লুট হওয়া হাজার অস্ত্র এখন বিএনপি-জামাতের সন্ত্রাসীদের হাতে : নির্বাচনের আগে রক্তস্নাত বাংলাদেশ, নির্বিকার সুদখোর ইউনূসের মূল লক্ষ্য কি? – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

আরও খবর

দীর্ঘ সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা: ক্ষমতা গুরুত্বপূর্ণ নয়, তবে জনগণের প্রতি নিজের দায়বদ্ধতা উপেক্ষা করতে পারি না

রাজপথে সন্তানের সাথে মিছিলে মা, ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়

‘যুদ্ধবিরতি’র পরেও থামছে না হত্যা — গাজায় ইসরায়েলি হামলায় মৃতের সংখ্যা ৯৮৩

২৭ কোটি থেকে বাড়িয়ে ১,০৮১ কোটির বরাদ্দ: ইমাম-মুয়াজ্জিনের জীবন বদলাবে, নাকি ভোটের মাঠ গরম হবে?

রাউজানে প্রকাশ্যে যুবদল নেতাকে গুলি করে হত্যা, দলীয় কোন্দলকে দুষছেন কর্মীরা

আকারে নয়, বাস্তবায়নে বাজেটের সাফল্য: সিপিডি

শক্তিশালী মহলের প্রভাবে ধামাচাপা পড়ে গেল স্বামী-শাশুড়ির নির্যাতনে নিহত ডা. নাফিসা দিপ্রার নাম

লুট হওয়া হাজার অস্ত্র এখন বিএনপি-জামাতের সন্ত্রাসীদের হাতে : নির্বাচনের আগে রক্তস্নাত বাংলাদেশ, নির্বিকার সুদখোর ইউনূসের মূল লক্ষ্য কি?

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬ |
২০২৪ সালের জুলাই মাসে সংঘটিত দাঙ্গার সময় পুলিশ থানা ও অস্ত্রাগার থেকে যে পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদ লুট হয়েছিল, সেগুলোর অধিকাংশই এখনও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। এক হাজারেরও বেশি আগ্নেয়াস্ত্র এবং দুই লাখের বেশি গোলাবারুদ এখনও হাওয়া। অথচ এই দীর্ঘ সময়ে ইউনূস সরকার এবং তার আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এই বিপুল পরিমাণ মারণাস্ত্র উদ্ধারে কার্যত কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারেনি। যে সরকার বিদেশি প্রভুদের আর্থিক সহায়তা, জঙ্গি সংগঠনের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং সামরিক বাহিনীর প্রত্যক্ষ মদদে একটি নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে ক্ষমতায় এসেছে, সেই সরকারের কাছে দেশের জনগণের নিরাপত্তা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কখনোই অগ্রাধিকার ছিল না, এখনও নেই। হাজার হাজার অস্ত্র এখন সন্ত্রাসীদের

হাতে, কিন্তু ইউনূস এবং তার স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা যেন এ নিয়ে মোটেও বিচলিত নন। গত দেড় বছরে বারবার বিশেষ অভিযানের নামে নাটক করা হয়েছে। লুণ্ঠিত অস্ত্রের সন্ধান দিলে পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত পুরস্কারের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু বাস্তবে কোনো সফলতা আসেনি। কারণটা পরিষ্কার। যে সরকার নিজেই অবৈধভাবে ক্ষমতায় এসেছে, যার পেছনে রয়েছে জঙ্গি এবং সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সক্রিয় সমর্থন, সেই সরকার কীভাবে এই একই গোষ্ঠীর হাত থেকে অস্ত্র উদ্ধার করবে? বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব পিস অ্যান্ড সিকিউরিটি স্টাডিজের প্রেসিডেন্ট অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল আ ন ম মুনীরুজ্জামান বলেছেন যে এই অস্ত্রগুলো দেড় বছরে পুরোপুরি উদ্ধার হওয়া উচিত ছিল, কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

সেটা করতে ব্যর্থ হয়েছে। এই ব্যর্থতা কি সত্যিই অদক্ষতা, নাকি ইচ্ছাকৃত অবহেলা? যে সরকারের ক্ষমতায় আসার পেছনে জুলাই দাঙ্গার মতো রক্তক্ষয়ী সহিংসতা ছিল, সেই সরকারের পক্ষে কি আদৌ সম্ভব এই সহিংসতার হাতিয়ারগুলো উদ্ধার করা? এখন যে নির্বাচন আসছে, তার আগে এই বিপুল পরিমাণ অস্ত্রের উপস্থিতি দেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তুলেছে। জুলাই দাঙ্গার পর থেকে পুলিশ বাহিনী এখনও সম্পূর্ণভাবে ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে গভীর অসন্তোষ এবং উদ্বেগ বিরাজ করছে। একের পর এক গোলাগুলি ও হত্যার ঘটনা ঘটছে, যা প্রমাণ করে যে লুট হওয়া অস্ত্রগুলো এখন বিএনপি-জামাতের সন্ত্রাসীদের হাতে ব্যবহৃত হচ্ছে। নির্বাচন বিশেষজ্ঞ ড. আব্দুল আলীম জানাচ্ছেন,

