ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
নৌযান-জেটি না থাকায় ঝুঁকি নিয়ে মাঝ নদীতে লঞ্চে উঠছে যাত্রীরা
সদরঘাটে লঞ্চ দুর্ঘটনায় ৬ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন
ফেনীতে চাঁদা না দেওয়ায় বিএনপি কর্মীর রেস্টুরেন্ট ভাঙচুর ও অর্থ লুটপাট যুবদলকর্মীদের
ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ১২ কিমিজুড়ে থেমে থেমে যানজট
আইজিপির বাসায় চুরির খবর গুজব: পুলিশ সদর দপ্তর
মাইক্রোবাসের সিলিন্ডার বিস্ফোরণে চালকসহ নিহত ৩
চাল চুরির সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিকের ওপর ছাত্রদল নেতার হামলা!
রিসোর্টে আটক ১৬ শিক্ষার্থী, বিয়ে দেওয়া হলো ৮ তরুণ-তরুণীকে
সিলেটের দক্ষিণ সুরমা উপজেলার মোগলাবাজার থানাধীন রিজেন্ট পার্ক অ্যান্ড রিসোর্টে অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগে ১৬ জন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীকে আটক করা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা রবিবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরে রিসোর্টটি ঘেরাও করে শিক্ষার্থীদের আটক করেন।
পরবর্তীতে আটজনকে তাদের পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয় এবং বাকি আটজনকে স্থানীয় মুরুব্বিদের উপস্থিতিতে কাজী ডেকে বিয়ে পড়ানো হয়।
বিয়ে সম্পন্ন হওয়া চার যুগলের মধ্যে তিনজনের জন্য ১০ লাখ টাকা এবং একজনের জন্য ১২ লাখ টাকা দেনমোহর নির্ধারণ করা হয়। এ বিষয়ে সিলাম ইউনিয়নের কাজী আব্দুল বারী নিশ্চিত করেছেন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, রিজেন্ট পার্ক অ্যান্ড রিসোর্টে দীর্ঘদিন ধরে অসামাজিক কার্যকলাপ চলছে। স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা রিসোর্টের কক্ষ ভাড়া নিয়ে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত
হচ্ছেন বলে দাবি করেন তারা। ঘটনার দিন দুপুরে স্থানীয়রা রিসোর্টে হানা দিয়ে শিক্ষার্থীদের আটক করেন। এসময় উত্তেজিত জনতা রিসোর্টের কয়েকটি কক্ষে ভাঙচুর চালান এবং আগুন ধরিয়ে দেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দক্ষিণ সুরমা উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি তাজুল ইসলাম তাজুল, যুক্তরাজ্য বিএনপির সহসভাপতি আবেদ রাজা, মুরব্বি ফজলু মিয়া, ইউপি সদস্য আমিরুল ইসলাম মাসুমসহ স্থানীয় ব্যক্তিরা উপস্থিত হন। তাদের উদ্যোগে আটক শিক্ষার্থীদের মধ্যে আটজনকে বিয়ে পড়ানো হয় এবং বাকিদের অভিভাবকদের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়। মোগলাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে। তবে স্থানীয় মুরব্বিদের হস্তক্ষেপে শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। বিয়ের বিষয়ে তিনি অবগত নন। দক্ষিণ সুরমা
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ঊর্মি রায় জানান, এ ঘটনার বিষয়ে তিনি অবগত নন। ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। স্থানীয়রা রিজেন্ট পার্কে অসামাজিক কার্যকলাপ বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
হচ্ছেন বলে দাবি করেন তারা। ঘটনার দিন দুপুরে স্থানীয়রা রিসোর্টে হানা দিয়ে শিক্ষার্থীদের আটক করেন। এসময় উত্তেজিত জনতা রিসোর্টের কয়েকটি কক্ষে ভাঙচুর চালান এবং আগুন ধরিয়ে দেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দক্ষিণ সুরমা উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি তাজুল ইসলাম তাজুল, যুক্তরাজ্য বিএনপির সহসভাপতি আবেদ রাজা, মুরব্বি ফজলু মিয়া, ইউপি সদস্য আমিরুল ইসলাম মাসুমসহ স্থানীয় ব্যক্তিরা উপস্থিত হন। তাদের উদ্যোগে আটক শিক্ষার্থীদের মধ্যে আটজনকে বিয়ে পড়ানো হয় এবং বাকিদের অভিভাবকদের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়। মোগলাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে। তবে স্থানীয় মুরব্বিদের হস্তক্ষেপে শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। বিয়ের বিষয়ে তিনি অবগত নন। দক্ষিণ সুরমা
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ঊর্মি রায় জানান, এ ঘটনার বিষয়ে তিনি অবগত নন। ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। স্থানীয়রা রিজেন্ট পার্কে অসামাজিক কার্যকলাপ বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।



