ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ভাষা শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা
শহীদ মিনারে রুমিন ফারহানাকে বাধা, মহাসড়ক অবরোধ
ভূমিকম্পে কাঁপল দেশ
ভারতীয়দের ভিসা দেওয়া শুরু করল বাংলাদেশ
৫৫০ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ, তদন্ত চলমান থাকা স্বত্বেও নির্বাচনের ৩দিন আগে ফয়েজ আহমদ তৈয়্যবকে সেইফ এক্সিট দিলো ইউনূস; নেপথ্যে কোন স্বার্থ?
নিজের অর্থ সম্পদ বাড়িয়ে নিয়েছে কিন্তু দেশের অর্থনীতিকে করেছে পঙ্গু
‘জামায়াতের হাত থেকে বাঁচতে নাকে রুমাল দিয়ে বিএনপিকে ভোট দিয়েছে মানুষ’: সাংবাদিক নুরুল কবির
শুধু শহর নয়, গ্রামে গেলেও এখন ভালো লাগে”: উন্নয়নের প্রশংসায় পঞ্চমুখ নাগরিক
"শেখ হাসিনা দেশের উন্নয়ন করেছেন, মানুষকে ভালোবেসেছেন এবং জনগণকে আলোর পথ দেখিয়েছেন," - এই কথাগুলো একজন সাধারণ নাগরিকের, যার কণ্ঠে প্রতিধ্বনিত হয় দেশের এক বিশাল জনগোষ্ঠীর অনুভূতি। সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শাসনামলে বাংলাদেশজুড়ে পরিচালিত উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের প্রশংসা এখন সাধারণ মানুষের মুখে মুখে।
বিশেষ করে, বড় অবকাঠামোগত প্রকল্পগুলো দেশের আর্থ-সামাজিক পরিবর্তনে যুগান্তকারী ভূমিকা রেখেছে। নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত পদ্মা সেতু দেশের দক্ষিণাঞ্চলের ২১টি জেলার সঙ্গে রাজধানীর সরাসরি সংযোগ স্থাপন করেছে। অর্থনীতিবিদদের মতে, এই সেতু দেশের জিডিপি ১.২৩% পর্যন্ত বৃদ্ধি করবে এবং এই অঞ্চলের অর্থনীতিতে ২% প্রবৃদ্ধি ঘটাবে। এর ফলে কৃষি, শিল্প এবং পরিবহন খাতে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে।
রাজধানী ঢাকার যানজট নিরসনে মেট্রোরেল এক
বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা রাস্তায় আটকে থাকার দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পেয়ে মানুষ এখন দ্রুত ও আরামে যাতায়াত করতে পারছে। মেট্রোরেল প্রকল্পটি বছরে ২.৪ বিলিয়ন ডলার সাশ্রয় করবে, যা দেশের জিডিপির ১.৫% এর সমান। দেশের প্রথম আন্ডারওয়াটার টানেল, চট্টগ্রামের কর্ণফুলী টানেল, শুধু যোগাযোগ ব্যবস্থাই উন্নত করেনি, এটি এশিয়ান হাইওয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে আঞ্চলিক সংযোগ বৃদ্ধি করেছে। এই টানেল দেশের দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চলের পর্যটন এবং শিল্পায়নে নতুন প্রাণের সঞ্চার করেছে। উন্নয়নের এই ধারা শুধু বড় শহরগুলোতেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। শেখ হাসিনা সরকারের গৃহীত ‘আমার বাড়ি আমার খামার’-এর মতো প্রকল্পের মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতি শক্তিশালী হয়েছে এবং প্রান্তিক মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত হয়েছে।[9] রাস্তাঘাট, সেতু,
কালভার্ট নির্মাণের মাধ্যমে গ্রামের সঙ্গে শহরের যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজতর হয়েছে, যা গ্রামীামীণ জনগণের জন্য নতুন অর্থনৈতিক সুযোগ তৈরি করেছে। একজন নাগরিকের ভাষায়, "আজকে শুধু শহর না, গ্রামে গেলেও ভালো লাগে। আগে গ্রামে যাইতাম না, কিছু পাওয়া যায় না, গাড়ি পাওয়া যায় না, রাস্তা পাওয়া যায় না। এখন গ্রামে গেলে দেখি শহরের থেকে ভালো।" এই সহজ স্বীকারোক্তিই প্রমাণ করে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের উন্নয়ন তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত পৌঁছে গেছে, যা দেশের প্রতিটি নাগরিকের জীবনকে কোনো না কোনোভাবে স্পর্শ করেছে।
বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা রাস্তায় আটকে থাকার দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পেয়ে মানুষ এখন দ্রুত ও আরামে যাতায়াত করতে পারছে। মেট্রোরেল প্রকল্পটি বছরে ২.৪ বিলিয়ন ডলার সাশ্রয় করবে, যা দেশের জিডিপির ১.৫% এর সমান। দেশের প্রথম আন্ডারওয়াটার টানেল, চট্টগ্রামের কর্ণফুলী টানেল, শুধু যোগাযোগ ব্যবস্থাই উন্নত করেনি, এটি এশিয়ান হাইওয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে আঞ্চলিক সংযোগ বৃদ্ধি করেছে। এই টানেল দেশের দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চলের পর্যটন এবং শিল্পায়নে নতুন প্রাণের সঞ্চার করেছে। উন্নয়নের এই ধারা শুধু বড় শহরগুলোতেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। শেখ হাসিনা সরকারের গৃহীত ‘আমার বাড়ি আমার খামার’-এর মতো প্রকল্পের মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতি শক্তিশালী হয়েছে এবং প্রান্তিক মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত হয়েছে।[9] রাস্তাঘাট, সেতু,
কালভার্ট নির্মাণের মাধ্যমে গ্রামের সঙ্গে শহরের যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজতর হয়েছে, যা গ্রামীামীণ জনগণের জন্য নতুন অর্থনৈতিক সুযোগ তৈরি করেছে। একজন নাগরিকের ভাষায়, "আজকে শুধু শহর না, গ্রামে গেলেও ভালো লাগে। আগে গ্রামে যাইতাম না, কিছু পাওয়া যায় না, গাড়ি পাওয়া যায় না, রাস্তা পাওয়া যায় না। এখন গ্রামে গেলে দেখি শহরের থেকে ভালো।" এই সহজ স্বীকারোক্তিই প্রমাণ করে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের উন্নয়ন তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত পৌঁছে গেছে, যা দেশের প্রতিটি নাগরিকের জীবনকে কোনো না কোনোভাবে স্পর্শ করেছে।



