তিন মাসে এফডিআই এসেছে ১৫৮ কোটি ডলার – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৩ July, ২০২৫

তিন মাসে এফডিআই এসেছে ১৫৮ কোটি ডলার

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৩ July, ২০২৫ |
বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকট ও রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে বেশ কিছুদিন ধরে বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগে ভাটার টান ছিল। তবে চলতি বছরের শুরুতে সেই চিত্রে দেখা গেছে আশাব্যঞ্জক পরিবর্তন। নতুন হিসাব বলছে, ২০২৪ সালের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) দেশে প্রত্যক্ষ বৈদেশিক বিনিয়োগ (এফডিআই) বেড়েছে দ্বিগুণেরও বেশি। বাংলাদেশ ব্যাংকের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের প্রথম তিন মাসে মোট ১৫৮ কোটি ডলারের বৈদেশিক বিনিয়োগ এসেছে দেশে। এর মধ্যে ৭১ কোটি ডলার বিভিন্ন মুনাফা ও অংশীদারিত্ব ফিরিয়ে নিয়ে গেছেন বিদেশি উদ্যোক্তারা। ফলে নিট এফডিআই দাঁড়িয়েছে ৮৬ কোটি ডলারে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১১৪ শতাংশ বেশি। এই নিট বিনিয়োগ পরিমাণ ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ। সে বছরের জানুয়ারি-মার্চে নিট এফডিআই

ছিল ৮৯ কোটি ডলার। ২০২৩ সালে তা নেমে এসেছিল ৪০ কোটিতে। এফডিআই বলতে বিদেশি কোম্পানিগুলোর বাংলাদেশে শিল্প-কারখানা স্থাপন, নতুন প্রকল্পে অর্থলগ্নি কিংবা স্থানীয় শেয়ার কিনে বিনিয়োগ করাকে বোঝায়। তবে এই বিনিয়োগের একটি অংশ পুনরায় বিদেশে চলে যায় মুনাফা বা শেয়ার বিক্রির মাধ্যমে, যা 'আউটফ্লো' নামে পরিচিত। আউটফ্লো বাদ দিয়ে যে অংশ দেশে থেকে যায়, সেটিই 'নিট এফডিআই'। বাংলাদেশ ব্যাংকের বিশ্লেষণে দেখা গেছে, জানুয়ারি-মার্চ সময়ে ২৭ কোটি ডলারের নিট ইক্যুইটি (নতুন মূলধনি বিনিয়োগ) এসেছে, যা গত বছরের একই সময়ের চেয়ে দ্বিগুণেরও বেশি (১২ কোটি ডলার ছিল ২০২৩ সালে)। অন্যদিকে, পুনর্বিনিয়োগ আয় থেকে এসেছে ১৯ কোটি ডলার এবং আন্তঃকোম্পানি ঋণ হিসেবে এসেছে আরো ৪০ কোটি

ডলার। এর অর্থ, দেশে থাকা বিদেশি কোম্পানিগুলো আগের বিনিয়োগ থেকেই আয়ের একটি বড় অংশ পুনরায় লগ্নি করেছে। এফডিআই বাড়াতে নীতিগত উদ্যোগও নিচ্ছে সরকার। সম্প্রতি সরকার পাঁচ সদস্যের একটি আহ্বায়ক কমিটি গঠন করেছে, যারা প্রণোদনার মাধ্যমে বিদেশি বিনিয়োগ বাড়ানোর বিষয়ে সুপারিশ দেবে। প্রধান উপদেষ্টা কার্যালয়ের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কমিটি এক মাসের মধ্যে তাদের মতামত জমা দেবে। এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী এক ফেসবুক পোস্টে বলেন, 'এই বছরের এফডিআই প্রবাহে আমাদের প্রত্যক্ষ অবদান সীমিত। সিদ্ধান্তগুলো আগে নেওয়া ছিল, হয়তো প্রক্রিয়াটি একটু দ্রুত হয়েছে।' সংশ্লিষ্টরা বলছেন, যদিও বছরের শুরুতে এফডিআই প্রবাহে যে উত্থান দেখা যাচ্ছে, তা এক অর্থে আগের সিদ্ধান্তগুলোর

