ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে, তারপরেই আমি অবসর নেব – দৃপ্ত শপথ শেখ হাসিনা’র
হারাম পণ্যে আরোপিত হালাল ট্যাক্স — উচ্চাভিলাষী বাজেটে রাজস্ব আদায়ে মরিয়া সরকার
ধর্ষণের শিকার নারীরা কেন নীরব থাকেন?
“বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন ও আশা- আকাঙ্ক্ষা যেভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে” – দ্যা ডিপ্লোম্যাট
বাজেটে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন নিয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ
দেশে নিবন্ধিত মোবাইল সিমের সংখ্যা ৩২ কোটি ৮২ লাখ
শর্ত মানলে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন আ.লীগের নেতাকর্মীরা
রাশিয়ার হুঁশিয়ারি: কিয়েভে আসছে আরও বড় হামলা, বিদেশি নাগরিকদের কিয়েভ ছাড়ার পরামর্শ
ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে যুদ্ধ শুরুর পর অন্যতম বৃহৎ হামলা চালানোর মাত্র কয়েকদিনের মধ্যেই রাশিয়া নতুন করে “পদ্ধতিগত হামলা”র হুমকি দিয়েছে। মস্কো জানিয়েছে, এবারের হামলায় লক্ষ্যবস্তু হবে কিয়েভের “সিদ্ধান্তগ্রহণ কেন্দ্র ও কমান্ড পোস্ট” এবং শহরের ড্রোন উৎপাদন স্থাপনাগুলো। একই সঙ্গে রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিয়েভে অবস্থানরত সকল বিদেশি নাগরিক ও কূটনীতিকদের “যত দ্রুত সম্ভব” শহর ছেড়ে চলে যেতে এবং প্রশাসনিক ও সামরিক ভবন থেকে দূরে থাকতে সতর্ক করেছে।
ইউক্রেন এই হুমকিকে “নির্লজ্জ ব্ল্যাকমেইল” বলে আখ্যা দিয়েছে এবং মিত্র দেশগুলোকে মস্কোর উপর চাপ বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে। কিয়েভের বক্তব্য, বিদেশি নাগরিকদের সরে যেতে বলার মাধ্যমে রাশিয়া কার্যত স্বীকার করে নিচ্ছে যে তার হামলার লক্ষ্য বিদেশি
কূটনৈতিক মিশনকেও ভয় দেখানো। ইউক্রেন আরও জানায়, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে কিয়েভে রুশ হামলা কার্যত একটি সপ্তাহও বন্ধ থাকেনি এবং মস্কোর সামগ্রিক নিরাপত্তা হুমকি আগের মতোই অব্যাহত রয়েছে। সবশেষ শনিবার রাতের ব্যাপক হামলায় কিয়েভসহ বিভিন্ন এলাকায় চারজন নিহত ও প্রায় একশো জন আহত হয়েছেন বলে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানিয়েছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায় সারারাত ধরে বিস্ফোরণে আকাশ আলোকিত হয়ে উঠছে এবং শহরজুড়ে একের পর এক বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে উঠছে কিয়েভ। এই হামলায় রাশিয়া কয়েক ডজন ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং শত শত ড্রোন ব্যবহার করে। এছাড়া কিয়েভ থেকে ৯০ কিলোমিটার দক্ষিণে বিলা সেরকভা এলাকায় পারমাণবিক সক্ষম হাইপারসনিক
ক্ষেপণাস্ত্র ওরেশনিকও নিক্ষেপ করা হয়। এই হামলায় বেসামরিক স্থাপনাও রেহাই পায়নি। কিয়েভের ঐতিহাসিক এলাকায় অবস্থিত চেরনোবিল জাদুঘর এবং ইউক্রেনের জাতীয় শিল্পকলা জাদুঘর ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে। লুকানিভকা এলাকায় একটি শপিং সেন্টার, একটি বাজার এবং বেশ কয়েকটি আবাসিক ভবনও ধ্বংস হয়ে গেছে। রাশিয়া দাবি করছে, এই হামলা এবং আসন্ন হামলার হুঁশিয়ারি মূলত শুক্রবার স্তারোবিলস্ক শহরে একটি ছাত্রাবাসে ইউক্রেনের তথাকথিত ইচ্ছাকৃত হামলার জবাব — যেখানে রুশ কর্মকর্তাদের দাবি অনুযায়ী ২১ জন নিহত হয়েছে। তবে ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী বলছে, রুশ-অধিকৃত পূর্ব ইউক্রেনে তারা একটি অভিজাত রুশ সামরিক ড্রোন ইউনিটকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে, কোনো বেসামরিক স্থাপনায় নয়। উল্লেখ্য, মে মাসের শুরুতে মস্কোর বার্ষিক বিজয় দিবস
কুচকাওয়াজ উপলক্ষে ঘোষিত সংক্ষিপ্ত যুদ্ধবিরতি শেষ হওয়ার পরপরই রাশিয়া কিয়েভে নতুন করে ব্যাপক হামলা শুরু করে। সেসময় একটি আবাসিক ভবনে হামলায় তিন শিশুসহ ২৪ জন নিহত হন। এর কিছুদিন পর ইউক্রেন মস্কো অঞ্চলে বড় ধরনের ড্রোন হামলা চালায়, যেখানে রুশ কর্মকর্তাদের দাবি অনুযায়ী তিনজন নিহত হন। জেলেনস্কি সেই হামলাকে রুশ আক্রমণের “সম্পূর্ণ ন্যায়সঙ্গত” জবাব বলে বর্ণনা করেন। কূটনৈতিক মঞ্চেও উত্তেজনা বাড়ছে। সোমবার সন্ধ্যায় রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওকে ফোনে কিয়েভ থেকে মার্কিন কূটনীতিকদের সরিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানান বলে রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, বিদেশিদের শহর ছাড়ার এই সতর্কবার্তা মূলত একটি মনস্তাত্ত্বিক চাপ সৃষ্টির কৌশল। তবে সাড়ে চার বছরের
