ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আদালত দখলের রাজনীতি! এজলাসে ভাঙচুর
অফিসিয়ালি বিএনপির চাঁদাবাজি যুগের সূচনা চাঁদাবাজির নতুন নাম “সমঝোতা”
ইউনূস-জাহাঙ্গীরের জোর করে দেয়া সেই ইউনিফর্ম পরতে চায় না পুলিশ
ইউনূস আমলের ভয়াবহ দুর্নীতি-চাঁদাবাজির হিসাব সামনে আনল ডিসিসিআই
সংসদের বৈধতার প্রশ্ন ও রাজনৈতিক বাস্তবতা
মুক্তিযুদ্ধকে ‘জনযুদ্ধ’ বলে ছোট করতে চাইলে তারা মীর জাফর: ভাইরাল ভিডিওতে তরুণের মন্তব্য
পুলিশের নতুন আইজিপি হলেন আলী হোসেন ফকির
রাষ্ট্রপতির বাকস্বাধীনতা কেড়ে নিয়েছিলেন ইউনূস
অবৈধভাবে ক্ষমতা নেওয়ার পর দেশের মানুষের পাশাপাশি রাষ্ট্রপতির বাকস্বাধীনতা হরণ করেছিল অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। গত শুক্রবার রাতে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে কালেরকণ্ঠকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এ নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, একবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির নির্বাচনে জেতার পর পুরো কমিটির সদস্যরা আমার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলেন। আমি সাংবাদিকবান্ধব মানুষ হিসেবে তাঁদের সঙ্গে দেখা করি। খুবই সাধারণ একটা সাক্ষাৎ ছিল। আমাদের মধ্যে সামান্য কথাবার্তা হয়েছিল, তারপর ফটোসেশন হয়। ওই ঘটনা পরদিন কয়েকটি পত্রিকায় প্রকাশ হলে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং তা স্বাভাবিকভাবে নেয়নি।
জোর করে উনারা খুঁজতে থাকল যে বঙ্গভবনের প্রেস উইংয়ের কে এই কাজটা করেছে। আসলে প্রেস উইংয়ের কেউ
তো এই কাজ করেনি। আমি নিজেই সাংবাদিকদের চিঠি পেয়ে তাঁদের আসতে বলেছিলাম। কিন্তু তাঁরা অত্যন্ত নির্লজ্জভাবে তিনটা মানুষকে এখান থেকে অপসারণ করে নিয়ে গেল। প্রেস সেক্রেটারি, ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রেস সেক্রেটারি—তিনজনকেই নিয়ে গেল। পুরো উইংটাই প্রত্যাহার করে নিয়ে গেল। রাষ্ট্রপতির এই বক্তব্যের পর রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সংবিধান বিশেষজ্ঞরা বিষয়টিকে ক্ষমতার অপব্যবহার হিসেবে দেখছেন। তারা বলছেন, সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ ব্যক্তি। তার প্রেস উইং বা কর্মকর্তাদের ওপর প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের এমন খবরদারি রাষ্ট্রপতির পদের অবমাননার শামিল। বিশ্লেষকদের মতে, প্রেস উইংয়ের কর্মকর্তাদের সরিয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্য ছিল রাষ্ট্রপতিকে জনবিচ্ছিন্ন করা এবং তার কণ্ঠরোধ করা। এটি মূলত রাষ্ট্রপতির বাকস্বাধীনতা হরণের একটি কৌশল। অন্যান্য পর্যবেক্ষকদের
মতে, যদি রাষ্ট্রপতির মতো সাংবিধানিক পদাধিকারীর সাধারণ একটি সাক্ষাৎ নিয়ে এমন পদক্ষেপ নেওয়া হয়, তবে তা দেশে একনায়কতন্ত্রের নতুন রূপ হিসেবে প্রতিফলিত হয়।
তো এই কাজ করেনি। আমি নিজেই সাংবাদিকদের চিঠি পেয়ে তাঁদের আসতে বলেছিলাম। কিন্তু তাঁরা অত্যন্ত নির্লজ্জভাবে তিনটা মানুষকে এখান থেকে অপসারণ করে নিয়ে গেল। প্রেস সেক্রেটারি, ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রেস সেক্রেটারি—তিনজনকেই নিয়ে গেল। পুরো উইংটাই প্রত্যাহার করে নিয়ে গেল। রাষ্ট্রপতির এই বক্তব্যের পর রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও সংবিধান বিশেষজ্ঞরা বিষয়টিকে ক্ষমতার অপব্যবহার হিসেবে দেখছেন। তারা বলছেন, সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ ব্যক্তি। তার প্রেস উইং বা কর্মকর্তাদের ওপর প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের এমন খবরদারি রাষ্ট্রপতির পদের অবমাননার শামিল। বিশ্লেষকদের মতে, প্রেস উইংয়ের কর্মকর্তাদের সরিয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্য ছিল রাষ্ট্রপতিকে জনবিচ্ছিন্ন করা এবং তার কণ্ঠরোধ করা। এটি মূলত রাষ্ট্রপতির বাকস্বাধীনতা হরণের একটি কৌশল। অন্যান্য পর্যবেক্ষকদের
মতে, যদি রাষ্ট্রপতির মতো সাংবিধানিক পদাধিকারীর সাধারণ একটি সাক্ষাৎ নিয়ে এমন পদক্ষেপ নেওয়া হয়, তবে তা দেশে একনায়কতন্ত্রের নতুন রূপ হিসেবে প্রতিফলিত হয়।



