ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মাইকে ঘোষণা দিয়ে ২ গোষ্ঠীর সংঘর্ষে ইমামসহ নিহত ২
২৬ মার্চ প্যারেড স্কয়ারে কুচকাওয়াজ ও ফ্লাই পাস্ট
২৫ মার্চ দেশে এক মিনিটের ‘ব্ল্যাক আউট’
ঈদের ছুটি শেষ, অফিস খুলছে আজ
২৫ ও ২৬ মার্চ আলোকসজ্জা নিষিদ্ধ করল সরকার
পোশাক রপ্তানিতে ধসের ইঙ্গিত, সামনে কর্মসংস্থানের বড় ঝুঁকি
জার্মানিতে মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ রক্ষার দৃঢ় অঙ্গীকারে বিনম্র শ্রদ্ধা ও ভাবগাম্ভীর্যে জাতির পিতার জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস পালন
যে মামলায় জামিন পেলেন ইনু, মেনন ও বিচারপতি মানিক
কোতোয়ালি থানার মানহানি মামলায় সাবেক মন্ত্রী হাসানুল হক ইনু, রাশেদ খান মেনন ও বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিককে জামিন দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) আদালত এ আদেশ দেন।
এর আগে ২১ জানুয়ারি বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে নিয়ে ‘আপত্তিকর মন্তব্য’ করার অভিযোগে করা মানহানির মামলায় সাবেক মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন এবং সুপ্রিম কোর্টের সাবেক বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিককে গ্রেফতার দেখানো হয়।
মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রৌনক জাহান তাকির আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। ডিএমপির প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মিয়া মোহাম্মদ আশিস বিন হাছান এ তথ্য জানান।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, আসামি ইনুকে এ মামলায় গ্রেফতার দেখানোর
আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালতে হাজির করা হয়। অপর দুই আসামি মেনন ও মানিককে হাজিরার জন্য আদালতে আনা হয়। শুনানি শেষে ইনুকে এ মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। পরে তিন আসামির পক্ষে তাদের আইনজীবীরা জামিন চেয়ে আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তাদের জামিন মঞ্জুর করেন। গত ২১ জানুয়ারি এ মামলায় মেনন ও মানিককে গ্রেফতার দেখানো হয়। এর আগে ২০২৪ সালের ২২ আগস্ট আইনজীবী জিয়াউল হক বাদী হয়ে আদালতে মানহানির মামলাটি দায়ের করেন। আদালত মামলাটি গ্রহণ করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তের নির্দেশ দেন।
আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালতে হাজির করা হয়। অপর দুই আসামি মেনন ও মানিককে হাজিরার জন্য আদালতে আনা হয়। শুনানি শেষে ইনুকে এ মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। পরে তিন আসামির পক্ষে তাদের আইনজীবীরা জামিন চেয়ে আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তাদের জামিন মঞ্জুর করেন। গত ২১ জানুয়ারি এ মামলায় মেনন ও মানিককে গ্রেফতার দেখানো হয়। এর আগে ২০২৪ সালের ২২ আগস্ট আইনজীবী জিয়াউল হক বাদী হয়ে আদালতে মানহানির মামলাটি দায়ের করেন। আদালত মামলাটি গ্রহণ করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তের নির্দেশ দেন।



