ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে, তারপরেই আমি অবসর নেব – দৃপ্ত শপথ শেখ হাসিনা’র
হারাম পণ্যে আরোপিত হালাল ট্যাক্স — উচ্চাভিলাষী বাজেটে রাজস্ব আদায়ে মরিয়া সরকার
ধর্ষণের শিকার নারীরা কেন নীরব থাকেন?
“বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন ও আশা- আকাঙ্ক্ষা যেভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে” – দ্যা ডিপ্লোম্যাট
বাজেটে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন নিয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ
দেশে নিবন্ধিত মোবাইল সিমের সংখ্যা ৩২ কোটি ৮২ লাখ
শর্ত মানলে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন আ.লীগের নেতাকর্মীরা
রুকিয়া সেন্টারের আড়ালে ‘নারী শিকার’: মুফতি সাইফীর বিরুদ্ধে ভয়ঙ্কর প্রতারণার অভিযোগ
ধর্মীয় লেবাস ও ‘রুকিয়া সেন্টার’ (জ্বীন-জাদু কাটার চিকিৎসা কেন্দ্র)-কে ঢাল বানিয়ে একের পর এক বিয়ে, গোপন তালাক এবং নারীদের ওপর নির্মম শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে কথিত ইসলামি বক্তা মুফতি মীর মুয়াজ্জেম হোসেন সাইফীর বিরুদ্ধে। বিশেষ করে অসহায় ও এতিম মেয়েদের টার্গেট করে বিয়ের ফাঁদে ফেলে কিছুদিন পর তালাক দিয়ে নতুন ‘বিবি শিকার’ করাই তার মূল পেশা বলে ভুক্তভোগী এক নারী অভিযোগ করেছেন।
সর্বশেষ ভুক্তভোগী আয়েশা সিদ্দিকা হুমাযরা নামের এক এতিম তরুণী টঙ্গী পশ্চিম থানায় এই প্রতারক চক্রের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী আয়েশা সিদ্দিকা হুমাযরা মুফতি মীর মুয়াজ্জেম হোসেন সাইফীর রুকিয়া সেন্টারে চিকিৎসার জন্য
যান (পেশেন্ট ছিলেন)। সেখানে আয়েশাকে এতিম ও অসহায় জানতে পেরে সাইফী তার পরিবারে বিয়ের প্রস্তাব পাঠান। সে সময় সাইফী দাবি করেন, তার আগের স্ত্রী মারা গেছেন এবং দুটি সন্তান রয়েছে। আয়েশার পরিবার প্রথমে এই বিয়েতে অমত পোষণ করলে সাইফী নাছোড়বান্দা হয়ে ওঠেন এবং বিয়ে না দিলে আত্মহত্যার পথ বেছে নেওয়ার হুমকি দেন। একপর্যায়ে বাধ্য হয়ে ২০২৪ সালে আয়েশার সঙ্গে তার বিয়ে সম্পন্ন হয়। বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই আয়েশার ওপর শুরু হয় নির্মম শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন। কথায় কথায় দেওয়া হতো তালাকের হুমকি। এরই মধ্যে আয়েশা জানতে পারেন, সাইফী তাকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিয়ে করেছেন। তার আগের স্ত্রী জীবিত তো আছেনই, উপরন্তু বিভিন্ন
পরিবারে তার আরও একাধিক স্ত্রী ও সন্তান রয়েছে। চরম নির্যাতন সহ্য করেও এতিম আয়েশা নিজের বৈবাহিক জীবন টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করেন। কিন্তু গত ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে সাইফী সম্পূর্ণ গোপনে আয়েশাকে তালাক দেন এবং সেই তালাকনামা কাজী ইউসুফ জাহানের কাছে লুকিয়ে রাখেন। তালাক দেওয়ার পরও আয়েশার ওপর নির্যাতনের মাত্রা আরও বাড়িয়ে দেওয়া হয় এবং প্রতারণামূলকভাবে তাকে একই ঘরে রাখা হয়। সহ্য করতে না পেরে গত ২৭ মার্চ আয়েশা কাজী ইউসুফ জাহানের কাছে গিয়ে নিজের বন্দিদশার কথা জানান। তখন কাজী তাকে জানান যে, সাইফী তাকে দুই মাস আগেই তালাক দিয়েছে এবং সেই তালাকনামা কাজীর কাছেই গচ্ছিত আছে। কাজী আরও জানান, সাইফী দুই মাস
