সংবিধান লঙ্ঘনসহ চার অভিযোগ – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

সংবিধান লঙ্ঘনসহ চার অভিযোগ

ড. ইউনূস ও সাবেক উপদেষ্টাদের বিরুদ্ধে মামলার ঘোষণা ঢাবি অধ্যাপকের

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ |
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও তাঁর নেতৃত্বাধীন উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যদের বিরুদ্ধে মামলার ঘোষণা দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমান কার্জন। সংবিধান লঙ্ঘন, রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্ব বিপন্ন করাসহ সুনির্দিষ্ট চারটি অভিযোগে এ মামলা করার কথা জানিয়েছেন তিনি। সম্প্রতি একটি অনলাইন আলোচনা প্ল্যাটফর্মে অংশ নিয়ে তিনি এ ঘোষণা দেন। অধ্যাপক হাফিজুর রহমান কার্জন বলেন, ‘কয়েকটি কারণে ইউনূস অ্যান্ড গংদের বিচার হওয়া উচিত।’ এ জন্য তিনি চারটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগের কথা তুলে ধরেন। তাঁর মতে, প্রথম অভিযোগটি হলো সংবিধান লঙ্ঘন। দ্বিতীয়ত, রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্ব বিপন্ন করা। তৃতীয়ত, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ড. ইউনূস যেসব চুক্তি করেছেন, সেগুলোকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা করা হবে বলে

জানান তিনি। চতুর্থ অভিযোগ হিসেবে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বাসভবনে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাকে উল্লেখ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই অধ্যাপক। তিনি বলেন, ওই বাড়িতে সংরক্ষিত দুষ্প্রাপ্য নথিপত্র ও প্রমাণাদি দেশি-বিদেশি কার ইন্ধনে বারবার ধ্বংস করা হলো এবং অন্তর্বর্তী সরকারের ভেতর থেকে কারা এটি হতে দিলেন, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। ওই সময়ে পুলিশ বা সেনাবাহিনী কেন সেখানে যায়নি, সেটি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। আলোচনায় সরকারের আইন প্রণয়ন প্রক্রিয়ার কঠোর সমালোচনা করেন অধ্যাপক কার্জন। তিনি বলেন, গত ১৮ মাসে ১৩৩টি অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছে, যা অত্যন্ত অস্বাভাবিক একটি দৃষ্টান্ত। সংবাদমাধ্যম বিবিসির একটি প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে তিনি দাবি করেন, এই

১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে ১৩২টিই এখন আইনি অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার ঘোষণাও এসেছে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে শুধু অধ্যাপক কার্জনই নন, রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ এনে মামলার ঘোষণা দিয়েছেন বাংলাদেশ মুসলিম লীগের সভাপতি ও সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহসিন রশীদও। তাঁর দাবি, ড. ইউনূসের কর্মকাণ্ড শুধু সংবিধান লঙ্ঘনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং তা রাষ্ট্রদ্রোহের শামিল। সম্প্রতি অপর একটি আলোচনায় অংশ নিয়ে মোহসিন রশীদ বলেন, তৎকালীন সময়ে প্রধানমন্ত্রীর পদ শূন্য হওয়ার পর রাষ্ট্রপতিই একমাত্র সাংবিধানিক পদে বহাল ছিলেন। কিন্তু রাষ্ট্রপতির সঙ্গে যথাযথ যোগাযোগ না রাখা এবং গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত সিদ্ধান্তের আগে তাঁকে অবহিত না করা সাংবিধানিক রীতিনীতির গুরুতর লঙ্ঘন। রাষ্ট্রপতিকে তাঁর সাংবিধানিক দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের সুযোগ দেওয়া

হয়নি বলে অভিযোগ করে এই জ্যেষ্ঠ আইনজীবী বলেন, প্রেস উইং অপসারণ, বঙ্গভবন ঘেরাও এবং রাষ্ট্রপতিকে অপসারণের চেষ্টার মতো ঘটনাগুলো শুধু শিষ্টাচারবহির্ভূত নয়, এটি ‘ট্রিজন’ বা রাষ্ট্রদ্রোহ। এসব ঘটনার পেছনে ড. ইউনূস ও তাঁর উপদেষ্টাদের ইন্ধন বা নীরব সমর্থন ছিল কি না, তা তদন্ত করারও দাবি জানান তিনি।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
আইন বনাম মানবিকতা: মালয়েশিয়ায় ‘অপস ওমনিপ্রেজেন্ট’ অভিযান নিয়ে তীব্র বিতর্ক জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা জাতিকে সশস্ত্র যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে উজ্জীবিত করে: রাষ্ট্রপতি ইরানে হামলা অব্যাহত রাখতে ট্রাম্পের ওপর চাপ দিচ্ছেন সৌদি যুবরাজ ১৭ বছর লড়াইয়ের পরও কেন বহিষ্কার, মুখ খুললেন রুমিন ফারহানা ডিএমপির ৪ থানায় ওসিকে বদলি ও পদায়ন হাদি হত্যার মূল ২ আসামিকে দিল্লি নিয়ে গেছে এনআইএ ঈদের রাতে বিএনপি নেতা মিন্টুর ‘সিক্স স্টার’ বাহিনীর তাণ্ডব আ.লীগ ছাড়া সংসদ, যা বললেন রুমিন ফারহানা নিজের ক্রাশের নাম প্রকাশ করলেন অভিনেত্রী মাহিরা সাকিবকে যে বার্তা দিলেন প্রধান নির্বাচক পুরোনো রাউটার নিয়ে যে সতর্কবার্তা দিল এফবিআই এসএসসি পাসে আড়ংয়ে নিয়োগ, আবেদন করবেন যেভাবে মাইকে ঘোষণা দিয়ে ২ গোষ্ঠীর সংঘর্ষে ইমামসহ নিহত ২ যে মামলায় জামিন পেলেন ইনু, মেনন ও বিচারপতি মানিক ‘নির্বাচকদের ভুল ধরার প্রবণতা আমাদের দেশে বেশি’ ৪ ঘণ্টা দাঁড়িয়েও তেল পেলেন না নাসীরুদ্দীন নদীবন্দরগুলোকে সতর্ক সংকেত, ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আভাস ২৬ মার্চ প্যারেড স্কয়ারে কুচকাওয়াজ ও ফ্লাই পাস্ট লালপুরে ট্রাক ও ইজিবাইকের সংঘর্ষে ৩ জন নিহত ইরান কি আসলেই অপরাজেয় এফ-৩৫ ভূপাতিত করেছিল