শাটডাউনে কেন পড়লো মার্কিন সরকার, এখন কী হবে – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২ অক্টোবর, ২০২৫
     ৫:৩১ পূর্বাহ্ণ

শাটডাউনে কেন পড়লো মার্কিন সরকার, এখন কী হবে

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২ অক্টোবর, ২০২৫ | ৫:৩১ 53 ভিউ
অর্থবছরের শেষ দিনেও যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসনিক ব্যয় সংক্রান্ত বিল নিয়ে রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে সমঝোতা হয়নি। ফলে সিনেটে এ সংক্রান্ত বিলটি অনুমোদন পায়নি। যে কারণে দেশটির সরকার কার্যত অচলাবস্থার মুখে পড়েছে। শেষ মুহূর্তে কোনো সমাধান না আসায় স্থানীয় সময় বুধবার (১ অক্টোবর) স্থানীয় সময় রাত ১২টার পর থেকেই সরকারি তহবিল থেকে ব্যয় বরাদ্দ বন্ধ হয়ে গেছে। অর্থাৎ মধ্যরাত পেরোনোর সঙ্গে সঙ্গেই সরকারি অর্থায়ন বন্ধ হয়ে পড়ে যুক্তরাষ্ট্র সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে আংশিক শাটডাউনে প্রবেশ করেছে। এ কারণে জরুরি সেবা ছাড়া অন্য সব সরকারি কাজকর্ম বন্ধ হয়ে গেছে। যদিও যুক্তরাষ্ট্রে বাজেট নিয়ে রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব সাধারণ, তবে এবার পরিস্থিতি একটু ভিন্ন। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত নয়

মাস ধরে জাতীয় সরকারের আকার উল্লেখযোগ্যভাবে ছোট করার চেষ্টা করছেন। তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, এই অচলাবস্থা তার জন্য সরকারি খরচ আরও কমানোর সুযোগ তৈরি করে দেবে। এই প্রশ্নের উত্তর লেখাটির প্রারম্ভে দেওয়া হয়েছে। যেখানে বলা হয়েছে, রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাটরা অক্টোবরের পর পর্যন্ত সরকারি খরচ চালানোর জন্য কোনো বাজেট বিল পাস করতে পারেননি বিধায় যুক্তরাষ্ট্রের সরকার কার্যত শাটডাউন হয়ে গেছে। ২০২৪ সালে নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির জয় হয়। ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয়বার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পাশাপাশি হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভ ও সিনেট নিয়ন্ত্রণে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে রিপাবলিকানরা। তবে কোনো বিল পাশের জন্য তাদের ডেমোক্রেটদের সঙ্গেও লড়াই করতে হয়। অক্টোবরের পর পর্যন্ত সরকারি খরচ চালাতে এ দুই কক্ষে

ভোট হয়, যাতে রিপাবলিকানরা তাদের কাঙ্খিত ৬০টি ভোট অর্জন করতে সক্ষম হয়নি। তাছাড়া, রিপাবলিকান ও ডেমোক্রেট সদস্যদের মধ্যে স্বাস্থ্যসেবা খরচ নিয়ে তীব্র দ্বন্দ্ব রয়েছে। ডেমোক্র্যাটরা এমন একটি রিপাবলিকান বিলকে সমর্থন করতে অস্বীকার করেছে, যা তাদের মতে আমেরিকানদের জন্য স্বাস্থ্যসেবা আরও ব্যয়বহুল করে তুলবে। ডেমোক্র্যাটরা দাবি করছেন, যে ট্যাক্স ক্রেডিটগুলো শেষ হতে চলেছে সেগুলো বৃদ্ধি করা হোক। ফলে লাখ লাখ মার্কিনি সস্তায় স্বাস্থ্য বীমা করতে পারবেন। এমনটি তারা মেডিকেল ইস্যুতে ট্রাম্প যে কাটছাঁট করেছে, তা ফিরিয়ে আনার দাবি করেছেন। মূলত ডেমোক্র্যাটরা সরকারি স্বাস্থ্য সংস্থার বাজেট কমানোরও বিরোধিতা করছে। এর আগে হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভ একটি অস্থায়ী বিল পাস করেছিল, কিন্তু তা এখনও সিনেটে পাস হয়নি।

