শত কোটি টাকার ইউনিফর্ম প্রকল্পে সিন্ডিকেট ও অনিয়মের অভিযোগ, পুরোনো পোশাকে ফিরছে পুলিশ! – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১ মার্চ, ২০২৬
     ৫:২২ পূর্বাহ্ণ

আরও খবর

সংস্কারের নামে ৬৫ প্রকল্পে ৮০ হাজার কোটি টাকা অস্বাভাবিক ব্যয় বাড়িয়েছে ইউনূস সরকার: বরাদ্দ লোপাটের অভিযোগ

সিপিডির সংবাদ সম্মেলন: মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি ‘চরম বৈষম্যমূলক’, বাতিলের আহ্বান; জাপানের ইপিএ চুক্তি পুনর্বিবেচনার দাবি

১০০% বিদ্যুৎ সক্ষমতার দেশে জ্বালানি সংকট ও বিপুল বকেয়া: বিদ্যুৎমন্ত্রীর ভাষ্যে ইউনূস সরকারের অব্যবস্থাপনা-ব্যর্থতা

‘পুলিশ মারা হবে, ম্যাসাকার হবে—ড. ইউনূস আগেই জানতেন’, দায় এড়াতেই দেরিতে দেশে ফেরেন তিনি: শামীম হায়দার পাটোয়ারী

আবারো কারাগারে মৃত্যুর মিছিল: বিনা বিচারে মারা গেলেন দুমকি ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শফিক

ড. ইউনূসকে ‘লোভী’ ও ‘অপদার্থ’ আখ্যা দিলেন রনি, বিদায়ের পেছনে আমেরিকার হাত থাকার দাবি

অন্তর্বর্তী সরকারের বড় সিদ্ধান্ত আসত ‘কিচেন কেবিনেট’ থেকে: বিস্ফোরক মন্তব্যে সাখাওয়াত হোসেন

শত কোটি টাকার ইউনিফর্ম প্রকল্পে সিন্ডিকেট ও অনিয়মের অভিযোগ, পুরোনো পোশাকে ফিরছে পুলিশ!

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১ মার্চ, ২০২৬ | ৫:২২ 6 ভিউ
২০২৪ সালের জুলাই–আগস্টে সংঘটিত জঙ্গি হামলা ও দাঙ্গা দমনে কঠোর অবস্থান নেওয়ায় পুলিশ বাহিনী ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়ে। পরবর্তী সময়ে দাঙ্গা-পরবর্তী প্রেক্ষাপটে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীতে একাধিক পরিবর্তন আনে। এর মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত ছিল পুলিশের পোশাক পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত। তবে শুরু থেকেই নতুন পোশাকের রঙ ও মান নিয়ে অসন্তোষ ছিল বাহিনীর ভেতরে ও বাইরে। এখন একাধিক সূত্র বলছে, শত শত কোটি টাকা ব্যয়ের পর পুলিশ আবারও আগের পোশাকে ফিরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। অন্তর্বর্তী সরকারের যুক্তি ছিল—আগের পোশাক জনমনে বিতর্ক তৈরি করেছিল, তাই বাহিনীর ভাবমূর্তি পুনর্গঠনে রঙ পরিবর্তন জরুরি। কিন্তু এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের সময় তীব্র আপত্তি ওঠে। শুধু রঙ নয়, নতুন পোশাকের কাপড়ের

মান নিয়েও প্রশ্ন তোলে পুলিশ সদস্যদের একটি অংশ। পুলিশ সূত্রের দাবি, দুজন সাবেক উপদেষ্টা, সাবেক প্রধান উপদেষ্টার এক বিশেষ সহকারী (যিনি পুলিশ কর্মকর্তা ছিলেন) এবং পুলিশের ভেতরের প্রায় এক ডজন প্রভাবশালী কর্মকর্তার সিদ্ধান্তেই পোশাক পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হয়। পরবর্তীতে বিভিন্ন ইউনিটে বাধ্যতামূলকভাবে নতুন পোশাক চালু করা হয়। এ খাতে অন্তত কয়েক শ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে বলে একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র নিশ্চিত করেছে। একই সূত্রের ভাষ্য, দীর্ঘদিন ধরেই একটি প্রভাবশালী চক্র পুলিশের বিভিন্ন কেনাকাটায় প্রভাব বিস্তার করে আসছে। তাদের পছন্দের ঠিকাদারের মাধ্যমে কাপড় সংগ্রহ ও পোশাক প্রস্তুতের কাজ সম্পন্ন হয়। অভিযোগ রয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকারের উচ্চপর্যায়ের কিছু মহলের সঙ্গে যোগসাজশে এই খাত থেকে বিপুল

অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় সরকার পরিবর্তনের পর আবারও আগের পোশাকে ফেরার দাবি জোরালো হয়েছে। বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন ইতোমধ্যে বিবৃতিতে বলেছে, আগের পোশাকই বাহিনীর ঐতিহ্য বহন করে। বিবৃতির পর বিষয়টি সরকারের উচ্চপর্যায়ে আলোচনায় এসেছে বলে জানা গেছে। পুলিশ সদর দপ্তরও এ বিষয়ে পৃথক বৈঠক করেছে বলে জানিয়েছেন ডিআইজি পদমর্যাদার এক কর্মকর্তা। তার দাবি, আগের পোশাকে ফেরার বিষয়ে সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে মৌখিক নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বর্তমান পোশাক নিয়ে বাহিনীর ভেতরে অসন্তোষের কথাও উঠে এসেছে। অনেক সদস্যের মতে, নতুন ইউনিফর্ম দেখতে বেসরকারি নিরাপত্তাকর্মীদের পোশাকের মতো। কনস্টেবল থেকে শুরু করে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের একাংশ মনে করছেন, এতে বাহিনীর স্বাতন্ত্র্য ক্ষুণ্ন হচ্ছে এবং মনোবলেও

নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে—এমন তথ্য একটি অভ্যন্তরীণ প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা আরও জানান, পোশাক পরিবর্তনের প্রক্রিয়ায় সাবেক সরকারের দুই প্রভাবশালী উপদেষ্টা ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পালন করা এক সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা সরাসরি হস্তক্ষেপ করেছিলেন। পাশাপাশি পুলিশের অন্তত এক ডজন কর্মকর্তা পেছন থেকে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন, যাদের মধ্যে চারজন ইতোমধ্যে অবসরে গেছেন। অভিযোগ রয়েছে, তারাই একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন। এ সিন্ডিকেট ভাঙার বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন মহলকে অবহিত করার প্রস্তুতি রয়েছে। উল্লেখ্য, বাহিনী সংস্কারের অংশ হিসেবে অন্তর্বর্তী সরকার গত বছরের নভেম্বরে পুলিশের পোশাক পরিবর্তন করে ‘লৌহ রঙের’ নতুন ইউনিফর্ম চালু করে। তবে তা চালুর পর থেকেই মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। নতুন পোশাকের

সঙ্গে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও বিভিন্ন বেসরকারি নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠানের পোশাকের সাদৃশ্য নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। বিষয়টি নতুন সরকারের দায়িত্বশীলদের নজরে এসেছে এবং তারা আবারও পুরোনো ইউনিফর্মে ফিরে যাওয়ার সম্ভাবনা বিবেচনা করছেন বলে জানা গেছে। ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার পুলিশের নতুন ইউনিফর্ম নির্ধারণে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করে। কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে নির্দিষ্ট রঙের পোশাক সরকার অনুমোদন দেয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, গত বছরের ১৪ই নভেম্বর থেকে সব মহানগর পুলিশ ‘লৌহ রঙের’ নতুন ইউনিফর্ম পরে দায়িত্ব পালন শুরু করে। পর্যায়ক্রমে দেশের জেলা পর্যায়ের পুলিশও একই ইউনিফর্ম ব্যবহার শুরু করে। তবে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) ও স্পেশাল প্রটেকশন ব্যাটালিয়নের (এসপিবিএন) ক্ষেত্রে আগের পোশাক বহাল রাখা হয়। ইউনিফর্ম চূড়ান্ত হওয়ার

