ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুননেছা মুজিবের জন্মদিন উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার বাণী
শোকাবহ আগস্টে আওয়ামী লীগের কর্মসূচি
এলএনজি ক্রয়ের অনুমোদন মিলল ছুটির দিনে বসানো ক্রয় কমিটির বৈঠকে
বিটিভির মহাপরিচালক হলেন কাজী জেসিন, ছাড়তে হবে অন্য পেশা
কেন শেখ হাসিনা মামলা আইনিভাবে ভঙ্গুর এবং তাঁর প্রত্যাবর্তনে কি কি সম্ভাব্য আইনি এভিনিউ খোলা আছে?
“নির্বাসন থেকে দেশে ফেরার ঘোষণা শেখ হাসিনার, মৃত্যুদণ্ডের ঝুঁকি সত্ত্বেও অনড় অবস্থান” – সিএনএন ও এপি
রয়টার্স এক্সক্লুসিভ: শেখ হাসিনার মিত্র বাংলাদেশি ক্রিকেট তারকা সাকিব বলেছেন তিনি নিরাপত্তা পেলে দেশে ফিরে বিচারের মুখোমুখি হতে প্রস্তুত
শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলনের প্রতিক্রিয়ায় নওফেলের বাড়িতে ককটেল ও অগ্নিসংযোগ
গত ৫ই আগস্ট, বুধবার দিল্লিতে শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলনের প্রতিক্রিয়ায় বন্দরনগরী চট্টগ্রামের চশমা হিলে আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের পৈতৃক ভবনে মধ্যরাতে অগ্নিসংযোগ ও ককটেল ছুড়েছে বিএনপি, জামায়াত-শিবির ও এনসিপির সন্ত্রাসীরা।
৬ই আগষ্ট, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১২টার দিকে ৬-৭ জনের একদল সন্ত্রাসী এ ঘটনা ঘটায়। স্থানীয়দের তথ্য মতে, তারা বিএনপি, জামায়াত-শিবির ও এনসিপির রাজনীতিতে সক্রিয় সন্ত্রাসী।
জানা যায়, নগরের পাঁচলাইশ থানাধীন চশমা হিল এলাকায় অবস্থিত চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরীর ওই পৈতৃক ভবনটিতে গত ২ বছর ধরে পরিবারের কেউ থাকেন না। ২০২৪-এর আগস্টে একাধিকবার সন্ত্রাসী হামলা
ও অগ্নিসংযোগের পর পরিবারের সদস্যরা বাড়ি ত্যাগ করতে বাধ্য হন। জনশূন্যতার সুযোগে বৃহস্পতিবার রাত ১২টার দিকে ৬-৭ জন ব্যক্তি ভবনের আশপাশের পরিত্যক্ত জিনিসপত্র জড়ো করে দ্বিতীয় তলার বর্ধিত বারান্দায় আগুন ধরিয়ে দেয়। অগ্নিসংযোগের পরপরই দুর্বৃত্তরা বিকট শব্দে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। বিকট শব্দে আশপাশের বাসিন্দারা দ্রুত ঘটনাস্থলে জড়ো হতে শুরু করলে সন্ত্রাসীরা আরেক গলি দিয়ে পালিয়ে যায়। পরে খবর পেয়ে পাঁচলাইশ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং স্থানীয়দের সহযোগিতায় আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনার পর পরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে বেশ কিছু ছবি ও ফুটেজ ছড়িয়ে পড়ে, যা শেয়ার করেছেন মহিউদ্দিন চৌধুরীর ছোট ছেলে এবং বোরহানুল হাসান। ছড়িয়ে পড়া ছবিতে দেখা যায়, মুখাবৃত অবস্থায় ছয়জন ব্যক্তি
