ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ইউনুসের করা বাণিজ্য চুক্তির ঘেরাটোপ থেকে মুক্তি মিলছে না সহজেইঃ বাণিজ্য মন্ত্রীর সাথে পল কাপুরের বৈঠক
ইউক্রেন যুদ্ধকালীন পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি আশঙ্কা: ইরান সংঘাতে বাংলাদেশের জ্বালানি সংকট অসহনীয় হয়ে উঠতে পারে
মধ্যপ্রাচ্যগামী যাত্রীদের করণীয় বিষয়ে বাংলাদেশ বিমানের জরুরি ঘোষণা
বিএনপির হস্তক্ষেপে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে ইউনূসপন্থীদের জোরপূর্বক পদত্যাগ: ক্ষেপছে মার্কিনপন্থী নাগরিক সমাজ
মধ্যপ্রাচ্যে বাতিল হওয়া ফ্লাইটে ফ্রি টিকেট দিচ্ছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স
শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনতে নতুন করে উদ্যোগ নেওয়া হবে: চিফ প্রসিকিউটর
খালেদ মুহিউদ্দীন: ক্ষমতায় গিয়ে ইউনূসও অন্য রাজনীতিবিদদের ধারা অনুসরণ করলেন
সাবেক প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ারের ২৬১ কোটি টাকার সন্দেহজনক লেনদেন
বিপুল অবৈধ সম্পদ অর্জন ও ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ২৬১ কোটি টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের অভিযোগে সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও রাজশাহী-৬ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মো. শাহরিয়ার আলমের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
বৃহস্পতিবার দুদকের মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন এ তথ্য জানান।
দুদক জানায়, শাহরিয়ার আলম সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ক্ষমতার অপব্যবহার করে অবৈধভাবে ২৭ কোটি ৩৮ লাখ ৯৭ হাজার ৫৮৫ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও তা ভোগদখলে রাখেন। এ ছাড়া তার নামে থাকা ৬টি ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে মোট ২৬০ কোটি ৯৪ লাখ ৯৬ হাজার ৭৩০ টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের প্রমাণ পাওয়া গেছে। যা মানি লন্ডারিংয়ের অপরাধ।
আসামির বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন
আইন, ২০০৪ এর ২৭(১) ধারা, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭ এর ৫(২) ধারায় মামলা করা হয়েছে। ২০০৮ সালে তিনি রাজশাহী-৬ আসন থেকে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের তৃতীয় মেয়াদে দায়িত্ব পেয়েছিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর। প্রথমবার নির্বাচনি হলফনামায় ঘোষণা দিয়েছিলেন তিনি ভূমিহীন। তখন তার ২ কোটি ৩ লাখ ২০ হাজার টাকার অস্থাবর সম্পদ ছিল। যার বিপরীতে ঋণ ছিল ৭৬ কোটি ১৪ লাখ ২৯ হাজার ৪২২ টাকা। এমন ‘ঋণগ্রস্ত’ একজন ব্যক্তি এমপি নির্বাচিত হওয়ার পর বিপুল সম্পদের মালিক হন।
আইন, ২০০৪ এর ২৭(১) ধারা, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭ এর ৫(২) ধারায় মামলা করা হয়েছে। ২০০৮ সালে তিনি রাজশাহী-৬ আসন থেকে প্রথমবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের তৃতীয় মেয়াদে দায়িত্ব পেয়েছিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর। প্রথমবার নির্বাচনি হলফনামায় ঘোষণা দিয়েছিলেন তিনি ভূমিহীন। তখন তার ২ কোটি ৩ লাখ ২০ হাজার টাকার অস্থাবর সম্পদ ছিল। যার বিপরীতে ঋণ ছিল ৭৬ কোটি ১৪ লাখ ২৯ হাজার ৪২২ টাকা। এমন ‘ঋণগ্রস্ত’ একজন ব্যক্তি এমপি নির্বাচিত হওয়ার পর বিপুল সম্পদের মালিক হন।