পর তৎকালীন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানান, পুলিশ, র‌্যাব ও আনসার বাহিনীর জন্য নতুন পোশাক নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে এবং এর মাধ্যমে বাহিনীর আচরণ-আচরণেও পরিবর্তন আনতে হবে। তবে বাস্তবে পোশাক পরিবর্তনের পরও পুলিশের আচরণে প্রত্যাশিত পরিবর্তন আসেনি—এমন অভিযোগ উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে। সমালোচকদের মতে, নতুন পোশাকে অনেক সদস্যকে বেসরকারি নিরাপত্তাকর্মীর মতো দেখায়; সাধারণ মানুষ অনেক ক্ষেত্রে তাদের পুলিশ হিসেবে সহজে চিহ্নিত করতে পারছে না। পুলিশের ইউনিফর্ম পরিবর্তনের পর নিরাপত্তা বিশ্লেষক ও প্রশাসনিক বিশেষজ্ঞরা মত দেন—শুধু পোশাক বদলালেই কাঙ্ক্ষিত সংস্কার সম্ভব নয়। সদস্যদের মানসিকতা, পেশাদারিত্ব ও জবাবদিহিতায় পরিবর্তন না আনলে কেবল রঙ পরিবর্তনে কার্যকর ফল মিলবে না। অতীতেও একাধিকবার ইউনিফর্ম পরিবর্তন হয়েছে, কিন্তু বাহিনীর

