ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ বাণিজ্য চুক্তি: ইউনুস সরকারের একনায়কোচিত সিদ্ধান্তের ধাক্কা টেলিকমিউনিকেশন খাতেও
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গত ৯ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অতিগোপনে এবং একনায়কের মতো স্বাক্ষরিত ‘Agreement on Reciprocal Trade’-এর ফলে বাংলাদেশের টেলিকম খাতে বড় ধাক্কা লেগেছে। চুক্তির অংশ হিসেবে বাংলাদেশ ৬ গিগাহার্জ (GHz) স্পেকট্রাম ব্যান্ডের পুরো অংশ (৫.৯২৫–৭.১২৫ GHz) লাইসেন্স-মুক্ত ওয়াই-ফাই ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করে দিতে সন্মতি দিয়েছেন মার্কিন প্রসাশনের প্রিয়পাত্র ড ইউনুস।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এত বিশাল স্পেকট্রাম (প্রায় ১২০০ মেগাহার্জ) শুধু ওয়াই-ফাইয়ের জন্য ছেড়ে দেওয়া দেশের প্রকৃত চাহিদার চেয়ে অনেক বেশি। এর ফলে সরকার লাইসেন্স ফি থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা রাজস্ব হারাবে। একই সঙ্গে ৫জি/৬জি-এর মতো উন্নত মোবাইল প্রযুক্তি বাস্তবায়ন কঠিন হয়ে পড়বে, কারণ এই ব্যান্ড মোবাইল
অপারেটরদের লাইসেন্স করে ব্যবহারের জন্য উপযোগী ছিল। চুক্তির এই ধারা আমেরিকান টেক জায়ান্টদের (যেমন অ্যামাজন, গুগল, নেটফ্লিক্স, মেটা)-কে উচ্চ-ক্ষমতাসম্পন্ন ওয়াই-ফাইয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশে আরও সহজে ব্যবসা সম্প্রসারণের সুযোগ করে দিয়েছে হোয়াইট হাউসের প্রিয়পাত্র ড ইউনুস। ফলে মার্কিন টেক জায়ান্টদের ব্যবহারকারী ও আয় বাড়বে, কিন্তু বাংলাদেশের সরকারি রাজস্বের বড় ক্ষতি হবে। উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ইতিমধ্যেই বিশ্বের সর্বনিম্ন কর-রাজস্ব সংগ্রহকারী দেশগুলোর একটি। চুক্তিটি এতোই গোপনীয়তার সঙ্গে সম্পন্ন হয়েছে যে বাংলাদেশের ব্যাবসায়ী, পোষাক রপ্তানিকারক, প্রযুক্তিবিদ, কৃষিবিদ কেউই চুক্তির বিস্তারিত ও ভবিষ্যতের সম্ভাব্য প্রভাব সম্পর্কে অবগত ছিলেন না। যতোই দিন যাচ্ছে, মার্কিন বানিজ্য চুক্তির গোপন শর্তসমূহ ধীরে ধীরে প্রকাশিত হচ্ছে। অনেকেই এটিকে বাংলাদেশের স্বার্থের পরিপন্থী ও
‘রাষ্ট্রদ্রোহী চুক্তি’ বলে অভিহিত করছেন। সচেতন মহলে দাবি উঠেছে, চলমান সংসদ অধিবেশনে চুক্তির বিস্তারিত পর্যালোচনা করে প্রয়োজনে এটি বাতিলের প্রক্রিয়া শুরু করা হোক। মালয়েশিয়া কিছুদিন আগে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাণিজ্য চুক্তি বাতিল করেছে, এর আগে ইউরোপীয় ইউনিয়নও রেসিপ্রোকাল বানিজ্য চুক্তি বাতিল করেছিল। সমালোচকরা বলছেন, দেশের স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে বিদেশি স্বার্থ রক্ষার এমন চুক্তি ভারতের