বাস্তবায়ন, তবু এই গতি অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক বার্তা দিচ্ছে। বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আস্থা ধরে রাখতে হলে এখন প্রয়োজন স্থিতিশীল নীতিমালা, জ্বালানি সরবরাহের নিশ্চয়তা এবং প্রশাসনিক জটিলতা হ্রাস। তাহলেই এই প্রবণতা পরবর্তী প্রান্তিকগুলোতেও অব্যাহত রাখা সম্ভব হবে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
ব্যাংক হিসাব জব্দের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ব্যক্তিরা ব্যাংক দেউলিয়া হওয়ার বিতর্কে পদত্যাগ করলেন প্যারাগুয়ের প্রেসিডেন্ট ম্যাককেনা অতিরিক্ত যৌন আবেদনময় দৃশ্যে অভিনয় করতে চান না গ্রিন ডেল্টাসহ দুই কোম্পানির মেরিন কার্গো বিমা বিক্রিতে ৩ মাসের নিষেধাজ্ঞা নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার, মামলায় ৪২ জনের নাম উল্লেখসহ ৩৪২ জন আসামি মিরপুরে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা গ্রেপ্তার, ২০টি ককটেল উদ্ধার পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে কারখানা বন্ধের ইঙ্গিত মালিকদের ইসলামী বক্তা ও জামায়াতের সাংসদ আমির হামজার নারীঘটিত অডিও-ভিডিও পাওয়ার দাবি রাশেদ খাঁনের পোশাক শ্রমিক নির্যাতন আড়াল করতে পারেনি সরকার, পুলিশি নির্যাতন ও রাজনীতিকরণে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলোর উদ্বেগ হামলা বন্ধে সৌদি’র ১ বিলিয়ন ডলার প্রস্তাব; জবাবে হুথিদের ৫১ বিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ ও ইয়েমেনের শাসনভার দাবি জাঙ্গুর সেঞ্চুরিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দিন জাঙ্গুর সেঞ্চুরিতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের দিন সাফে ভারতের অনূর্ধ্ব-২৩ দলের কাছেই পাত্তা পেল না পাকিস্তান শ্রমিক অসন্তোষে স্থবির দেশের প্রধান রপ্তানি খাত: বড় সংকটের মুখে তৈরি পোশাকশিল্প বীর মুক্তিযোদ্ধার জানাজা ও দাফনে জামায়াত-শিবিরের বাধার ঘটনার প্রতিবাদে শৈলকুপায় মানববন্ধন ইউনূস আমলে হামের টিকার অনিয়ম তদন্তে কমিশন গঠন মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের চলমান আন্দোলনের জের ধরে সাভার ও আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলে আবারও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় আজ ৫ই নভেম্বর, বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই এই অঞ্চলের একাধিক পোশাক কারখানায় শ্রমিকেরা কাজ বন্ধ রেখে কর্মবিরতি পালন করছেন। একপর্যায়ে পুলিশের রক্তচক্ষু ও বাধা উপেক্ষা করে হাজারো শ্রমিক রাজপথে নেমে এলে পুরো এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি তৈরি হয়। সকালে সাভার ও আশুলিয়ার গুরুত্বপূর্ণ শিল্পাঞ্চলের কারখানাগুলোতে শ্রমিকেরা যথারীতি উপস্থিত হলেও তারা উৎপাদন প্রক্রিয়ায় অংশ না নিয়ে কর্মবিরতির ডাক দেন। সময় বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সার্বিক নিরাপত্তাশঙ্কা দেখা দিলে বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কের জামগড়া, নিশ্চিন্তপুর ও নরসিংহপুর এলাকার একাধিক পোশাক কারখানা কর্তৃপক্ষ কারখানাগুলোতে ছুটি ঘোষণা করতে বাধ্য হয়। কাঠগড়া এলাকার একটি বিশিষ্ট শিল্পগ্রুপের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং সার্বিক নিরাপত্তা বিবেচনায় এই অঞ্চলের অধিকাংশ কারখানাতেই ইতিমধ্যে ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিছু কারখানায় শ্রমিকেরা ভেতরে থাকলেও তারা উৎপাদন কাজ বন্ধ রেখেছেন। সকাল ১০টার পর আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুর এলাকায় পরিস্থিতি মোড় নেয় নতুন দিকে। সেখানকার কয়েকটি কারখানার শ্রমিকেরা এক জোট হয়ে সড়কে অবস্থান নেন এবং মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন। খবর পেয়ে পুলিশ এসে বাধা দিলে তৈরি হয় মুখোমুখি অবস্থান, যা এলাকায় তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি করে। পরে শ্রমিকেরা পুলিশের সে বাধা তোয়াক্কা না করেই একযোগে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন এবং জামগড়ার দিকে অগ্রসর হতে থাকেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাভারের হেমায়েতপুর, উলাইল, পদ্মার মোড় এবং আশুলিয়ার বাইপাইল-আবদুল্লাহপুর সড়কের বিভিন্ন কৌশলগত ও সংবেদনশীল পয়েন্টে পুলিশ ছাড়াও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) বিপুল সংখ্যক সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। বিক্ষোভরত শ্রমিকদের গতিবিধির ওপর নজর রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাদের কাছাকাছি অবস্থানে থেকে সতর্ক টহল দিচ্ছেন। নতুন করে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা যেন না ঘটে, সে জন্য পুরো শিল্পাঞ্চলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী ট্রাম্প ত্রিপুরায় বিএসএফের ওপর স্থানীয় বাসিন্দাদের হামলা, ৩ আহত, ৯ গ্রেপ্তার তাহসিফ হত্যায় দীপকে তৃতীয় দফায় রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন পুলিশের