ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
অভিনেত্রীর মরদেহ উদ্ধার
এবার ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে লড়ার ঘোষণা হিরো আলমের
সাফল্যের মাঝে বিতর্ক, আদালতে ছুটলেন ‘ধুরন্ধর’ নির্মাতা
সংবাদ সম্মেলনে অঝোরে কাঁদলেন নিশো
ট্রফিটা শুধু পুরস্কার নয়, এটা অনেক বড় দায়িত্ব: বর্ণিতা
আইনি ব্যবস্থা নিতে থানায় প্রিয়াঙ্কা, সঙ্গে প্রসেনজিৎ-ঋতুপর্ণারা
পুনম কি অন্তঃসত্ত্বা, ছবি ঘিরে জল্পনা তুঙ্গে
শাকিব খান অভিনীত ‘প্রিন্স’ দিয়ে খুলছে বগুড়ার মধুবন সিনেপ্লেক্স
ঢালিউডের নায়ক শাকিব খান অভিনীত সিনেমা প্রদর্শনের মধ্য দিয়ে প্রায় সাড়ে পাঁচ মাস বন্ধ থাকার পর আবার চালু হচ্ছে বগুড়ার ‘মধুবন সিনেপ্লেক্স’। আসন্ন ঈদুল ফিতরের দিন থেকে দেশের কিং খানের নতুন সিনেমা ‘প্রিন্স: ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন ঢাকা’ প্রদর্শীত হবে এ সিনেপ্লেক্সে।
লোকসানের কারণে গত ১৮ সেপ্টেম্বর সিনেপ্লেক্সটি বন্ধ ঘোষণা করেন হলের মালিক আর এম ইউনুস রুবেল। এর পর থেকে হলটি কমিউনিটি সেন্টার হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল।
মধুবন সিনেপ্লেক্সের মালিক আর এম ইউনুস রুবেল বলেন, ‘মাসের পর মাস লোকসান গুনতে গুনতে দেয়ালে পিঠ ঠেকে যায়। বাধ্য হয়ে গত বছরের সেপ্টেম্বরে অনির্দিষ্টকালের জন্য মধুবন সিনেপ্লেক্স বন্ধ ঘোষণা করতে হয়েছিল। নির্বাচিত সরকার না
আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করছিলাম।’ মধুবন সিনেপ্লেক্সকে টিকিয়ে রাখার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। কারণ, এর প্রতিটি ইটের সঙ্গে জড়িয়ে আছে আমার বাবার হাতের ছোঁয়া, পরিবারের আবেগ ও অনুভূতি।’ নির্মাণের পাশাপাশি কলকাতা, বোম্বে ও হলিউডে নির্মিত ভালো বিদেশি ছায়াছবি আমদানির উদ্যোগ না নিলে কোটি কোটি টাকা লগ্নি করে নির্মিত সিনেপ্লেক্স টিকিয়ে রাখা সম্ভব হবে না। নতুন সরকার প্রেক্ষাগৃহ ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে কার্যকর উদ্যোগ নেবেন বলে আশা করছি। আশা করি, নির্বাচিত নতুন সরকার বিদেশি সিনেমা আমদানির উদ্যোগ নিয়ে সিনেপ্লেক্স বাঁচাতে মালিকদের সহযোগিতা করবেন।’ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বগুড়া জেলাজুড়ে একসময় ৩৮টি সিনেমা হল ছিল। ভাঙা পড়েছে ৩১টি হল। শহরে দুটিসহ পুরো জেলায় এখন মোটে
৭টি সিনেমা হল টিকে আছে।
আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করছিলাম।’ মধুবন সিনেপ্লেক্সকে টিকিয়ে রাখার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। কারণ, এর প্রতিটি ইটের সঙ্গে জড়িয়ে আছে আমার বাবার হাতের ছোঁয়া, পরিবারের আবেগ ও অনুভূতি।’ নির্মাণের পাশাপাশি কলকাতা, বোম্বে ও হলিউডে নির্মিত ভালো বিদেশি ছায়াছবি আমদানির উদ্যোগ না নিলে কোটি কোটি টাকা লগ্নি করে নির্মিত সিনেপ্লেক্স টিকিয়ে রাখা সম্ভব হবে না। নতুন সরকার প্রেক্ষাগৃহ ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে কার্যকর উদ্যোগ নেবেন বলে আশা করছি। আশা করি, নির্বাচিত নতুন সরকার বিদেশি সিনেমা আমদানির উদ্যোগ নিয়ে সিনেপ্লেক্স বাঁচাতে মালিকদের সহযোগিতা করবেন।’ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বগুড়া জেলাজুড়ে একসময় ৩৮টি সিনেমা হল ছিল। ভাঙা পড়েছে ৩১টি হল। শহরে দুটিসহ পুরো জেলায় এখন মোটে
৭টি সিনেমা হল টিকে আছে।



