সংবিধান রক্ষায় অবিচল রাষ্ট্রপতি: ড. ইউনূসের চরম স্বেচ্ছাচারিতা ও অসাংবিধানিক ষড়যন্ত্র ফাঁস – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
     ৮:৪৫ অপরাহ্ণ

সংবিধান রক্ষায় অবিচল রাষ্ট্রপতি: ড. ইউনূসের চরম স্বেচ্ছাচারিতা ও অসাংবিধানিক ষড়যন্ত্র ফাঁস

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ | ৮:৪৫ 8 ভিউ
টানা দেড় বছরের শ্বাসরুদ্ধকর বন্দিদশা ও অসহযোগিতা পেরিয়ে অবশেষে দেশবাসীর সামনে চরম সত্য তুলে ধরেছেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। কালের কণ্ঠকে দেওয়া এক রোমহর্ষক সাক্ষাৎকারে তিনি উন্মোচন করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের চরম স্বেচ্ছাচারিতা, সংবিধান লঙ্ঘন এবং রাষ্ট্রপতির পদকে অবমাননা করার এক ঘৃণ্য ব্লু-প্রিন্ট। শত ষড়যন্ত্র ও অসাংবিধানিক চাপের মুখেও পাহাড়সম দৃঢ়তা নিয়ে দেশের সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা একাই রক্ষা করেছেন রাষ্ট্রপ্রধান। ড. ইউনূসের সংবিধান লঙ্ঘন ও স্বৈরতান্ত্রিক আচরণ সাক্ষাৎকারে স্পষ্ট হয়েছে যে, যে রাষ্ট্রপতির উদ্যোগে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়েছিল, সেই রাষ্ট্রপতির সঙ্গেই ড. ইউনূস চরম অসাংবিধানিক ও অকৃতজ্ঞ আচরণ করেছেন। সংবিধানে স্পষ্ট বলা আছে, সরকারপ্রধান বিদেশ সফর শেষে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত

করবেন। কিন্তু ড. ইউনূস গত দেড় বছরে ১৪-১৫ বার বিদেশ গেলেও একবারের জন্যও বঙ্গভবনে গিয়ে রাষ্ট্রপতিকে কিছু জানানোর সৌজন্যটুকু দেখাননি। যুক্তরাষ্ট্রের মতো গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তির বিষয়েও রাষ্ট্রপ্রধানকে সম্পূর্ণ অন্ধকারে রাখা হয়েছে। কোনো সমন্বয় ছাড়াই ১৩৩টি অধ্যাদেশ জারি করে ড. ইউনূস কার্যত নিজের চরম স্বৈরতান্ত্রিক মনোভাবের বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছেন। রাষ্ট্রপতিকে সরাতে অন্তর্বর্তী সরকারের হীন চক্রান্ত অন্তর্বর্তী সরকারের ভেতরে থেকেই খোদ অসাংবিধানিক উপায়ে রাষ্ট্রপতিকে সরানোর রাষ্ট্রদ্রোহী চক্রান্তে লিপ্ত ছিল একটি মহল। ড. ইউনূসের সরকারের একজন উপদেষ্টা বেআইনিভাবে একজন সাবেক প্রধান বিচারপতিকে রাষ্ট্রপতির চেয়ারে বসানোর প্রস্তাব নিয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু সেই বিচারপতির সততা ও সাংবিধানিক বিধিনিষেধের কারণে সরকারের সেই অসাংবিধানিক উদ্যোগ চরমভাবে ব্যর্থ হয়। ভাড়াটে দুর্বৃত্ত দিয়ে

বঙ্গভবন ঘেরাও ও লুটপাটের ব্লু-প্রিন্ট গত ২২ অক্টোবর বঙ্গভবন ঘেরাওয়ের নামে যে অরাজকতা সৃষ্টি করা হয়েছিল, তার পেছনের সত্যও তুলে ধরেছেন রাষ্ট্রপতি। রাতারাতি গজিয়ে ওঠা বিভিন্ন ভুঁইফোড় ব্যানারে ভাড়াটে ও ছিন্নমূল লোকজন এনে বঙ্গভবনে গণভবনের মতো লুটপাটের ছক কষা হয়েছিল। সাউন্ড গ্রেনেড পড়ার পর কাঁটাতারের ওপর পড়ে গিয়ে ছবি তুলে ব্ল্যাকমেইল করার নাটক সাজিয়েছিল দুর্বৃত্তরা। আশ্চর্যের বিষয় হলো, সেই বিভীষিকাময় রাতেও ড. ইউনূস রাষ্ট্রপতির খোঁজ নেওয়ার বা তাকে নিরাপত্তা দেওয়ার কোনো প্রয়োজন মনে করেননি। প্রতিহিংসাপরায়ণতার চরম সীমা ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকার রাষ্ট্রপতির প্রতি এতটাই প্রতিহিংসাপরায়ণ ছিল যে, সারাবিশ্বের বাংলাদেশ মিশনগুলো থেকে বেআইনিভাবে ও কোনো নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে এক রাতের মধ্যে রাষ্ট্রপতির ছবি