আগে আরও একটি বিয়ে করেছেন। তিন মাস পূর্ণ হলে ‘অটো তালাক’ কার্যকর হবে এবং আয়েশা সাইফীর ঘর ছাড়তে বাধ্য হবেন। আয়েশা তালাক নোটিশ চাইলে কাজী তা দিতে অস্বীকৃতি জানান। বিষয়টি নিয়ে সাইফীকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি কোনো উত্তর না দিয়ে আয়েশাকে তার বাবার বাড়িতে চলে যেতে বলেন। দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়ায় গত ২৮ মার্চ আয়েশা সিদ্দিকা টঙ্গী পশ্চিম থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। ২৯ মার্চ পুলিশ সাইফীকে থানায় হাজির করলে সে স্বীকার করে যে, দেড় মাস আগেই সে আয়েশাকে তালাক দিয়েছে এবং এতদিন তালাকের বিষয়টি গোপন রেখেই তার সাথে সংসার করে আসছিল। এই জঘন্য প্রতারণার অপরাধে পুলিশ সাইফীকে গ্রেফতার করতে চাইলে, আইনগত ব্যবস্থা
থেকে বাঁচতে থানায় বসেই আয়েশাকে পুনরায় ফিরিয়ে নেওয়ার ‘নাটক’ শুরু করে সাইফী। পুলিশের নির্দেশে নতুন কাবিন করার কথা বলে সাইফী আয়েশাকে তার ফুফাতো ভাইয়ের অফিসে নিয়ে যায়। সেখানে একটি ভুয়া কাবিননামা তৈরি করা হয় এবং একটি খালি হলফনামায় (স্ট্যাম্পে) আয়েশাকে জোরপূর্বক স্বাক্ষর করানো হয়। পরবর্তীতে সাইফী এই নতুন কাবিনের কথাও অস্বীকার করে এবং ঘটনা প্রকাশ করলে আয়েশাকে মিথ্যা মামলা দিয়ে ফাঁসানোর হুমকি দেয়। সাইফী দম্ভোক্তি করে বলে, ‘আদালতের জজ তার দাদার বন্ধু’, তাই তার কিছুই হবে না। অনুসন্ধানে জানা গেছে, গত ৪ ডিসেম্বর আয়েশার অজান্তেই সাইফী আরও একটি বিয়ে করেছিলেন। আয়েশাকে তালাক দেওয়ার সাথে সাথে ওই স্ত্রীকেও সে তালাক দেয় এবং
নতুন আরেকটি বিয়ে করে। ভুক্তভোগী আয়েশা সিদ্দিকা হুমাযরা জানান,সাইফী মূলত রুকিয়া সেন্টারের নাম ব্যবহার করে অসহায়, বিশেষ করে এতিম মেয়েদের টার্গেট করে। তাদের বিয়ে করে কিছুদিন সংসার করার পর তালাক দিয়ে আবার নতুন বিবি শিকার করে। একসাথে দুইজন করে বিবি পাল্টানো তার নেশা। এতিম মেয়েদের সে এই কারণে টার্গেট করে যেন তারা অসহায়ত্বের কারণে তার এই জুলুমের প্রতিবাদ করতে না পারে। একজন ধর্মীয় আলেম দাবিদার ব্যক্তির এমন চরম অধর্ম, প্রতারণা ও নারী নির্যাতনের ঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ভুক্তভোগী তরুণী এই প্রতারক ও নির্যাতনকারী মুফতি সাইফী এবং তার সহযোগী কাজীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
যান (পেশেন্ট ছিলেন)। সেখানে আয়েশাকে এতিম ও অসহায় জানতে পেরে সাইফী তার পরিবারে বিয়ের প্রস্তাব পাঠান। সে সময় সাইফী দাবি করেন, তার আগের স্ত্রী মারা গেছেন এবং দুটি সন্তান রয়েছে। আয়েশার পরিবার প্রথমে এই বিয়েতে অমত পোষণ করলে সাইফী নাছোড়বান্দা হয়ে ওঠেন এবং বিয়ে না দিলে আত্মহত্যার পথ বেছে নেওয়ার হুমকি দেন। একপর্যায়ে বাধ্য হয়ে ২০২৪ সালে আয়েশার সঙ্গে তার বিয়ে সম্পন্ন হয়। বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই আয়েশার ওপর শুরু হয় নির্মম শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন। কথায় কথায় দেওয়া হতো তালাকের হুমকি। এরই মধ্যে আয়েশা জানতে পারেন, সাইফী তাকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিয়ে করেছেন। তার আগের স্ত্রী জীবিত তো আছেনই, উপরন্তু বিভিন্ন