ফলে বুধবার মধ্যরাতে সাত বছরের মধ্যে প্রথমবার যুক্তরাষ্ট্র সরকার শাটডাউন হয়। এটি বলা কঠিন। তবে এর আগে ২০১৮ সালে মার্কিন সরকার শাটডাউন হয়েছিল। টানা ৩৫ দিনের এ অচলাবস্থা যুক্তরাষ্ট্রে ইতিহাস সৃষ্টি করেছিল। বিশ্লেষকরা বলেন, সরকারের শাটডাউনে যাওয়া সহজ, কিন্তু বের হওয়া কঠিন। এ ক্ষেত্রে সবকিছু নির্ভর করছে সেই সময়টির ওপর, যখন উভয় পক্ষ কোনো সমঝোতায় পৌঁছাবে। শাটডাউন শেষ হওয়ার প্রধান দুটি সম্ভাবনা রয়েছে। প্রথমত, রিপাবলিকানরা ডেমোক্র্যাটদের দাবি করা স্বাস্থ্যসেবা সহায়তা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনায় আসতে পারে। অথবা শাটডাউন এতটাই ক্ষতি করতে শুরু করবে যে ডেমোক্র্যাটরা তাদের অবস্থান থেকে সরে আসতে বাধ্য হবে এবং অস্থায়ীভাবে সরকারকে অর্থায়ন দিতে সম্মত হবে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
উগ্রপন্থীদের অবাধ সুযোগ ও সংখ্যালঘুদের ঝুঁকি: বাংলাদেশে ইইউ রাষ্ট্রদূতকে ঘিরে প্রশ্ন কারাগারে সাবেক মন্ত্রী রমেশ চন্দ্র সেনের মৃত্যু: প্রশ্নবিদ্ধ ‘মানবিক’ বিচারব্যবস্থা পানিসম্পদমন্ত্রী রমেশ চন্দ্র সেনসহ ২০২৪ থেকে ২০২৫ পর্যন্ত ১১২ জনের মৃত্যু আওয়ামী লীগ ছাড়া নির্বাচন মানি না: দেশজুড়ে ভোট বর্জনের ডাক যুবলীগের * আন্দোলনে ক্ষতি ছাড়িয়ে গেছে হাজার কোটি টাকা মিয়ানমার সীমান্তে গুলিবিদ্ধ শিশু হুজাইফা আর নেই মাঘের শেষে তাপমাত্রা নিয়ে আবহাওয়া অফিসের নতুন বার্তা রোববার ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায় নতুন করে ১৫ প্রতিষ্ঠান ও দুই ব্যক্তির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা ইউক্রেনে ন্যাটোর সামরিক হস্তক্ষেপের প্রস্তুতি চলছে : রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী চীনের বিরুদ্ধে মার্কিন দাবির প্রমাণ মেলেনি: পর্যবেক্ষক ভারতের কাছে হেরে স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের ট্রাম্পের সমর্থন সত্ত্বেও কেন বিটকয়েনের দাম কমছে? জাতীয় নির্বাচন স্থগিতের দাবি ১৩৫ সাংবাদিকের সাভার-আশুলিয়ার সংসদ সদস্য সাইফুল ইসলাম-সহ অন্যান্যদের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায়ের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ ৮০ বছরের ক্যান্সার আক্রান্ত বৃদ্ধকে জেলে পচিয়ে মারাই যদি শাসনের নমুনা হয় গ্রামীণের সুযোগ-সুবিধা ঘিরে প্রশ্ন Losing His Wife. Losing His Newborn. Losing Justice. দেশ আজ ক্লান্ত, দেশ আজ ক্যান্সারে আক্রান্ত, দেশ আজ দখলদার ইউনুসের অবৈধ শাসনে দিশেহারা। জামায়াতের ইতিহাস বিকৃতি, নিজের ফাঁদে বিএনপি