সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বাঁধাতে এনসিপি নেতার পরামর্শে নাটক সাজান মুফতি মহিব্বুল্লাহ – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২৮ অক্টোবর, ২০২৫

সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বাঁধাতে এনসিপি নেতার পরামর্শে নাটক সাজান মুফতি মহিব্বুল্লাহ

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৮ অক্টোবর, ২০২৫ |
সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা উসকে দিতে ও রাজনৈতিকভাবে ফায়দা নিতে মুফতি মহিব্বুল্লাহর “অপহরণের নাটক” সাজানোর পিছনে রয়েছে এনসিপি নেতা আতাউর রহমান বিক্রমপুরী । সাম্প্রতিক সময়ে মুফতি মহিব্বুল্লাহর রহস্যজনক নিখোঁজ ও পুনরাবির্ভাবের ঘটনার পিছনে রয়েছে ইসকন ও হিন্দুদের বিরুদ্ধে প্লট সাজিয়ে দেশে সাম্প্রদায়িকতার বিস্তার। কিন্তু ফোন রেকর্ড, সিসিটিভি ফুটেজ এবং সাক্ষ্য-প্রমাণ পর্যালোচনায় দেখা যায়, তিনি নিজে নিজেই গাজীপুর থেকে পঞ্চগড় যান এবং নিজেই নিজের অপহরণ নাটক সাজান। তদন্ত কর্মকর্তারা বলছেন, মহিব্বুল্লাহর লক্ষ্য ছিল একটি মিথ্যা অপহরণের ঘটনা সাজিয়ে জনগণের সহানুভূতি পাওয়া এবং একই সঙ্গে দেশের ধর্মীয় গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে বিভাজন তৈরি করা। এর আগে পুলিশের এন্টি টেররিজম ইউনিটের (এটিইউ) তদন্তে উঠে এসেছে, মুফতি মহিব্বুল্লাহর ঘনিষ্ঠজন আতাউর

রহমান বিক্রমপুরী নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সক্রিয় সদস্য ছিলেন। তিনি ঝিকরগাছার হাজিরবাগ ইন্তা মারকাজুল হুনাফা আল মুসলিমিন মাদ্রাসার অধ্যক্ষ এবং মূলত মুন্সিগঞ্জের টঙ্গীবাড়ির আমতলী গ্রামের বাসিন্দা। ২০২০ সালের ২৩ মার্চ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ হাজিরবাগ মাদ্রাসায় অভিযান চালায়। সেখানে আতাউর রহমান বিক্রমপুরী ও গোপালগঞ্জের মোজাহিদুল ইসলাম ওরফে সাইফুদ্দিনকে আটক করা হয়। অভিযানে বিভিন্ন জিহাদি বই, উগ্রপন্থী লিফলেট ও অনলাইন প্রচারণার উপকরণ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় ঝিকরগাছা থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা হয়, যার তদন্তভার পরে নেয় এটিইউ। অপহরণের নাটক ও সাম্প্রদায়িক পরিকল্পনা অনুসন্ধানে জানা যায়, গত মাসে মুফতি মহিব্বুল্লাহর নিখোঁজ হওয়ার ঘটনাটি ছিল একটি পরিকল্পিত নাটক। তিনি নিজের সহযোগীদের সহায়তায় আত্মগোপনে

যান এবং কয়েক দিন পর নাটকীয়ভাবে ফিরে এসে দাবি করেন যে তাঁকে “সরকারি গোয়েন্দারা অপহরণ” করেছিল। রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ও প্ররোচনার কৌশল তদন্ত সূত্রে জানা গেছে, মহিব্বুল্লাহ ও তাঁর ঘনিষ্ঠরা সাম্প্রতিক সময় রাজনৈতিক মঞ্চে পুনঃপ্রবেশের চেষ্টা করছিলেন। এনসিপির কিছু স্থানীয় নেতা তাঁকে সাম্প্রদায়িক ইস্যু ব্যবহার করে ‘ধর্মীয় নেতার ভাবমূর্তি’ তৈরির পরামর্শ দেন। সেই পরামর্শ অনুযায়ী তিনি প্রথমে একটি গোষ্ঠীকে কেন্দ্র করে অভিযোগ তৈরি করেন, পরে নিজেকে সেই ষড়যন্ত্রের “ভিকটিম” হিসেবে উপস্থাপন করেন। গাজীপুরের একটি গোয়েন্দা সূত্র জানিয়েছে, মুফতি মহিব্বুল্লাহর সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন অন্তত তিনজন সাবেক আনসারুল্লাহ সদস্য। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “এটি একটি পরিকল্পিত প্রচেষ্টা। প্রথম ধাপে অপহরণের

