ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
রুহুল কুদ্দুস কাজলকে অ্যাটর্নি জেনারেল করে প্রজ্ঞাপন
ভারতের কাছে আবারও জ্বালানি সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশ
জার্মানিতে মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ রক্ষার দৃঢ় অঙ্গীকারে বিনম্র শ্রদ্ধা ও ভাবগাম্ভীর্যে জাতির পিতার জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস পালন
খাদ্য মূল্যস্ফীতির ‘লাল’ তালিকায় বাংলাদেশ, তীব্র ঝুঁকির দিকে যাচ্ছে দেশ
পেঁয়াজ রপ্তানির ওপর থেকে ২০ শতাংশ শুল্ক প্রত্যাহার করছে ভারত
জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা জাতিকে সশস্ত্র যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে উজ্জীবিত করে: রাষ্ট্রপতি
মাইকে ঘোষণা দিয়ে ২ গোষ্ঠীর সংঘর্ষে ইমামসহ নিহত ২
যে জাতি তার মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান করতে ভুলে যায়, সেই জাতি নিজের জন্মকেই অস্বীকার করে
যে জাতি তার মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান করতে ভুলে যায়, সেই জাতি নিজের জন্মকেই অস্বীকার করে। বাংলাদেশ জন্ম নিয়েছিল রক্তের বিনিময়ে—লাখো শহীদের আত্মত্যাগ আর মুক্তিযোদ্ধাদের অটল সাহসের মাধ্যমে। মুক্তিযুদ্ধ শুধু একটি অধ্যায় নয়; এটাই আমাদের অস্তিত্ব, আমাদের আত্মপরিচয় এবং আমাদের সবচেয়ে বড় অর্জন।
অথচ আজ সেই স্বাধীন দেশের বুকেই বীর মুক্তিযোদ্ধারা চরম অপমানের শিকার। তাদের গলায় জুতার মালা পরানো হয়, কবর পর্যন্ত আগুনে পোড়ানো হয়। মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক মতিয়া চৌধুরীর মতো নেত্রী মৃত্যুর পর রাষ্ট্রীয় সম্মান পান না। রাস্তাঘাটে বীরদের লাঞ্ছিত করা হয়, আর সারাদেশে একের পর এক মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচিহ্ন ভাঙচুর করা হয়।
অন্যদিকে, তথাকথিত ‘জুলাই আন্দোলন’-এর নামে যারা সন্ত্রাস, জ্বালাও-পোড়াও ও নৈরাজ্য চালিয়েছে, তাদের
মৃত্যু হলে দেওয়া হচ্ছে গার্ড অব অনার। আজ রাষ্ট্রীয় মর্যাদা দেওয়া হচ্ছে মব সন্ত্রাসীদের, অথচ রাষ্ট্রের শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধারা অবহেলা, নিগ্রহ ও অপমানের শিকার। এই কি রাষ্ট্রীয় মর্যাদা? এই কি ইতিহাসের ন্যায়বিচার? এই কি স্বাধীন বাংলাদেশের চেতনা? দখলদার ইউনুস গং রাষ্ট্রীয় সম্মানকে শিশুতোষ খেলায় পরিণত করেছে। এখানে বীর আর অপরাধীর পার্থক্য মুছে ফেলা হচ্ছে। মুক্তিযোদ্ধারা অবহেলার তলানিতে, আর সন্ত্রাসীরা সম্মানের আসনে। এর থেকেই স্পষ্ট—আজ রাষ্ট্রক্ষমতা মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তির দখলে। মুক্তিযোদ্ধাদের অসম্মান করে এবং সন্ত্রাসীদের সম্মাননা দিয়ে তারা ১৯৭১ সালে পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতে চাইছে।
মৃত্যু হলে দেওয়া হচ্ছে গার্ড অব অনার। আজ রাষ্ট্রীয় মর্যাদা দেওয়া হচ্ছে মব সন্ত্রাসীদের, অথচ রাষ্ট্রের শ্রেষ্ঠ সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধারা অবহেলা, নিগ্রহ ও অপমানের শিকার। এই কি রাষ্ট্রীয় মর্যাদা? এই কি ইতিহাসের ন্যায়বিচার? এই কি স্বাধীন বাংলাদেশের চেতনা? দখলদার ইউনুস গং রাষ্ট্রীয় সম্মানকে শিশুতোষ খেলায় পরিণত করেছে। এখানে বীর আর অপরাধীর পার্থক্য মুছে ফেলা হচ্ছে। মুক্তিযোদ্ধারা অবহেলার তলানিতে, আর সন্ত্রাসীরা সম্মানের আসনে। এর থেকেই স্পষ্ট—আজ রাষ্ট্রক্ষমতা মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তির দখলে। মুক্তিযোদ্ধাদের অসম্মান করে এবং সন্ত্রাসীদের সম্মাননা দিয়ে তারা ১৯৭১ সালে পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতে চাইছে।