সাথেও করেনি বাংলাদেশের আওয়ামী লীগ সরকার। যদিও ভারতের সাথে বিভিন্ন চুক্তিতে বাংলাদেশের স্বার্থ ক্ষুন্ন হয়েছে বলে অভিযোগে ভারত বিদ্বেষের জোয়ার উঠেছে জুলাই আন্দোলনকারীদের মাঝে, অথচ বিগত ১৮ মাসের ইউনুসের সরকার ভারতের সাথে বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী চুক্তির কোন প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেনি। যদিও আওয়ামীলীগ সরকার ও ভারতের বিরুদ্ধে দেশবিরোধী চুক্তির
গুজব বা অভিযোগ উত্থাপনাকারীরা মার্কিন বানিজ্য চুক্তির ব্যাপারে নীরব রয়েছেন।
অপারেটরদের লাইসেন্স করে ব্যবহারের জন্য উপযোগী ছিল। চুক্তির এই ধারা আমেরিকান টেক জায়ান্টদের (যেমন অ্যামাজন, গুগল, নেটফ্লিক্স, মেটা)-কে উচ্চ-ক্ষমতাসম্পন্ন ওয়াই-ফাইয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশে আরও সহজে ব্যবসা সম্প্রসারণের সুযোগ করে দিয়েছে হোয়াইট হাউসের প্রিয়পাত্র ড ইউনুস। ফলে মার্কিন টেক জায়ান্টদের ব্যবহারকারী ও আয় বাড়বে, কিন্তু বাংলাদেশের সরকারি রাজস্বের বড় ক্ষতি হবে। উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ইতিমধ্যেই বিশ্বের সর্বনিম্ন কর-রাজস্ব সংগ্রহকারী দেশগুলোর একটি। চুক্তিটি এতোই গোপনীয়তার সঙ্গে সম্পন্ন হয়েছে যে বাংলাদেশের ব্যাবসায়ী, পোষাক রপ্তানিকারক, প্রযুক্তিবিদ, কৃষিবিদ কেউই চুক্তির বিস্তারিত ও ভবিষ্যতের সম্ভাব্য প্রভাব সম্পর্কে অবগত ছিলেন না। যতোই দিন যাচ্ছে, মার্কিন বানিজ্য চুক্তির গোপন শর্তসমূহ ধীরে ধীরে প্রকাশিত হচ্ছে। অনেকেই এটিকে বাংলাদেশের স্বার্থের পরিপন্থী ও
‘রাষ্ট্রদ্রোহী চুক্তি’ বলে অভিহিত করছেন। সচেতন মহলে দাবি উঠেছে, চলমান সংসদ অধিবেশনে চুক্তির বিস্তারিত পর্যালোচনা করে প্রয়োজনে এটি বাতিলের প্রক্রিয়া শুরু করা হোক। মালয়েশিয়া কিছুদিন আগে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাণিজ্য চুক্তি বাতিল করেছে, এর আগে ইউরোপীয় ইউনিয়নও রেসিপ্রোকাল বানিজ্য চুক্তি বাতিল করেছিল। সমালোচকরা বলছেন, দেশের স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে বিদেশি স্বার্থ রক্ষার এমন চুক্তি ভারতের সাথেও করেনি বাংলাদেশের আওয়ামী লীগ সরকার। যদিও ভারতের সাথে বিভিন্ন চুক্তিতে বাংলাদেশের স্বার্থ ক্ষুন্ন হয়েছে বলে অভিযোগে ভারত বিদ্বেষের জোয়ার উঠেছে জুলাই আন্দোলনকারীদের মাঝে, অথচ বিগত ১৮ মাসের ইউনুসের সরকার ভারতের সাথে বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী চুক্তির কোন প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেনি। যদিও আওয়ামীলীগ সরকার ও ভারতের বিরুদ্ধে দেশবিরোধী চুক্তির
গুজব বা অভিযোগ উত্থাপনাকারীরা মার্কিন বানিজ্য চুক্তির ব্যাপারে নীরব রয়েছেন।



