ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
দশ দিনে ডুবল অর্থনীতি, নাকি মঞ্চ তৈরি হচ্ছে লুটের?
ইউনূসের সংস্কার : পোশাক বদলাও, সিন্ডিকেট বাঁচাও
যাওয়ার আগে যা করে গেছেন ইউনূস, তার হিসাব কে দেবে?
পুলিশ হত্যা তদন্ত শুরু হলে পালানোর পরিকল্পনায় হান্নান মাসুদ
লোডশেডিং-ই কি এখন বিএনপি সরকারের সরকারি নীতি?
জাতিকে ভুল বুঝিয়ে আমেরিকার সঙ্গে দেশবিক্রির চুক্তি করেছেন ইউনূস
মার্কিন দূতাবাসসহ কূটনৈতিক এলাকার নিরাপত্তা জোরদার
শাহজালাল বিমানবন্দরে বাড়তি নিরাপত্তা
হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিদ্যমান নিরাপত্তার মধ্যে অতিরিক্ত নিরাপত্তায় আরও অন্তত ৬টি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। এরমধ্যে সব ভিআইপি ও ভিভিআইপি ব্যাগেজ স্ক্রিনিং প্রক্রিয়ায় অধিকতর মনোযোগ বৃদ্ধির কথা বলা হয়েছে। সোমবার (৩০ জুন) রাতে শাহজালাল বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ এ অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে।
এর একদিন আগেই রোববার বিমানবন্দরের স্ক্রিনিংয়ে যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের লাইসেন্স করা পিস্তলের ম্যাগাজিন পাওয়া যায় ব্যাগেজে। তিনি টার্কিশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ওই দিন বিদেশ যাচ্ছিলেন। পরে উপদেষ্টা নিজেই জানান যে ঘটনাটি অনিচ্ছাকৃত।
ওই ঘটনাটি সামনে আসার পর আজ রাতে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ বিমানবন্দরে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থার কথা জানাল।
অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ হিসেবে বিমানবন্দরের নিরাপত্তায়
থাকা অ্যাভসেক সদস্যদের নিয়মিত সচেতনতামূলক ব্রিফিং ও নির্দেশনা দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে। তা ছাড়া সিসিটিভি মনিটরিং টিমকে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে। অতিরিক্ত নিরাপত্তার অংশ হিসেবে মেটাল ডিটেক্টর ও এক্সরে মেশিনে স্ক্যানের পর উচ্চ রিস্ক ব্যাগের (সন্দেহজনক ব্যাগেজ) জন্য ম্যানুয়াল চেকিং বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বিমানবন্দরে প্রবেশের সময় সকল ফায়ার আর্ম (আগ্নেয়াস্ত্র) বহনকারীর পূর্বানুমতি নিশ্চিত করা ও রেকর্ড সংরক্ষণ করতেও বলা হয়েছে। এর বাইরে নিরাপত্তা লঙ্ঘন হলে সংশ্লিষ্ট এজেন্সির মাধ্যমে তদন্ত কমিটি গঠন ও প্রতিরোধমূলক নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সিভিল এভিয়েশন অথরিটির সাবেক একজন কর্মকর্তা কালবেলাকে বলেছেন, আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসেবে হজরত শাহজালাল বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক সব নিরাপত্তা নিয়ম মানতে হয়, সে আলোকে নিরাপত্তা ব্যবস্থাও রয়েছে।
এর বাইরে সময়ে সময়ে এই নিরাপত্তা ব্যবস্থা যুগোপযোগী করা হয়ে থাকে।
থাকা অ্যাভসেক সদস্যদের নিয়মিত সচেতনতামূলক ব্রিফিং ও নির্দেশনা দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে। তা ছাড়া সিসিটিভি মনিটরিং টিমকে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে। অতিরিক্ত নিরাপত্তার অংশ হিসেবে মেটাল ডিটেক্টর ও এক্সরে মেশিনে স্ক্যানের পর উচ্চ রিস্ক ব্যাগের (সন্দেহজনক ব্যাগেজ) জন্য ম্যানুয়াল চেকিং বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বিমানবন্দরে প্রবেশের সময় সকল ফায়ার আর্ম (আগ্নেয়াস্ত্র) বহনকারীর পূর্বানুমতি নিশ্চিত করা ও রেকর্ড সংরক্ষণ করতেও বলা হয়েছে। এর বাইরে নিরাপত্তা লঙ্ঘন হলে সংশ্লিষ্ট এজেন্সির মাধ্যমে তদন্ত কমিটি গঠন ও প্রতিরোধমূলক নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সিভিল এভিয়েশন অথরিটির সাবেক একজন কর্মকর্তা কালবেলাকে বলেছেন, আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসেবে হজরত শাহজালাল বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক সব নিরাপত্তা নিয়ম মানতে হয়, সে আলোকে নিরাপত্তা ব্যবস্থাও রয়েছে।
এর বাইরে সময়ে সময়ে এই নিরাপত্তা ব্যবস্থা যুগোপযোগী করা হয়ে থাকে।



