ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
যেভাবে বাংলাদেশ ফুটবলে সুলিভানদের আগমন
বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে লাগবে ১৩ লাখ টাকা!
বিশ্বকাপ বিপর্যয়ের পর ইতালির কোচের পদ থেকে গাত্তুসোর পদত্যাগ
বিশ্বকাপ ফাইনালের টিকিটের দাম শুনে চমকে যাবেন
আরও এক বিসিবি পরিচালকের পদত্যাগ
বিশ্বকাপে কোয়ালিফাই করতে ব্যর্থ হওয়ায় ইতালি ফুটবল ফেডারেশন প্রধানের পদত্যাগ
৫২ বছর পর কঙ্গো, ৪০ বছর পর ইরাক; চূড়ান্ত বিশ্বকাপের ৪৮ দল
লড়াই করেও চীনের কাছে হারল বাংলাদেশ
এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ নারী এশিয়ান কাপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে চীনের বিপক্ষে দারুণ লড়াই করল বাংলাদেশ। থাইল্যান্ডের ননথাবুরি প্রাদেশিক স্টেডিয়ামে রক্ষণভাগের দৃঢ়তায় প্রথমার্ধ গোলশূন্য রাখলেও শেষ পর্যন্ত ২-০ ব্যবধানে হারতে হয়েছে পিটার বাটলারের শিষ্যদের। প্রথম ম্যাচে স্বাগতিক থাইল্যান্ডের বিপক্ষে ২-০ গোলে এগিয়ে থেকেও ৩-২ ব্যবধানে হারের আক্ষেপের পর এটি এই আসরে বাংলাদেশের টানা দ্বিতীয় হার।
ম্যাচের পরিসংখ্যানই পরিষ্কার বলে দিচ্ছে মাঠের লড়াইটা কতটা একপেশে ছিল। পুরো ম্যাচে চীনের ৬৬ শতাংশ বল দখলের বিপরীতে আফিদা-সাগরিকাদের পায়ে বল ছিল মাত্র ৩৪ শতাংশ। চীন যেখানে ১৬টি শট নিয়েছে (যার ৬টি ছিল গোলমুখে), সেখানে বাংলাদেশ প্রতিপক্ষের গোলমুখে শট নিতে পেরেছে মাত্র একটি!
তবে প্রথমার্ধে আজ চীনের ফরোয়ার্ডদের জন্য
হতাশার নাম ছিলেন বাংলাদেশ গোলরক্ষক মিলি আক্তার। সিনিয়র এশিয়ান কাপে রূপনা চাকমার জায়গায় সুযোগ পেয়ে নজর কাড়া মিলি এই বয়সভিত্তিক দলেও আস্থার প্রতিদান দিয়েছেন। ২৫ মিনিটে চীনের ওয়াং আইফাংয়ের একটি শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে। ৪৪ মিনিটে ইয়ু জিংওয়াউ একা পেয়ে গেলেও দুর্দান্ত এক সাহসী সেভে দলকে বাঁচান মিলি। আঙুলের ছোঁয়ায় একটি নিশ্চিত ফ্রি-কিক গোলও রুখে দেন তিনি। বিপরীতে প্রথমার্ধের শেষ দিকে বাংলাদেশ প্রথমবার আক্রমণে ওঠার সুযোগ পায়। তবে মোসাম্মৎ সাগরিকার নেওয়া সেই শট সহজেই রুখে দেন চীনের গোলরক্ষক। দারুণ রক্ষণ সামলে প্রথমার্ধে গোলশূন্য ড্রয়ের স্বস্তি নিয়ে বিরতিতে গেলেও দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই হোঁচট খায় বাংলাদেশ। ৪৮ মিনিটে জেং ইয়ু জিয়ার দারুণ এক
পাস থেকে গোল করে চীনকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন ইয়ু জিংওয়াউ। গোল হজমের পরও মিলি আক্তার চীনের একের পর এক আক্রমণ নস্যাৎ করতে থাকেন। ৫৭ মিনিটে ওয়াং আফিয়াংয়ের নেওয়া ফ্রি-কিকের শটটি সরাসরি তালুবন্দি করেন তিনি। ৭০ মিনিটে আফিয়াংয়ের একটি পাস থেকে ডি-বক্সে বল পেয়ে হুয়াং জিয়াজিন হেড করলে সেটিও অবিশ্বাস্যভাবে রুখে দেন মিলি। তবে ৮৩ মিনিটে আর শেষ রক্ষা হয়নি। ফ্রি-কিক থেকে সরাসরি জালে বল জড়িয়ে চীনের ২-০ ব্যবধানের জয় নিশ্চিত করেন ওয়াং আফিয়াং। নির্ধারিত ৯০ মিনিট শেষে যোগ করা সময়ে বাংলাদেশ একটি ফ্রি-কিক পেলেও তা থেকে কোনো সুবিধা আদায় করতে পারেননি অধিনায়ক আফিদা খন্দকার। গোলকিপার মিলি না থাকলে আজ বাংলাদেশের
