ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মরুর বুকে বিন সালমানের উচ্চাভিলাষী মহাপরিকল্পনা কি ভেস্তে যেতে বসেছে?
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুর্নীতি কতো, আর ঋণ পরিশোধের দায়ভার কার?
ইউনূসের ‘মার্কিন চুক্তি’ বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশের পারমাণবিক বিদ্যুতের ভবিষ্যতের পথে
গুলিতে নিহত টিটন ছিলেন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী, সাজা মাফ করে মুক্তি দেন আসিফ নজরুল
‘ভুয়া বিল দেখিয়ে ৬৪ লাখ টাকা নিয়েছেন উপদেষ্টা ফারুকী’
সিন্ডিকেটে বিপর্যস্ত শ্রমরপ্তানি বাজার: দুই মাসে বিদেশগামী কর্মী কমেছে ৪২%
গুপ্ত হামলার ছক: ড্রোন-অস্ত্রসহ নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন ‘আকসা’র চার সদস্য গ্রেপ্তার
সচিবালয়ে কর্মচারীদের নতুন কর্মসূচি
সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ বাতিলের দাবিতে বৃহস্পতিবার দেওয়া ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটামের পর রোববার (২২ জুন) পূর্বঘোষিত অর্থ মন্ত্রণালয়ে ব্লকেড কর্মসূচি পালন করছে সচিবালয়ের কর্মচারীরা। আর সেই ব্লকেড কর্মসূচি থেকে এবার নতুন কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে আন্দোলনকারীরা।
এখন পর্যন্ত সরকারের পক্ষ থেকে অধ্যাদেশ নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত না আসায় আগামীকাল সোমবার বেলা ১১টা থেকে ১টা পর্যন্ত কলম বিরতি ঘোষণা করা হয়েছে ব্লকেড কর্মসূচি থেকে। সচিবালয়ে বিক্ষোভ মিছিল করছেন কর্মচারীরা
এর আগে গত বৃহস্পতিবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে বিক্ষোভ মিছিল করেন কর্মচারীরা। পরে সমাবেশ থেকে অধ্যাদেশ বাতিলে ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম দেওয়া হয়েছে। যদি এ সময়ের মধ্যে অধ্যাদেশ বাতিল না হয়, তাহলে রোববার থেকে অর্থ মন্ত্রণালয়ে
ব্লকেড কর্মসূচি পালন করবেন কর্মচারীরা। কোনো উপদষ্টো অধ্যাদেশ বাতিলের বিরোধিতা করলে তার পদত্যাগ দাবি করা হবে। উল্লেখ্য, চার ধরনের শৃঙ্খলাভঙ্গের অপরাধের জন্য বিভাগীয় মামলা ছাড়াই শুধু কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়ে চাকরিচ্যুত করা যাবে এমন বিধান রেখে গত ২৫ মে সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ জারি করা হয়। এর আগে ২২ মে উপদষ্টো পরিষদের সভায় অধ্যাদেশটির খসড়া অনুমোদন হয়। ২৪ মে থেকে আইনটি প্রত্যাহারের দাবিতে সচিবালয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সংগঠনগুলো সম্মিলিতভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। তারা অধ্যাদেশটিকে নিবর্তনমূলক ও কালো আইন হিসাবে অবহিত করছেন। ঈদের ছুটির পর সোমবার (১৬ জুন) ফের আন্দোলনে নামেন সচিবালয়ের কর্মচারীরা। যা আজ রোববারও অব্যাহত আছে।
ব্লকেড কর্মসূচি পালন করবেন কর্মচারীরা। কোনো উপদষ্টো অধ্যাদেশ বাতিলের বিরোধিতা করলে তার পদত্যাগ দাবি করা হবে। উল্লেখ্য, চার ধরনের শৃঙ্খলাভঙ্গের অপরাধের জন্য বিভাগীয় মামলা ছাড়াই শুধু কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়ে চাকরিচ্যুত করা যাবে এমন বিধান রেখে গত ২৫ মে সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ জারি করা হয়। এর আগে ২২ মে উপদষ্টো পরিষদের সভায় অধ্যাদেশটির খসড়া অনুমোদন হয়। ২৪ মে থেকে আইনটি প্রত্যাহারের দাবিতে সচিবালয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সংগঠনগুলো সম্মিলিতভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। তারা অধ্যাদেশটিকে নিবর্তনমূলক ও কালো আইন হিসাবে অবহিত করছেন। ঈদের ছুটির পর সোমবার (১৬ জুন) ফের আন্দোলনে নামেন সচিবালয়ের কর্মচারীরা। যা আজ রোববারও অব্যাহত আছে।