পরিবারে তার আরও একাধিক স্ত্রী ও সন্তান রয়েছে। চরম নির্যাতন সহ্য করেও এতিম আয়েশা নিজের বৈবাহিক জীবন টিকিয়ে রাখার চেষ্টা করেন। কিন্তু গত ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে সাইফী সম্পূর্ণ গোপনে আয়েশাকে তালাক দেন এবং সেই তালাকনামা কাজী ইউসুফ জাহানের কাছে লুকিয়ে রাখেন। তালাক দেওয়ার পরও আয়েশার ওপর নির্যাতনের মাত্রা আরও বাড়িয়ে দেওয়া হয় এবং প্রতারণামূলকভাবে তাকে একই ঘরে রাখা হয়। সহ্য করতে না পেরে গত ২৭ মার্চ আয়েশা কাজী ইউসুফ জাহানের কাছে গিয়ে নিজের বন্দিদশার কথা জানান। তখন কাজী তাকে জানান যে, সাইফী তাকে দুই মাস আগেই তালাক দিয়েছে এবং সেই তালাকনামা কাজীর কাছেই গচ্ছিত আছে। কাজী আরও জানান, সাইফী দুই মাস
আগে আরও একটি বিয়ে করেছেন। তিন মাস পূর্ণ হলে ‘অটো তালাক’ কার্যকর হবে এবং আয়েশা সাইফীর ঘর ছাড়তে বাধ্য হবেন। আয়েশা তালাক নোটিশ চাইলে কাজী তা দিতে অস্বীকৃতি জানান। বিষয়টি নিয়ে সাইফীকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি কোনো উত্তর না দিয়ে আয়েশাকে তার বাবার বাড়িতে চলে যেতে বলেন। দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়ায় গত ২৮ মার্চ আয়েশা সিদ্দিকা টঙ্গী পশ্চিম থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। ২৯ মার্চ পুলিশ সাইফীকে থানায় হাজির করলে সে স্বীকার করে যে, দেড় মাস আগেই সে আয়েশাকে তালাক দিয়েছে এবং এতদিন তালাকের বিষয়টি গোপন রেখেই তার সাথে সংসার করে আসছিল। এই জঘন্য প্রতারণার অপরাধে পুলিশ সাইফীকে গ্রেফতার করতে চাইলে, আইনগত ব্যবস্থা
থেকে বাঁচতে থানায় বসেই আয়েশাকে পুনরায় ফিরিয়ে নেওয়ার ‘নাটক’ শুরু করে সাইফী। পুলিশের নির্দেশে নতুন কাবিন করার কথা বলে সাইফী আয়েশাকে তার ফুফাতো ভাইয়ের অফিসে নিয়ে যায়। সেখানে একটি ভুয়া কাবিননামা তৈরি করা হয় এবং একটি খালি হলফনামায় (স্ট্যাম্পে) আয়েশাকে জোরপূর্বক স্বাক্ষর করানো হয়। পরবর্তীতে সাইফী এই নতুন কাবিনের কথাও অস্বীকার করে এবং ঘটনা প্রকাশ করলে আয়েশাকে মিথ্যা মামলা দিয়ে ফাঁসানোর হুমকি দেয়। সাইফী দম্ভোক্তি করে বলে, ‘আদালতের জজ তার দাদার বন্ধু’, তাই তার কিছুই হবে না। অনুসন্ধানে জানা গেছে, গত ৪ ডিসেম্বর আয়েশার অজান্তেই সাইফী আরও একটি বিয়ে করেছিলেন। আয়েশাকে তালাক দেওয়ার সাথে সাথে ওই স্ত্রীকেও সে তালাক দেয় এবং
নতুন আরেকটি বিয়ে করে। ভুক্তভোগী আয়েশা সিদ্দিকা হুমাযরা জানান,সাইফী মূলত রুকিয়া সেন্টারের নাম ব্যবহার করে অসহায়, বিশেষ করে এতিম মেয়েদের টার্গেট করে। তাদের বিয়ে করে কিছুদিন সংসার করার পর তালাক দিয়ে আবার নতুন বিবি শিকার করে। একসাথে দুইজন করে বিবি পাল্টানো তার নেশা। এতিম মেয়েদের সে এই কারণে টার্গেট করে যেন তারা অসহায়ত্বের কারণে তার এই জুলুমের প্রতিবাদ করতে না পারে। একজন ধর্মীয় আলেম দাবিদার ব্যক্তির এমন চরম অধর্ম, প্রতারণা ও নারী নির্যাতনের ঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ভুক্তভোগী তরুণী এই প্রতারক ও নির্যাতনকারী মুফতি সাইফী এবং তার সহযোগী কাজীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।