নিরাপত্তা ইস্যুতে আশ্বস্ত করা না গেলে ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে আনা কঠিন হবে। কিন্তু ইউনূস সরকার কি আদৌ চায় যে সাধারণ মানুষ নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারুক? যে সরকার নিজেই জনগণের ভোটে নির্বাচিত নয়, বরং একটি সামরিক সমর্থিত অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসেছে, সেই সরকারের কাছে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া এবং জনগণের ভোটাধিকার কতটা গুরুত্বপূর্ণ? সুদী মহাজন হিসেবে পরিচিত এই ব্যক্তি এবং তার অবৈধ সরকার দেশকে একটি বিপজ্জনক অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিয়েছে। হাজারেরও বেশি অস্ত্র এখন অপরাধীদের হাতে, কিন্তু সরকারের কোনো মাথাব্যথা নেই। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা যেন এই ভয়াবহ পরিস্থিতিতেও নির্বিকার। জঙ্গিদের দেশে এত বড় পরিমাণ অস্ত্র লুট হয়ে যাওয়াটা তাদের কাছে কোনো ব্যাপারই না। হয়তো এটাই তাদের

পরিকল্পনার অংশ ছিল। যে সরকার বিদেশি শক্তির টাকায় এবং ইসলামিক জঙ্গি সংগঠনের সহায়তায় ক্ষমতায় এসেছে, সেই সরকারের কাছে দেশের নিরাপত্তা এবং জনগণের জীবনের মূল্য কতটুকু? এই প্রশ্ন এখন প্রতিটি সচেতন নাগরিকের মনে। দেড় বছর পার হয়ে গেছে, কিন্তু হাজার হাজার অস্ত্রের কোনো হদিস নেই। এই অস্ত্রগুলো এখন সন্ত্রাসী এবং জঙ্গিদের হাতে খেলনা হয়ে গেছে, এবং নির্বাচনের সময় এগুলো ব্যবহৃত হবে জনগণকে ভয় দেখাতে এবং ভোটকেন্দ্রে সহিংসতা সৃষ্টি করতে। ইউনূস সরকারের এই চরম দায়িত্বহীনতা এবং অবহেলা দেশকে একটি গভীর সংকটের মুখে ঠেলে দিয়েছে। জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ এই সরকার আসলে কার স্বার্থ রক্ষা করছে, সেটা এখন আর গোপন কিছু নেই। বিদেশি প্রভুদের

আদেশ পালন করা এবং জঙ্গি-সন্ত্রাসীদের সুরক্ষা দেওয়াই যেন তাদের একমাত্র কাজ। দেশের সাধারণ মানুষ, তাদের জীবন এবং নিরাপত্তা এই সরকারের কাছে কোনো বিবেচ্য বিষয়ই নয়।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
ছাত্রলীগ নেতা দেশে ফিরেছেন ভেবে চট্টগ্রামে জাতীয় দলের ক্রিকেটার নাঈমকে পেটালো পুলিশ দিনাজপুরে মাথায় কাফনের কাপড় বেঁধে ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিল দুধ দিয়ে গোসল করে দল ত্যাগ করলেন জামায়াতের গুপ্ত কর্মী তারেক নানা অজুহাতে সাধারণ কৃষকদের ধান ফেরত, প্রভাবশালীদের নিম্নমানের ধান কিনছে সরকার দীর্ঘ সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা: ক্ষমতা গুরুত্বপূর্ণ নয়, তবে জনগণের প্রতি নিজের দায়বদ্ধতা উপেক্ষা করতে পারি না বগুড়ায় একরাতে তিন মন্দিরে প্রতিমা ভাংচুর, জড়িতদের পরিচয় অজানা রাজপথে সন্তানের সাথে মিছিলে মা, ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘যুদ্ধবিরতি’র পরেও থামছে না হত্যা — গাজায় ইসরায়েলি হামলায় মৃতের সংখ্যা ৯৮৩ ২৭ কোটি থেকে বাড়িয়ে ১,০৮১ কোটির বরাদ্দ: ইমাম-মুয়াজ্জিনের জীবন বদলাবে, নাকি ভোটের মাঠ গরম হবে? ফায়ার স্টেশনের ভেতরে বহিরাগত নারী এনে আপত্তিকর নাচ-গানের আসর স্টেশন অফিসারের রাউজানে প্রকাশ্যে যুবদল নেতাকে গুলি করে হত্যা, দলীয় কোন্দলকে দুষছেন কর্মীরা আকারে নয়, বাস্তবায়নে বাজেটের সাফল্য: সিপিডি শক্তিশালী মহলের প্রভাবে ধামাচাপা পড়ে গেল স্বামী-শাশুড়ির নির্যাতনে নিহত ডা. নাফিসা দিপ্রার নাম শ্যুটার আসিফের পর ক্রিকেটার নাঈম: বিএনপি আমলে দুই ক্রীড়াবিদকে পুলিশি নির্যাতন ইরানে ১৩৯ মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির সাজা মওকুফ করলেন মোজতবা খামেনি শিরোপাহীন দুই যুগ, কোন পথে ব্রাজিল? বিশ্বকাপের উদ্বোধনী মঞ্চে বাংলাদেশকে তুলে ধরলেন ডিজে সঞ্জয় যেভাবে বিশ্ব ফ্যাশনের গতিপথ বদলে দিচ্ছে ফুটবল ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টের মামলায় সেই শিবির নেতা জিসান গ্রেফতার এডিসিকে ২৪ দিনে ৩ বার বদলি, নেপথ্যে কে?