যুদ্ধে ইউক্রেন একটি শক্তিশালী ও বহুস্তরীয় আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে, যা বেশিরভাগ ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করতে সক্ষম। কিন্তু রাশিয়া এত বিপুল সংখ্যায় হামলা চালায় যে অনেক সময়ই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অভিভূত হয়ে পড়ে এবং কিছু ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকানো সম্ভব হয় না। এছাড়া ইউক্রেন ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধে বিদেশি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার উপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল। এই নির্ভরশীলতা নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়েছে — কারণ মার্চ মাসে জেলেনস্কি সতর্ক করেছিলেন যে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধের কারণে ইউক্রেনে এই অস্ত্রের সরবরাহ ঘাটতিতে পড়তে পারে।
কূটনৈতিক মিশনকেও ভয় দেখানো। ইউক্রেন আরও জানায়, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে কিয়েভে রুশ হামলা কার্যত একটি সপ্তাহও বন্ধ থাকেনি এবং মস্কোর সামগ্রিক নিরাপত্তা হুমকি আগের মতোই অব্যাহত রয়েছে। সবশেষ শনিবার রাতের ব্যাপক হামলায় কিয়েভসহ বিভিন্ন এলাকায় চারজন নিহত ও প্রায় একশো জন আহত হয়েছেন বলে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানিয়েছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা যায় সারারাত ধরে বিস্ফোরণে আকাশ আলোকিত হয়ে উঠছে এবং শহরজুড়ে একের পর এক বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে উঠছে কিয়েভ। এই হামলায় রাশিয়া কয়েক ডজন ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং শত শত ড্রোন ব্যবহার করে। এছাড়া কিয়েভ থেকে ৯০ কিলোমিটার দক্ষিণে বিলা সেরকভা এলাকায় পারমাণবিক সক্ষম হাইপারসনিক
ক্ষেপণাস্ত্র ওরেশনিকও নিক্ষেপ করা হয়। এই হামলায় বেসামরিক স্থাপনাও রেহাই পায়নি। কিয়েভের ঐতিহাসিক এলাকায় অবস্থিত চেরনোবিল জাদুঘর এবং ইউক্রেনের জাতীয় শিল্পকলা জাদুঘর ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে। লুকানিভকা এলাকায় একটি শপিং সেন্টার, একটি বাজার এবং বেশ কয়েকটি আবাসিক ভবনও ধ্বংস হয়ে গেছে। রাশিয়া দাবি করছে, এই হামলা এবং আসন্ন হামলার হুঁশিয়ারি মূলত শুক্রবার স্তারোবিলস্ক শহরে একটি ছাত্রাবাসে ইউক্রেনের তথাকথিত ইচ্ছাকৃত হামলার জবাব — যেখানে রুশ কর্মকর্তাদের দাবি অনুযায়ী ২১ জন নিহত হয়েছে। তবে ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী বলছে, রুশ-অধিকৃত পূর্ব ইউক্রেনে তারা একটি অভিজাত রুশ সামরিক ড্রোন ইউনিটকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে, কোনো বেসামরিক স্থাপনায় নয়। উল্লেখ্য, মে মাসের শুরুতে মস্কোর বার্ষিক বিজয় দিবস
কুচকাওয়াজ উপলক্ষে ঘোষিত সংক্ষিপ্ত যুদ্ধবিরতি শেষ হওয়ার পরপরই রাশিয়া কিয়েভে নতুন করে ব্যাপক হামলা শুরু করে। সেসময় একটি আবাসিক ভবনে হামলায় তিন শিশুসহ ২৪ জন নিহত হন। এর কিছুদিন পর ইউক্রেন মস্কো অঞ্চলে বড় ধরনের ড্রোন হামলা চালায়, যেখানে রুশ কর্মকর্তাদের দাবি অনুযায়ী তিনজন নিহত হন। জেলেনস্কি সেই হামলাকে রুশ আক্রমণের “সম্পূর্ণ ন্যায়সঙ্গত” জবাব বলে বর্ণনা করেন। কূটনৈতিক মঞ্চেও উত্তেজনা বাড়ছে। সোমবার সন্ধ্যায় রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওকে ফোনে কিয়েভ থেকে মার্কিন কূটনীতিকদের সরিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানান বলে রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, বিদেশিদের শহর ছাড়ার এই সতর্কবার্তা মূলত একটি মনস্তাত্ত্বিক চাপ সৃষ্টির কৌশল। তবে সাড়ে চার বছরের
যুদ্ধে ইউক্রেন একটি শক্তিশালী ও বহুস্তরীয় আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে, যা বেশিরভাগ ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করতে সক্ষম। কিন্তু রাশিয়া এত বিপুল সংখ্যায় হামলা চালায় যে অনেক সময়ই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অভিভূত হয়ে পড়ে এবং কিছু ক্ষেপণাস্ত্র ঠেকানো সম্ভব হয় না। এছাড়া ইউক্রেন ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধে বিদেশি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার উপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল। এই নির্ভরশীলতা নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়েছে — কারণ মার্চ মাসে জেলেনস্কি সতর্ক করেছিলেন যে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধের কারণে ইউক্রেনে এই অস্ত্রের সরবরাহ ঘাটতিতে পড়তে পারে।



