ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ফেনী-৩ আসনের সাবেক এমপি মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে আটক করেছে ডিবি
প্যারোলে মুক্তি পেয়ে পিতার জানাজায় স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা
দেশজুড়ে চলছে ‘জামায়াতি মুক্তকরণ’: তারেক সরকারের পদক্ষেপে ইউনূসতন্ত্রের জামায়াতিকরণের অবসান?
ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি প্রদর্শনসহ বিভিন্ন অভিযোগ, শাস্তি চেয়ে বিক্ষোভ
বিএনপি ক্ষমতা নিলেই দেশে শুরু হয় ধর্ষণের মহোৎসব
মব, মিথ্যা মামলা আর কারাগারে মৃত্যু; এটাই কি বিএনপির “নতুন রাজনীতি”?
ভূমি দস্যুদের হাতেই প্রশাসন! দখলদারকে প্রশাসক বানিয়ে বিএনপি দেখাল তাদের আসল চেহারা
শ্যামলছায়া পার্ক থেকে সাবেক এমপি মেজর জেনারেল (অব.) মিয়াজী আটক
ঝিনাইদহ-৩ (মহেশপুর-কোটচাঁদপুর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতা মেজর জেনারেল (অব.) সালাউদ্দিন মিয়াজী মঙ্গলবার রাতে যশোর থেকে আটক হয়েছেন। এ সময় তাঁর শ্যালক জাকির হোসেনকে হেফাজতে নেয় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী। সন্ধ্যা থেকে মিয়াজী ও তার শ্যালককে মিয়াজীর মালিকানাধীন যশোর সদরের রুদ্রপুর গ্রামের শ্যামলছায়া পার্কে অবরুদ্ধ করে রাখে বৈষম্যবিরোধী ছাত্রজনতা। পরে তাদের সঙ্গে যোগ দেন গ্রামবাসী। খবর পেয়ে সেনাবাহিনী ও পুলিশসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে যায়। তারা উত্তেজিত ছাত্র জনতার সঙ্গে আলোচনার পর রাত সাড়ে ১১টায় মিয়াজী ও তার শ্যালককে হেফাজতে নেয়।
পুলিশ জানায়, তাদের যশোর ডিবি অফিসে নেওয়া হয়েছে। যশোর কোতয়ালী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) কাজী বাবুল হোসেন বলেন, খবর পেয়ে
ঘটনাস্থলে গিয়ে যৌথবাহিনী সালাহউদ্দিন মিয়াজী ও তাঁর শ্যালককে হেফাজতে নিয়েছে। তাদের ব্যাপারে পরবর্তী আইনী ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। মেজর জেনারেল (অব.) সালাউদ্দিন মিয়াজী দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়ে ঝিনাইদহ-৩ (মহেশপুর-কোটচাঁদপুর) আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি কর্মজীবনের দীর্ঘসময় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সামরিক সচিবের দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর বিরুদ্ধে যশোর সদরের রুদ্রপুর-তেঁতুলিয়া ও ঝিনাইদহের মহেশপুরে কয়েকশ’ বিঘা জমি জবরদখলের অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয় ও প্রত্যদর্শীরা জানায়, সালাহউদ্দিন মিয়াজী ও তাঁর শ্যালক দীর্ঘদিন তাঁদের মালিকানাধীন শ্যামলছায়া পার্কে আত্মগোপন করেছিলেন। এমন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শ্যামলছায়া পার্কের প্রধান ফটক ঘিরে ফেলে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটির বেশকিছু নেতাকর্মীসহ স্থানীয় কিছু লোকজন।
এ সময় তাঁরা ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করে। খবর পেয়ে পুলিশ, সেনাবাহিনীর সদস্যসহ যৌথবাহিনীর সদস্যরা সেখানে যান এবং উত্তেজিত ছাত্রজনতাকে নিবৃত্ত করার চেষ্টা করেন। কিন্তু উত্তেজিত জনতা সালাহউদ্দিন মিয়াজীকে গ্রেপ্তার না করলে ঘটনাস্থল ছাড়বেন না বলে আল্টিমেটাম দেন। একপর্যায়ে রাত পৌনে ১১টার দিকে সালাহউদ্দিন মিয়াজী ও তাঁর শ্যালককে হেফাজতে নেন যৌথবাহিনীর সদস্যরা। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন যশোরের আহ্বায়ক রাশেদ খান বলেন, এখানে শেখ হাসিনার ডামি এমপি মিয়াজি আত্মগোপনে রয়েছে শুনে গ্রামবাসী ও ছাত্ররা পার্কে আসে। মিয়াজির লোকজন তাদের মারধর করে। খবর পেয়ে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নেতারাসহ স্থানীয় গ্রামবাসী জড়ো হয়ে পার্ক ঘিরে স্লোগান দিতে থাকেন। পরে আমাদের সহযোগিতায় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাঁদের আটক
করে।
ঘটনাস্থলে গিয়ে যৌথবাহিনী সালাহউদ্দিন মিয়াজী ও তাঁর শ্যালককে হেফাজতে নিয়েছে। তাদের ব্যাপারে পরবর্তী আইনী ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। মেজর জেনারেল (অব.) সালাউদ্দিন মিয়াজী দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়ে ঝিনাইদহ-৩ (মহেশপুর-কোটচাঁদপুর) আসনের সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি কর্মজীবনের দীর্ঘসময় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সামরিক সচিবের দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর বিরুদ্ধে যশোর সদরের রুদ্রপুর-তেঁতুলিয়া ও ঝিনাইদহের মহেশপুরে কয়েকশ’ বিঘা জমি জবরদখলের অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয় ও প্রত্যদর্শীরা জানায়, সালাহউদ্দিন মিয়াজী ও তাঁর শ্যালক দীর্ঘদিন তাঁদের মালিকানাধীন শ্যামলছায়া পার্কে আত্মগোপন করেছিলেন। এমন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শ্যামলছায়া পার্কের প্রধান ফটক ঘিরে ফেলে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটির বেশকিছু নেতাকর্মীসহ স্থানীয় কিছু লোকজন।
এ সময় তাঁরা ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করে। খবর পেয়ে পুলিশ, সেনাবাহিনীর সদস্যসহ যৌথবাহিনীর সদস্যরা সেখানে যান এবং উত্তেজিত ছাত্রজনতাকে নিবৃত্ত করার চেষ্টা করেন। কিন্তু উত্তেজিত জনতা সালাহউদ্দিন মিয়াজীকে গ্রেপ্তার না করলে ঘটনাস্থল ছাড়বেন না বলে আল্টিমেটাম দেন। একপর্যায়ে রাত পৌনে ১১টার দিকে সালাহউদ্দিন মিয়াজী ও তাঁর শ্যালককে হেফাজতে নেন যৌথবাহিনীর সদস্যরা। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন যশোরের আহ্বায়ক রাশেদ খান বলেন, এখানে শেখ হাসিনার ডামি এমপি মিয়াজি আত্মগোপনে রয়েছে শুনে গ্রামবাসী ও ছাত্ররা পার্কে আসে। মিয়াজির লোকজন তাদের মারধর করে। খবর পেয়ে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নেতারাসহ স্থানীয় গ্রামবাসী জড়ো হয়ে পার্ক ঘিরে স্লোগান দিতে থাকেন। পরে আমাদের সহযোগিতায় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা তাঁদের আটক
করে।