হারের ব্যবধান আরও বড় হতে পারতো। গ্রুপ পর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচে ৭ এপ্রিল ভিয়েতনামের বিপক্ষে মাঠে নামবে বাংলাদেশ। টানা দুই ম্যাচ হারলেও টুর্নামেন্টের কোয়ার্টার ফাইনালে খেলার স্বপ্ন এখনও বেঁচে আছে বাংলাদেশের। দুই ম্যাচ পর তাদের পয়েন্ট শূন্য ও গোল ব্যবধান -৩। ৭ এপ্রিল ভিয়েতনামের বিপক্ষে গ্রুপের শেষ ম্যাচে জয় কিংবা ড্র করতে পারলেই তৃতীয় স্থান নিশ্চিত হতে পারে লাল-সবুজের প্রতিনিধিদের। তখন অন্য দুই গ্রুপের তৃতীয় স্থানে থাকা দলগুলোর চেয়ে এগিয়ে থাকলে কোয়ার্টারে খেলবে বাংলাদেশ। যা হবে নারী ফুটবলে আরেকটি ইতিহাস। এদিকে মাঠের লড়াইয়ে বাংলাদেশের মেয়েদের লড়াকু ফুটবলে মুগ্ধ চীন। তাই খেলা শেষ হওয়ার পরপরই বাংলাদেশের ডাগআউটের সামনে এসে কুর্নিশ করে সম্মান জানান
চীনা ফুটবলাররা। অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত সিনিয়র নারী এশিয়ান কাপের ম্যাচের পরও ঠিক একইভাবে বাংলাদেশের মেয়েদের প্রতি সম্মান দেখিয়েছিল চীনের খেলোয়াড়েরা।
হতাশার নাম ছিলেন বাংলাদেশ গোলরক্ষক মিলি আক্তার। সিনিয়র এশিয়ান কাপে রূপনা চাকমার জায়গায় সুযোগ পেয়ে নজর কাড়া মিলি এই বয়সভিত্তিক দলেও আস্থার প্রতিদান দিয়েছেন। ২৫ মিনিটে চীনের ওয়াং আইফাংয়ের একটি শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে। ৪৪ মিনিটে ইয়ু জিংওয়াউ একা পেয়ে গেলেও দুর্দান্ত এক সাহসী সেভে দলকে বাঁচান মিলি। আঙুলের ছোঁয়ায় একটি নিশ্চিত ফ্রি-কিক গোলও রুখে দেন তিনি। বিপরীতে প্রথমার্ধের শেষ দিকে বাংলাদেশ প্রথমবার আক্রমণে ওঠার সুযোগ পায়। তবে মোসাম্মৎ সাগরিকার নেওয়া সেই শট সহজেই রুখে দেন চীনের গোলরক্ষক। দারুণ রক্ষণ সামলে প্রথমার্ধে গোলশূন্য ড্রয়ের স্বস্তি নিয়ে বিরতিতে গেলেও দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই হোঁচট খায় বাংলাদেশ। ৪৮ মিনিটে জেং ইয়ু জিয়ার দারুণ এক
পাস থেকে গোল করে চীনকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন ইয়ু জিংওয়াউ। গোল হজমের পরও মিলি আক্তার চীনের একের পর এক আক্রমণ নস্যাৎ করতে থাকেন। ৫৭ মিনিটে ওয়াং আফিয়াংয়ের নেওয়া ফ্রি-কিকের শটটি সরাসরি তালুবন্দি করেন তিনি। ৭০ মিনিটে আফিয়াংয়ের একটি পাস থেকে ডি-বক্সে বল পেয়ে হুয়াং জিয়াজিন হেড করলে সেটিও অবিশ্বাস্যভাবে রুখে দেন মিলি। তবে ৮৩ মিনিটে আর শেষ রক্ষা হয়নি। ফ্রি-কিক থেকে সরাসরি জালে বল জড়িয়ে চীনের ২-০ ব্যবধানের জয় নিশ্চিত করেন ওয়াং আফিয়াং। নির্ধারিত ৯০ মিনিট শেষে যোগ করা সময়ে বাংলাদেশ একটি ফ্রি-কিক পেলেও তা থেকে কোনো সুবিধা আদায় করতে পারেননি অধিনায়ক আফিদা খন্দকার। গোলকিপার মিলি না থাকলে আজ বাংলাদেশের
হারের ব্যবধান আরও বড় হতে পারতো। গ্রুপ পর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচে ৭ এপ্রিল ভিয়েতনামের বিপক্ষে মাঠে নামবে বাংলাদেশ। টানা দুই ম্যাচ হারলেও টুর্নামেন্টের কোয়ার্টার ফাইনালে খেলার স্বপ্ন এখনও বেঁচে আছে বাংলাদেশের। দুই ম্যাচ পর তাদের পয়েন্ট শূন্য ও গোল ব্যবধান -৩। ৭ এপ্রিল ভিয়েতনামের বিপক্ষে গ্রুপের শেষ ম্যাচে জয় কিংবা ড্র করতে পারলেই তৃতীয় স্থান নিশ্চিত হতে পারে লাল-সবুজের প্রতিনিধিদের। তখন অন্য দুই গ্রুপের তৃতীয় স্থানে থাকা দলগুলোর চেয়ে এগিয়ে থাকলে কোয়ার্টারে খেলবে বাংলাদেশ। যা হবে নারী ফুটবলে আরেকটি ইতিহাস। এদিকে মাঠের লড়াইয়ে বাংলাদেশের মেয়েদের লড়াকু ফুটবলে মুগ্ধ চীন। তাই খেলা শেষ হওয়ার পরপরই বাংলাদেশের ডাগআউটের সামনে এসে কুর্নিশ করে সম্মান জানান
চীনা ফুটবলাররা। অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত সিনিয়র নারী এশিয়ান কাপের ম্যাচের পরও ঠিক একইভাবে বাংলাদেশের মেয়েদের প্রতি সম্মান দেখিয়েছিল চীনের খেলোয়াড়েরা।