নাটক, পরের ধাপে ধর্মীয় গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে বিভেদ। এই প্রবণতা বন্ধ না হলে ভবিষ্যতে তা ভয়াবহ আকার নিতে পারে।” এটিইউ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, “তদন্তে স্পষ্ট হয়েছে, মহিব্বুল্লাহর এই পদক্ষেপ শুধু রাজনৈতিক ছিল না; এতে উগ্রপন্থী উপাদান যুক্ত হয়েছিল, যারা ধর্মীয় অনুভূতিকে কাজে লাগিয়ে সংঘর্ষ সৃষ্টি করতে চেয়েছিল।”

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
টানা ৫ দিন বৃষ্টি হতে পারে যেসব জেলায় ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ১০ জেলায় নতুন করে বন্যার শঙ্কা ভিয়েতনামে নৌকা উল্টে ১৫ ভারতীয় পর্যটকের মৃত্যু স্বস্তির জয় বাংলাদেশের বাংলাদেশিদের জন্য অভিবাসী ভিসা স্থগিতের কারণ জানাল যুক্তরাষ্ট্র বন্যা ও পাহাড় ধসে মৃত্যু বেড়ে ৪৪, ক্ষতিগ্রস্ত ১০ লাখের বেশি মানুষ প্রেম করছেন শেহনাজ গিল বৃষ্টির প্রভাব বাজারে: সপ্তাহ ব্যবধানে প্রায় সব সবজির দাম বেড়েছে জেট ফুয়েলের দাম কমেছে প্রতি লিটারে ১৯ টাকা ২২ পয়সা চলতি বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় ৩৬০ শিক্ষার্থী নিহত কন্ডিশনের সুবিধা পাবে আর্জেন্টিনা, তবু ‘অজুহাত না দিয়ে’ সেরা খেলার প্রত্যয় সুইজারল্যান্ডের ফাতাহ কমব্যাট ও আরও অনেকে: জঙ্গি অবমুক্তকরণ, ধর্মীয় লেবাসের প্রতি সহানুভূতি ও ইন্টেরিম সরকারের দায়মুক্তির বিষফল “আমাদের জেতাটা কেউ কেউ চায় না”—রেফারির পক্ষপাতিত্ব বিতর্কে মুখ খুললেন স্কালোনি রুমিন: জুলাই-আগষ্টে আমরা প্রতারিত হয়েছি, আগামী ১০০ বছরেও দেশে আর কোনো গণ–আন্দোলন হবে না বিশ্বকাপ খেলা দক্ষিণ আফ্রিকান ফুটবলারের রহস্যজনক মৃত্যু প্রভাবশালীদের মাছের ঘের রক্ষায় স্লুইসগেট বন্ধ, চট্টগ্রাম-কক্সবাজারে দীর্ঘায়িত বন্যা দেশে বক্তব্য প্রচারে নিষেধাজ্ঞা, তবু বিশ্বজুড়ে ২৫টি দেশে ১৩৪টি সংবাদমাধ্যমে শেখ হাসিনার সাক্ষাৎকার সান্ত্বনার জয়ে সিরিজ শেষ করল বাংলাদেশ ৬ মাসে সড়কে ঝরল ৩৬০ শিক্ষার্থীর প্রাণ: তবুও কেন ‘নিরাপদ সড়ক’ আন্দোলন হয় না? প্রতিদিনের ছোট ছোট ভুল অভ্যাসই ডেকে আনছে ডায়াবেটিস, হৃদরোগ ও স্ট্রোক: অধ্যাপক ড. মজিবুল হক