণের চাপে অথৈ সমুদ্রে ইউনূস সরকার, অজানা গন্তব্যে অর্থনীতি ব্যালট বাক্স নয়, লাশের হিসাবই যখন বাস্তবতা এবার নিশানা বাঙালির পৌষ সংক্রান্তি : হাজার বছরের আবহমান বাংলার সংস্কৃতি মুছে বর্বর ধর্মরাষ্ট্রের স্বপ্ন রক্তের দাগ মুছবে কে? নিরপেক্ষতার মুখোশ খুলে গেছে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ চাইতে নেমে ড. ইউনূস প্রমাণ করলেন—তিনি আর প্রধান উপদেষ্টা নন, তিনি একটি পক্ষের সক্রিয় কর্মী আওয়ামী লীগবিহীন নির্বাচন কঠিন সংঘাতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে বাংলাদেশকে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষে বিতর্কিত নিয়োগ নয়জন জুলাই সন্ত্রাসীকে প্রভাব খাটিয়ে নিয়োগ হ্যাঁ কিংবা না কোনো শব্দেই আমরা আওয়ামী লীগ তথা মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি যেন কথা না বলি।কারণ এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ফাঁদটাই হলো আমাদের মুখ খুলিয়ে দেওয়া। ইউনুস থেকে মাচাদো: নোবেল শান্তি পুরস্কার কি সরকার পরিবর্তনের হাতিয়ার হয়ে উঠেছে? কুপিয়ে হাতকড়াসহ আসামি ছিনতাই, ৫ পুলিশ হাসপাতালে জাহাজ কেনার বাকি ২ মাস ঋণ চুক্তিতে ব্যর্থ সরকার ২০২৫ সালে সড়কে মৃত্যু ১০০৮ শিশুর বায়ুদূষণে শীর্ষে দিল্লি, ঢাকার খবর কী সরকারি সিদ্ধান্তে নিজের মতামতের গুরুত্ব নেই মনে করে ৭৩% মানুষ আজ যেমন থাকবে ঢাকার আবহাওয়া রাজধানীতে আজ কোথায় কী