কাঠামোগত বা আচরণগত রূপান্তর তেমন দৃশ্যমান হয়নি—এ কথাও তারা স্মরণ করিয়ে দেন। পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক নুর মোহাম্মদ বলেন, কেবল পোশাকের রঙ বদলালেই চলবে না; মানসিকতার পরিবর্তন জরুরি। তার মতে, সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে পুলিশকে সরাসরি জনগণের মুখোমুখি দাঁড় করানো হয়েছে। তিনি মনে করেন, আগের ইউনিফর্মেই বাহিনীর ঐতিহ্য নিহিত রয়েছে এবং পোশাক দিয়ে মনমানসিকতা বদলায় না। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো পেশাগত প্রশিক্ষণ জোরদার ও স্বাধীনভাবে কাজের পরিবেশ নিশ্চিত করা গেলে পুলিশের মনোভাবেও ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে পারে। জুলাই দাঙ্গার সময় এভাবে পুলিশ হত্যা করে ঝুলিয়ে রেখে পুলিশকে উত্তেজিত করা হয় আন্দোলনে সহিংসতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট মহলের অভিমত, শুধু ইউনিফর্ম বদল করে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যাবে না। জনবান্ধব ও পেশাদার পুলিশ গড়ে তুলতে হলে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বন্ধের কার্যকর নিশ্চয়তা প্রয়োজন। একই সঙ্গে বেআইনি নির্দেশের ক্ষেত্রে ‘না’ বলার সক্ষমতা ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে। তাহলেই ইউনিফর্মের মর্যাদা বাড়বে; অন্যথায় পোশাক বদলালেও আচরণে পুরোনো ধারা বহাল থাকার আশঙ্কা থেকেই যাবে। ২০০৪ সালে বিএনপি–জামায়াত জোট সরকারের সময় পুলিশের ইউনিফর্মে বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হয়। সে সময় মহানগর পুলিশকে দেওয়া হয় হালকা জলপাই রঙের পোশাক, আর জেলা পুলিশের জন্য নির্ধারণ করা হয় গাঢ় নীল। একই সময়ে র‌্যাবের জন্য কালো পোশাক, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) জন্য খাকি, বেগুনি ও নীলের সংমিশ্রণ এবং স্পেশাল প্রটেকশন ব্যাটালিয়নের (এসপিবিএন) শার্টের রঙ ধূসর নির্ধারণ করা হয়। বিভিন্ন ইউনিটের প্যান্টের রঙেও পার্থক্য রাখা হয়েছিল। এরপর ২০০৪, ২০১৬ ও ২০২১—এই তিন দফায় পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের ইউনিফর্মের রঙে পরিবর্তন আনা হয়। সর্বশেষ পরিবর্তন করা হয় এপিবিএনের পোশাকে। তবে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে বাহিনীর ইউনিফর্ম পরিবর্তন ঘিরে কেনাকাটায় অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ সামনে এসেছে। পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, একটি প্রভাবশালী চক্র সমন্বিতভাবে (সিন্ডিকেটের মাধ্যমে) পোশাক প্রস্তুতের কাজ নিয়ন্ত্রণ করেছে—এমন তথ্যও পাওয়া গেছে। বাংলাদেশ পুলিশের নতুন ইউনিফর্ম পুনর্বিবেচনার দাবি এখন বাহিনীর ভেতর থেকেই জোরালো হচ্ছে। গত ২৩শে ফেব্রুয়ারি সোমবার রাতে বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন এক বিবৃতিতে সরকারের কাছে ইউনিফর্ম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানায়। সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক ও কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে বলা হয়, দীর্ঘদিনের খাকি ইউনিফর্ম ২০০৩–২০০৪ সালে তৎকালীন সরকারের গঠিত একটি কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে বিস্তৃত যাচাই-বাছাই শেষে নির্ধারিত হয়েছিল। সে সময় পুলিশ সদস্যদের গায়ের রঙ, দেশের আবহাওয়া, দিন ও রাতের দায়িত্ব পালনের সময় সহজে চিহ্নিত হওয়ার বিষয় এবং অন্যান্য বাহিনীর ইউনিফর্মের সঙ্গে সাদৃশ্য এড়ানোর বিষয়গুলো গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হয়। বিবৃতিতে আরও দাবি করা হয়, অন্তর্বর্তী সরকার যে নতুন ইউনিফর্ম নির্বাচন করেছে, সেখানে এসব বিষয় যথাযথভাবে প্রতিফলিত হয়নি। মাঠপর্যায়ের মতামত বা জনমত যাচাই ছাড়া পোশাক চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়। নতুন ইউনিফর্মের সঙ্গে অন্যান্য ইউনিফর্মধারী সংস্থার পোশাকের সাদৃশ্য থাকায় অনেক ক্ষেত্রে পুলিশ সদস্যদের সহজে শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ছে—এমন