ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
গ্যাস সংকটে লাখো মানুষের জীবন-জীবিকা হুমকিতে : ইউনুসের অদক্ষতার মাসুল গুনছে সাধারণ মানুষ
“ড. মুহাম্মদ ইউনূস জীবনে কোনদিন ট্যাক্স দিয়েছে? জিজ্ঞেস করেন! ট্যাক্স ফাঁকি দেওয়া— এটা সে খুব ভালো জানে” –জননেত্রী শেখ হাসিনা
“দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, গ্যাসের দাম বৃদ্ধি, নিরাপত্তা ঝুঁকিতে বাংলাদেশের মানুষ; কিন্তু বলবে কে? সত্য কথা বললে জেলে যেতে হয়” – জনতার ক্ষোভ
বাংলাদেশ : বাতাসে এখন শুধু লাশের গন্ধ
তারেক রহমানের ‘অসম্ভব’ তত্ত্ব ভুল প্রমাণ করে শেখ হাসিনার হাত ধরেই আলোকিত বাংলাদেশ
তারেক রহমানের ‘অসম্ভব’ তত্ত্ব ভুল প্রমাণ করে শেখ হাসিনার হাত ধরেই আলোকিত বাংলাদেশ
উপকৃত ১ কোটি পরিবার
লুট হওয়া হাজার অস্ত্র এখন বিএনপি-জামাতের সন্ত্রাসীদের হাতে : নির্বাচনের আগে রক্তস্নাত বাংলাদেশ, নির্বিকার সুদখোর ইউনূসের মূল লক্ষ্য কি?
২০২৪ সালের জুলাই মাসে সংঘটিত দাঙ্গার সময় পুলিশ থানা ও অস্ত্রাগার থেকে যে পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদ লুট হয়েছিল, সেগুলোর অধিকাংশই এখনও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। এক হাজারেরও বেশি আগ্নেয়াস্ত্র এবং দুই লাখের বেশি গোলাবারুদ এখনও হাওয়া। অথচ এই দীর্ঘ সময়ে ইউনূস সরকার এবং তার আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এই বিপুল পরিমাণ মারণাস্ত্র উদ্ধারে কার্যত কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারেনি।
যে সরকার বিদেশি প্রভুদের আর্থিক সহায়তা, জঙ্গি সংগঠনের সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং সামরিক বাহিনীর প্রত্যক্ষ মদদে একটি নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে ক্ষমতায় এসেছে, সেই সরকারের কাছে দেশের জনগণের নিরাপত্তা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কখনোই অগ্রাধিকার ছিল না, এখনও নেই। হাজার হাজার অস্ত্র এখন সন্ত্রাসীদের
হাতে, কিন্তু ইউনূস এবং তার স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা যেন এ নিয়ে মোটেও বিচলিত নন। গত দেড় বছরে বারবার বিশেষ অভিযানের নামে নাটক করা হয়েছে। লুণ্ঠিত অস্ত্রের সন্ধান দিলে পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত পুরস্কারের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু বাস্তবে কোনো সফলতা আসেনি। কারণটা পরিষ্কার। যে সরকার নিজেই অবৈধভাবে ক্ষমতায় এসেছে, যার পেছনে রয়েছে জঙ্গি এবং সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সক্রিয় সমর্থন, সেই সরকার কীভাবে এই একই গোষ্ঠীর হাত থেকে অস্ত্র উদ্ধার করবে? বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব পিস অ্যান্ড সিকিউরিটি স্টাডিজের প্রেসিডেন্ট অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল আ ন ম মুনীরুজ্জামান বলেছেন যে এই অস্ত্রগুলো দেড় বছরে পুরোপুরি উদ্ধার হওয়া উচিত ছিল, কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী
সেটা করতে ব্যর্থ হয়েছে। এই ব্যর্থতা কি সত্যিই অদক্ষতা, নাকি ইচ্ছাকৃত অবহেলা? যে সরকারের ক্ষমতায় আসার পেছনে জুলাই দাঙ্গার মতো রক্তক্ষয়ী সহিংসতা ছিল, সেই সরকারের পক্ষে কি আদৌ সম্ভব এই সহিংসতার হাতিয়ারগুলো উদ্ধার করা? এখন যে নির্বাচন আসছে, তার আগে এই বিপুল পরিমাণ অস্ত্রের উপস্থিতি দেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তুলেছে। জুলাই দাঙ্গার পর থেকে পুলিশ বাহিনী এখনও সম্পূর্ণভাবে ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে গভীর অসন্তোষ এবং উদ্বেগ বিরাজ করছে। একের পর এক গোলাগুলি ও হত্যার ঘটনা ঘটছে, যা প্রমাণ করে যে লুট হওয়া অস্ত্রগুলো এখন বিএনপি-জামাতের সন্ত্রাসীদের হাতে ব্যবহৃত হচ্ছে। নির্বাচন বিশেষজ্ঞ ড. আব্দুল আলীম জানাচ্ছেন,
নিরাপত্তা ইস্যুতে আশ্বস্ত করা না গেলে ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে আনা কঠিন হবে। কিন্তু ইউনূস সরকার কি আদৌ চায় যে সাধারণ মানুষ নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারুক? যে সরকার নিজেই জনগণের ভোটে নির্বাচিত নয়, বরং একটি সামরিক সমর্থিত অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসেছে, সেই সরকারের কাছে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া এবং জনগণের ভোটাধিকার কতটা গুরুত্বপূর্ণ? সুদী মহাজন হিসেবে পরিচিত এই ব্যক্তি এবং তার অবৈধ সরকার দেশকে একটি বিপজ্জনক অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিয়েছে। হাজারেরও বেশি অস্ত্র এখন অপরাধীদের হাতে, কিন্তু সরকারের কোনো মাথাব্যথা নেই। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা যেন এই ভয়াবহ পরিস্থিতিতেও নির্বিকার। জঙ্গিদের দেশে এত বড় পরিমাণ অস্ত্র লুট হয়ে যাওয়াটা তাদের কাছে কোনো ব্যাপারই না। হয়তো এটাই তাদের
পরিকল্পনার অংশ ছিল। যে সরকার বিদেশি শক্তির টাকায় এবং ইসলামিক জঙ্গি সংগঠনের সহায়তায় ক্ষমতায় এসেছে, সেই সরকারের কাছে দেশের নিরাপত্তা এবং জনগণের জীবনের মূল্য কতটুকু? এই প্রশ্ন এখন প্রতিটি সচেতন নাগরিকের মনে। দেড় বছর পার হয়ে গেছে, কিন্তু হাজার হাজার অস্ত্রের কোনো হদিস নেই। এই অস্ত্রগুলো এখন সন্ত্রাসী এবং জঙ্গিদের হাতে খেলনা হয়ে গেছে, এবং নির্বাচনের সময় এগুলো ব্যবহৃত হবে জনগণকে ভয় দেখাতে এবং ভোটকেন্দ্রে সহিংসতা সৃষ্টি করতে। ইউনূস সরকারের এই চরম দায়িত্বহীনতা এবং অবহেলা দেশকে একটি গভীর সংকটের মুখে ঠেলে দিয়েছে। জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ এই সরকার আসলে কার স্বার্থ রক্ষা করছে, সেটা এখন আর গোপন কিছু নেই। বিদেশি প্রভুদের
আদেশ পালন করা এবং জঙ্গি-সন্ত্রাসীদের সুরক্ষা দেওয়াই যেন তাদের একমাত্র কাজ। দেশের সাধারণ মানুষ, তাদের জীবন এবং নিরাপত্তা এই সরকারের কাছে কোনো বিবেচ্য বিষয়ই নয়।
হাতে, কিন্তু ইউনূস এবং তার স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা যেন এ নিয়ে মোটেও বিচলিত নন। গত দেড় বছরে বারবার বিশেষ অভিযানের নামে নাটক করা হয়েছে। লুণ্ঠিত অস্ত্রের সন্ধান দিলে পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত পুরস্কারের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু বাস্তবে কোনো সফলতা আসেনি। কারণটা পরিষ্কার। যে সরকার নিজেই অবৈধভাবে ক্ষমতায় এসেছে, যার পেছনে রয়েছে জঙ্গি এবং সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর সক্রিয় সমর্থন, সেই সরকার কীভাবে এই একই গোষ্ঠীর হাত থেকে অস্ত্র উদ্ধার করবে? বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব পিস অ্যান্ড সিকিউরিটি স্টাডিজের প্রেসিডেন্ট অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল আ ন ম মুনীরুজ্জামান বলেছেন যে এই অস্ত্রগুলো দেড় বছরে পুরোপুরি উদ্ধার হওয়া উচিত ছিল, কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী
সেটা করতে ব্যর্থ হয়েছে। এই ব্যর্থতা কি সত্যিই অদক্ষতা, নাকি ইচ্ছাকৃত অবহেলা? যে সরকারের ক্ষমতায় আসার পেছনে জুলাই দাঙ্গার মতো রক্তক্ষয়ী সহিংসতা ছিল, সেই সরকারের পক্ষে কি আদৌ সম্ভব এই সহিংসতার হাতিয়ারগুলো উদ্ধার করা? এখন যে নির্বাচন আসছে, তার আগে এই বিপুল পরিমাণ অস্ত্রের উপস্থিতি দেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তুলেছে। জুলাই দাঙ্গার পর থেকে পুলিশ বাহিনী এখনও সম্পূর্ণভাবে ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে গভীর অসন্তোষ এবং উদ্বেগ বিরাজ করছে। একের পর এক গোলাগুলি ও হত্যার ঘটনা ঘটছে, যা প্রমাণ করে যে লুট হওয়া অস্ত্রগুলো এখন বিএনপি-জামাতের সন্ত্রাসীদের হাতে ব্যবহৃত হচ্ছে। নির্বাচন বিশেষজ্ঞ ড. আব্দুল আলীম জানাচ্ছেন,
নিরাপত্তা ইস্যুতে আশ্বস্ত করা না গেলে ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে আনা কঠিন হবে। কিন্তু ইউনূস সরকার কি আদৌ চায় যে সাধারণ মানুষ নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারুক? যে সরকার নিজেই জনগণের ভোটে নির্বাচিত নয়, বরং একটি সামরিক সমর্থিত অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসেছে, সেই সরকারের কাছে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া এবং জনগণের ভোটাধিকার কতটা গুরুত্বপূর্ণ? সুদী মহাজন হিসেবে পরিচিত এই ব্যক্তি এবং তার অবৈধ সরকার দেশকে একটি বিপজ্জনক অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিয়েছে। হাজারেরও বেশি অস্ত্র এখন অপরাধীদের হাতে, কিন্তু সরকারের কোনো মাথাব্যথা নেই। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা যেন এই ভয়াবহ পরিস্থিতিতেও নির্বিকার। জঙ্গিদের দেশে এত বড় পরিমাণ অস্ত্র লুট হয়ে যাওয়াটা তাদের কাছে কোনো ব্যাপারই না। হয়তো এটাই তাদের
পরিকল্পনার অংশ ছিল। যে সরকার বিদেশি শক্তির টাকায় এবং ইসলামিক জঙ্গি সংগঠনের সহায়তায় ক্ষমতায় এসেছে, সেই সরকারের কাছে দেশের নিরাপত্তা এবং জনগণের জীবনের মূল্য কতটুকু? এই প্রশ্ন এখন প্রতিটি সচেতন নাগরিকের মনে। দেড় বছর পার হয়ে গেছে, কিন্তু হাজার হাজার অস্ত্রের কোনো হদিস নেই। এই অস্ত্রগুলো এখন সন্ত্রাসী এবং জঙ্গিদের হাতে খেলনা হয়ে গেছে, এবং নির্বাচনের সময় এগুলো ব্যবহৃত হবে জনগণকে ভয় দেখাতে এবং ভোটকেন্দ্রে সহিংসতা সৃষ্টি করতে। ইউনূস সরকারের এই চরম দায়িত্বহীনতা এবং অবহেলা দেশকে একটি গভীর সংকটের মুখে ঠেলে দিয়েছে। জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ এই সরকার আসলে কার স্বার্থ রক্ষা করছে, সেটা এখন আর গোপন কিছু নেই। বিদেশি প্রভুদের
আদেশ পালন করা এবং জঙ্গি-সন্ত্রাসীদের সুরক্ষা দেওয়াই যেন তাদের একমাত্র কাজ। দেশের সাধারণ মানুষ, তাদের জীবন এবং নিরাপত্তা এই সরকারের কাছে কোনো বিবেচ্য বিষয়ই নয়।



