ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
কৃষকের কষ্টের ধানে মিলারের চড়া মুনাফা
ঝরল ৩২টি প্রাণ: পাহাড়ধস ও ভাঙা বেড়িবাঁধে বাঁশখালীর এক লাখ মানুষের নির্ঘুম রাত
২৯৭ জনের প্রকল্পে কাজ করেন ৫০ জন, বাকিরা ভুয়া! সরকারি প্রকল্পে ব্যাপক হরিলুট
দুর্নীতি ও ব্যর্থতায় জর্জরিত পাকিস্তানি সিটি প্রকল্পকে অনুসরণের পরিকল্পনা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
তীব্র জ্বালানি সংকটে আরও কয়েকশ কারখানা বন্ধের পথে
অর্থনীতিতে এশিয়ার ইমার্জিং টাইগার বাংলাদেশ এখন উগান্ডা-ঘানারও পেছনে, বৈদেশিক বিনিয়োগে চরম খরা
সাংবাদিকদের নিবন্ধন ও ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণে আইন সংশোধনের প্রস্তাব
সাঈদীকে ‘জিন্দা কাফের’ ও ‘বিশ্ব টাউট’ আখ্যা দিলেন বনি আমিন: ওয়াজে ভুয়া ধর্মান্তরের নাটক সাজানোর অভিযোগ
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সম্প্রতি প্রবাসী অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট ও ব্লগার বনি আমিনের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে, যেখানে তিনি জামায়াত নেতা ও বিতর্কিত ধর্মীয় বক্তা দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর বিরুদ্ধে কঠোর সমালোচনা ও গুরুতর জালিয়াতির অভিযোগ তুলেছেন। ভিডিওটিতে বনি আমিন সাঈদীকে ‘জিন্দা কাফের’, ‘বিশ্ব টাউট’ এবং ‘বিশ্ব বদমাইশ’ হিসেবে আখ্যায়িত করে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
বনি আমিন অভিযোগ করেন, দেলোয়ার হোসেন সাঈদী তার ওয়াজ মাহফিলে ইসলাম গ্রহণের যে দৃশ্যগুলো মঞ্চস্থ করতেন, তা ছিল সম্পূর্ণ সাজানো। তার দাবি, সাঈদী টাকার বিনিময়ে সুযোগ-সন্ধানী হিন্দু ও খ্রিস্টানদের ভাড়া করে আনতেন এবং হাজার হাজার মানুষের সামনে তাদের ‘নওমুসলিম’ হিসেবে পরিচয় করিয়ে দিয়ে ধর্মান্তরের নাটক সাজাতেন।
বক্তব্যে বনি আমিন বলেন,
“এই লোকটাই প্রথম কিছু হিন্দুকে ভাড়া করে আনত। সুশীল শীল, হরেন্দ্রনাথ শীল বা যোগীবালা দাসীর মতো কাল্পনিক বা ভাড়াটে লোকদের মঞ্চে এনে বলা হতো—তারা ওয়াজ শুনে মুসলমান হয়েছে।” সাঈদীর শাস্তির বিষয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরে এই অ্যাক্টিভিস্ট বলেন, তিনি যৌবনকাল থেকেই সাঈদীকে একজন প্রতারক হিসেবে জানতেন। সাঈদীর ফাঁসি না হওয়ায় শুরুতে আক্ষেপ করলেও পরবর্তীতে তিনি মন্তব্য করেন, “শয়তান খুব দ্রুত মরা উচিত না। তাকে জিন্দা রেখে জেলের ভেতর তিল তিল করে কষ্ট দেওয়া উচিত।” ভিডিওটির শেষের অংশে দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর একটি পুরনো ওয়াজের ক্লিপ যুক্ত করা হয়েছে, যেখানে তাকে মঞ্চে ১২ জন নওমুসলিম (৩ জন নারী ও ৯ জন পুরুষ) ইসলাম গ্রহণ
করেছেন বলে ঘোষণা দিতে দেখা যায়। বনি আমিন এই ক্লিপটিকে তার অভিযোগের স্বপক্ষে প্রমাণ হিসেবে ইঙ্গিত করেছেন।
“এই লোকটাই প্রথম কিছু হিন্দুকে ভাড়া করে আনত। সুশীল শীল, হরেন্দ্রনাথ শীল বা যোগীবালা দাসীর মতো কাল্পনিক বা ভাড়াটে লোকদের মঞ্চে এনে বলা হতো—তারা ওয়াজ শুনে মুসলমান হয়েছে।” সাঈদীর শাস্তির বিষয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরে এই অ্যাক্টিভিস্ট বলেন, তিনি যৌবনকাল থেকেই সাঈদীকে একজন প্রতারক হিসেবে জানতেন। সাঈদীর ফাঁসি না হওয়ায় শুরুতে আক্ষেপ করলেও পরবর্তীতে তিনি মন্তব্য করেন, “শয়তান খুব দ্রুত মরা উচিত না। তাকে জিন্দা রেখে জেলের ভেতর তিল তিল করে কষ্ট দেওয়া উচিত।” ভিডিওটির শেষের অংশে দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর একটি পুরনো ওয়াজের ক্লিপ যুক্ত করা হয়েছে, যেখানে তাকে মঞ্চে ১২ জন নওমুসলিম (৩ জন নারী ও ৯ জন পুরুষ) ইসলাম গ্রহণ
করেছেন বলে ঘোষণা দিতে দেখা যায়। বনি আমিন এই ক্লিপটিকে তার অভিযোগের স্বপক্ষে প্রমাণ হিসেবে ইঙ্গিত করেছেন।