নামিয়ে ফেলা হয়। তাকে কাতার ও কসোভোর মতো গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক ফোরামে দেশের প্রতিনিধিত্ব করতে দেওয়া হয়নি। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে দিয়ে শিষ্টাচারবহির্ভূত চিঠি লিখিয়ে তার বিদেশ সফর বাতিল করা হয়। এমনকি বঙ্গভবনের দীর্ঘদিনের পুরনো প্রেস উইংয়ের সদস্যদের অন্যায়ভাবে প্রত্যাহার করে রাষ্ট্রপতিকে দেশের জনগণের কাছ থেকে আড়াল করে 'প্রতিবন্ধী' করে রাখার এক জঘন্য চেষ্টা চালানো হয়। জাতীয় দিবসের ক্রোড়পত্রে রাষ্ট্রপতির বাণী পর্যন্ত বন্ধ করে দেয় এই সরকার। সংবিধান রক্ষায় হিমালয়সম রাষ্ট্রপতি ও সশস্ত্র বাহিনীর সমর্থন প্রাণনাশের হুমকি ও ক্ষমতাচ্যুত করার সব ধরনের ষড়যন্ত্রের মুখেও রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ছিলেন হিমালয়ের মতো অটল। তিনি সাক্ষাৎকারে দৃঢ়চিত্তে বলেছেন, "আমার রক্ত ঝরে যাবে বঙ্গভবনে। রক্ত ঝরে ঝরুক। কিন্তু আমি

সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষা করব।" রাষ্ট্রপতির এই দেশপ্রেমিক ও সাহসী অবস্থানে পূর্ণ সমর্থন দেয় বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী ও বিএনপি। তিন বাহিনীর প্রধানরা স্পষ্ট জানিয়ে দেন, রাষ্ট্রপতির পতন মানে পুরো সশস্ত্র বাহিনীর পতন, যা তারা যেকোনো মূল্যে রোধ করবেন। মূলত রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের এই অসীম সাহসিকতা, সশস্ত্র বাহিনীর দেশপ্রেম এবং বিএনপির সাংবিধানিক রাজনীতির কারণেই ড. ইউনূস সরকারের অসাংবিধানিক চক্রান্ত ব্যর্থ হয়েছে এবং দেশ এক ভয়ংকর সাংবিধানিক শূন্যতার হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
মেয়াদ শেষ চসিকের: সরতে নারাজ মেয়র শাহাদাত, দাবি ২০২৯ সাল পর্যন্ত থাকার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে চিফ প্রসিকিউটর তাজুলকে সংবিধান রক্ষায় অবিচল রাষ্ট্রপতি: ড. ইউনূসের চরম স্বেচ্ছাচারিতা ও অসাংবিধানিক ষড়যন্ত্র ফাঁস ড. ইউনূসের বিদায় ‘নাটক’, ১৮ মাসে ৪ লাখ কোটি টাকা ঋণ ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন, আজ নিজেই মিথ্যা মামলায় বন্দী’: ব্যারিস্টার সুমনের নিঃশর্ত মুক্তি চাইলেন স্ত্রী গণভবনের মতো বঙ্গভবনেও লুটপাটের পরিকল্পনা ছিল ইউনূস গংয়ের! রাষ্ট্রপতিকে না জানিয়ে আমেরিকার সঙ্গে দেশবিরোধী চুক্তি করেছিলেন ইউনূস দেড় বছরে দেশ থেকে কী কী নিয়ে গেলেন ইউনূস থার্ডক্লাশ দলের ফার্স্টক্লাস মিথ্যা: মিথ্যাচার যখন রাজনীতির মূলধন বাংলা ভাষার বিকল্প দাড়া করানোর পাকিস্তানি চেষ্টা রুখে দেবে বাংলাদেশ ১৯৭১ সাল..এই ভূখণ্ডের আকাশ তখন কালো ধোঁয়ায় ঢেকে গেছে, মাটিতে রক্তের গন্ধ কার্টনে পানি, ইতিহাসে তেল : ক্ষমতায় এসেই বিএনপির পুরনো অভ্যাস নতুন মোড়কে ৫ আগস্টের সহিংস অভ্যুত্থানে ‘ক্যাপ্টাগন’ ব্যবহারের অভিযোগ: তদন্তের দাবি জোরালো বাঙালীর দ্রোহের ভাষা, প্রতিবাদী হুঙ্কার, রাজনৈতিক প্রজ্ঞা আর শিষ্টাচারের কি কুৎসিত অবনতি! জেলায় জেলায় বাড়ছে আ.লীগের কর্মসূচি, নেতাদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা শব্দ ও বয়ানের রাজনীতি: বয়েলিং ফ্রগ সিনড্রোম বহুমুখী সংকটের মুখে বাংলাদেশের পোশাক খাত: সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট ৩৪.১% শুল্ক থেকে কি মিলবে স্বস্তি? অনিশ্চয়তায় অর্ডার সংকট ও রপ্তানি খাত আগের চেয়ে দ্বিগুণেরও বেশি ব্যয় মেট্রোরেলের নতুন দুই রুটে, প্রশ্নবিদ্ধ দরপত্র প্রক্রিয়া সারা দেশে শহীদ দিবসে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে উজ্জীবিত আওয়ামী লীগ