মতামতও মাঠপর্যায় থেকে উঠে এসেছে বলে সংগঠনটি জানিয়েছে। কয়েক রঙের পোশাক বাছাই করা হয়েছিল বিশ্বে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পোশাক পুলিশ সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, বিশ্বজুড়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ইউনিফর্ম সাধারণত দুইটি প্রধান বিবেচনায় নির্ধারণ করা হয়—রাষ্ট্রের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও ভৌগোলিক-আবহাওয়াগত বাস্তবতা। অধিকাংশ দেশেই পোশাকের রঙ, কাপড়ের ধরন ও নকশা ঠিক করতে জলবায়ু একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। শীতপ্রধান দেশগুলোতে অনেক সময় পুলিশের পোশাকে গাঢ় বা কালো রঙের প্রাধান্য দেখা যায়। সেখানে তাপমাত্রা ধরে রাখার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় মোটা কাপড় ও তাপ সংরক্ষণে সহায়ক নকশা ব্যবহৃত হয়। অন্যদিকে গরম বা নাতিশীতোষ্ণ আবহাওয়ার দেশগুলোতে সাদা, খয়েরি বা হালকা রঙের ইউনিফর্ম বেশি প্রচলিত, কারণ এসব রঙ তুলনামূলক কম তাপ শোষণ করে এবং দীর্ঘ সময় বাইরে দায়িত্ব পালনে স্বস্তি দেয়। দক্ষিণ এশিয়ার প্রেক্ষাপটে খাকি রঙের প্রচলনের পেছনে ঐতিহাসিক কারণও রয়েছে। ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনামলে প্রশাসনিক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীতে খাকি রঙের ইউনিফর্ম চালু হয়, যা পরবর্তীতে ভারতীয় উপমহাদেশের বিভিন্ন দেশে প্রচলিত থেকে যায়। ফলে ভারতসহ এ অঞ্চলের বহু সেবাসংস্থার পোশাকে এখনো সেই ঐতিহ্যের প্রতিফলন দেখা যায়।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
নরসিংদীর সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও হত্যায় জড়িত জামায়াত কর্মীকে বাঁচাতে মিমাংসা করেন বিএনপি নেতা যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত: ইসরায়েলি কর্মকর্তা শত কোটি টাকার ইউনিফর্ম প্রকল্পে সিন্ডিকেট ও অনিয়মের অভিযোগ, পুরোনো পোশাকে ফিরছে পুলিশ! সংস্কারের নামে ৬৫ প্রকল্পে ৮০ হাজার কোটি টাকা অস্বাভাবিক ব্যয় বাড়িয়েছে ইউনূস সরকার: বরাদ্দ লোপাটের অভিযোগ সিপিডির সংবাদ সম্মেলন: মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি ‘চরম বৈষম্যমূলক’, বাতিলের আহ্বান; জাপানের ইপিএ চুক্তি পুনর্বিবেচনার দাবি ইরানের আক্রমণে কাতারে মার্কিন রাডার ধ্বংস: মধ্যাপ্রাচ্যের আকাশ যুক্তরাষ্ট্রের জন্য “ব্লাইন্ডজোন” সাবেক লঙ্কান ফুটবলার পাকিরের মনে পীড়া দেয় আবাহনীর ট্রফি লুট আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, সকল হত্যার তদন্ত ও বিচারে জুলাই যোদ্ধাদের কেন এতো অনীহা? ১০০% বিদ্যুৎ সক্ষমতার দেশে জ্বালানি সংকট ও বিপুল বকেয়া: বিদ্যুৎমন্ত্রীর ভাষ্যে ইউনূস সরকারের অব্যবস্থাপনা-ব্যর্থতা চট্টগ্রামের আন্ডারওয়ার্ল্ড সক্রিয় দুই প্রজন্মের শীর্ষ সন্ত্রাসীদের তালিকা এবং ইতিহাস: শেষ পর্ব বিদেশে পলাতক শিবিরের শীর্ষ সন্ত্রাসী বড় সাজ্জাদের নির্দেশে পুলিশি পাহারায় থাকা চট্টগ্রামের শীর্ষ ব্যবসায়ী-আওয়ামী লীগ নেতার বাড়ি লক্ষ্য করে গুলি করে সন্ত্রাসীরা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ‘কারাবন্দি নেতাকর্মীদের মুক্তির দাবি’তে ছাত্রলীগের পোস্টার ধানমন্ডিতে ঝটিকা মিছিল থেকে মহিলা আওয়ামী লীগের ৭ জন গ্রেপ্তার ‘পুলিশ মারা হবে, ম্যাসাকার হবে—ড. ইউনূস আগেই জানতেন’, দায় এড়াতেই দেরিতে দেশে ফেরেন তিনি: শামীম হায়দার পাটোয়ারী গণভোটের ফলাফল বনাম সাংবিধানিক সীমা আবারো কারাগারে মৃত্যুর মিছিল: বিনা বিচারে মারা গেলেন দুমকি ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শফিক ড. ইউনূসকে ‘লোভী’ ও ‘অপদার্থ’ আখ্যা দিলেন রনি, বিদায়ের পেছনে আমেরিকার হাত থাকার দাবি অন্তর্বর্তী সরকারের বড় সিদ্ধান্ত আসত ‘কিচেন কেবিনেট’ থেকে: বিস্ফোরক মন্তব্যে সাখাওয়াত হোসেন আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে বাইরে রাখা যাবে না, হাবিবুর রহমান হাবিব টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলামের ইন্তেকাল: শেখ হাসিনার গভীর শোক