ভবনের সামনে সন্দেহজনকভাবে অবস্থান করছেন। তাদের একজনের হাতে একটি বস্তা ছিল এবং অন্য একজনকে সীমানা প্রাচীরের ওপর দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। অপর একটি ছবিতে ভবনের বারান্দা থেকে আগুনের শিখা উঠতে দেখা গেছে। স্থানীয়রা জানান, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে শেখ হাসিনার একটি সংবাদ সম্মেলনে মহিবুল হাসান চৌধুরী অংশ নেন এবং সেই ভিডিওটি নিজের ফেসবুক আইডিতে শেয়ার করেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আওয়ামীবিরোধী সন্ত্রাসীরা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এ আক্রমণ চালিয়েছে। উল্লেখ্য, গত বছরের ১৮ই ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের নেতা ওসমান হাদির মৃত্যুর সংবাদের পরও এই ভবনটিতে হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছিল। ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহেদুল ইসলাম জানান, আমরা খবর পেয়েই দ্রুত ঘটনাস্থলে যাই। মাস্ক
পরা কয়েকজন ব্যক্তি ভবনের বাইরের দিকে কিছু জিনিসপত্রে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং ‘পটকা’ ফাটায়। স্থানীয়রা এগিয়ে এলে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণসহ পুরো বিষয়টি নিবিড়ভাবে তদন্ত করা হচ্ছে।”
ও অগ্নিসংযোগের পর পরিবারের সদস্যরা বাড়ি ত্যাগ করতে বাধ্য হন। জনশূন্যতার সুযোগে বৃহস্পতিবার রাত ১২টার দিকে ৬-৭ জন ব্যক্তি ভবনের আশপাশের পরিত্যক্ত জিনিসপত্র জড়ো করে দ্বিতীয় তলার বর্ধিত বারান্দায় আগুন ধরিয়ে দেয়। অগ্নিসংযোগের পরপরই দুর্বৃত্তরা বিকট শব্দে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। বিকট শব্দে আশপাশের বাসিন্দারা দ্রুত ঘটনাস্থলে জড়ো হতে শুরু করলে সন্ত্রাসীরা আরেক গলি দিয়ে পালিয়ে যায়। পরে খবর পেয়ে পাঁচলাইশ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং স্থানীয়দের সহযোগিতায় আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনার পর পরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে বেশ কিছু ছবি ও ফুটেজ ছড়িয়ে পড়ে, যা শেয়ার করেছেন মহিউদ্দিন চৌধুরীর ছোট ছেলে এবং বোরহানুল হাসান। ছড়িয়ে পড়া ছবিতে দেখা যায়, মুখাবৃত অবস্থায় ছয়জন ব্যক্তি
ভবনের সামনে সন্দেহজনকভাবে অবস্থান করছেন। তাদের একজনের হাতে একটি বস্তা ছিল এবং অন্য একজনকে সীমানা প্রাচীরের ওপর দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। অপর একটি ছবিতে ভবনের বারান্দা থেকে আগুনের শিখা উঠতে দেখা গেছে। স্থানীয়রা জানান, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে শেখ হাসিনার একটি সংবাদ সম্মেলনে মহিবুল হাসান চৌধুরী অংশ নেন এবং সেই ভিডিওটি নিজের ফেসবুক আইডিতে শেয়ার করেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আওয়ামীবিরোধী সন্ত্রাসীরা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এ আক্রমণ চালিয়েছে। উল্লেখ্য, গত বছরের ১৮ই ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের নেতা ওসমান হাদির মৃত্যুর সংবাদের পরও এই ভবনটিতে হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছিল। ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহেদুল ইসলাম জানান, আমরা খবর পেয়েই দ্রুত ঘটনাস্থলে যাই। মাস্ক
পরা কয়েকজন ব্যক্তি ভবনের বাইরের দিকে কিছু জিনিসপত্রে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং ‘পটকা’ ফাটায়। স্থানীয়রা এগিয়ে এলে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণসহ পুরো বিষয়টি নিবিড়ভাবে তদন্ত করা হচ্ছে।”



