যুক্তরাষ্ট্র কেন ভেনেজুয়েলায় হামলা করল : তেল, ক্ষমতা ও ‘নতুন মনরো নীতি’র সমীকরণ – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৩ জানুয়ারি, ২০২৬
     ৬:৪৯ অপরাহ্ণ

যুক্তরাষ্ট্র কেন ভেনেজুয়েলায় হামলা করল : তেল, ক্ষমতা ও ‘নতুন মনরো নীতি’র সমীকরণ

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৩ জানুয়ারি, ২০২৬ | ৬:৪৯ 32 ভিউ
ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসসহ দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে ধারাবাহিক বিস্ফোরণ ও সামরিক হামলার মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ভেনেজুয়েলা সরকারের মধ্যে দীর্ঘদিনের উত্তেজনা চরম আকার ধারণ করেছে। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্য অনুযায়ী, এই হামলাকে ভেনেজুয়েলা সরকার সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের ‘সামরিক আগ্রাসন’ হিসেবে বর্ণনা করেছে, আর ওয়াশিংটন একে মাদক পাচার ও নিরাপত্তা ইস্যুর সঙ্গে যুক্ত করছে। কিন্তু বিশ্লেষকরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্র যে কারণ উপস্থাপন করছে সেটি ঠুনকো। সংঘাতের পেছনে রয়েছে, তেল, ক্ষমতা ও ‘নতুন মনরো নীতি’র সমীকরণ। শনিবার হামলা শুরুর বহু আগে থেকেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একাধিকবার অভিযোগ করেছেন, ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো যুক্তরাষ্ট্রে মাদক পাচার ও অবৈধ অভিবাসন সংকট উসকে দিচ্ছেন। ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের যে কোনো

সামরিক পদক্ষেপের লক্ষ্য হবে মাদক পাচার ঠেকানো। অন্যদিকে, মাদুরো ট্রাম্পকে অভিযুক্ত করেছেন ভেনেজুয়েলাকে উপনিবেশে পরিণত করার চেষ্টা করার জন্য। তার দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের মূল লক্ষ্য দেশটির বিপুল তেল ও প্রাকৃতিক সম্পদ। তেল, নিষেধাজ্ঞা ও ‘নতুন মনরো নীতি’ ভেনেজুয়েলার কাছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রমাণিত তেল মজুত রয়েছে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, সংকটটি শুধু ‘তেল দখল’-এর বিষয় নয়। অনেক বিশ্লেষক একে ট্রাম্প প্রশাসনের ‘নতুন মনরো নীতি’ হিসেবে দেখছেন, যার লক্ষ্য লাতিন আমেরিকায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা। ওয়াশিংটনের দৃষ্টিতে, ভেনেজুয়েলার সঙ্গে চীন, রাশিয়া ও ইরানের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কৌশলগত হুমকি। বর্তমানে ভেনেজুয়েলার বড় একটি অংশের তেল চীনে রপ্তানি হয়, যার অনেক ট্যাংকার যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছে। মনরো নীতি (Monroe

Doctrine) হলো ১৮২৩ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জেমস মনরো কর্তৃক ঘোষিত একটি পররাষ্ট্র নীতি, যার মূল কথা হলো আমেরিকা মহাদেশে ইউরোপীয় ঔপনিবেশিকতা বা হস্তক্ষেপের বিরোধিতা করা এবং পশ্চিম গোলার্ধে ইউরোপীয় হস্তক্ষেপকে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে শত্রুতা হিসেবে গণ্য করা। এর প্রধান নীতিগুলো হলো : আমেরিকা মহাদেশে নতুন কোনো ইউরোপীয় উপনিবেশ স্থাপন করা যাবে না, ইউরোপীয়দের বর্তমান উপনিবেশগুলোতে যুক্তরাষ্ট্র হস্তক্ষেপ করবে না এবং যুক্তরাষ্ট্র ইউরোপীয় রাজনীতিতে নিরপেক্ষ থাকবে, কিন্তু আমেরিকা মহাদেশে ইউরোপীয় হস্তক্ষেপ হলে যুক্তরাষ্ট্র পাল্টা ব্যবস্থা নেবে। আর এই নীতিকে নতুন মাত্রা দিয়ে সম্প্রসারণ করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যেটিকে বিশ্লেষকরা ‘নতুন মনরো নীতি’ বলে অভিহিত করছেন। মেক্সিকোতে অবস্থানরত ভেনেজুয়েলান রাজনৈতিক বিশ্লেষক কার্লোস পিনা

বলেছেন, এই হামলা ট্রাম্প ও মাদুরোর মধ্যকার উত্তেজনায় একটি ‘অস্বাভাবিক ও গুরুত্বপূর্ণ মোড়’। তিনি বলেন, স্থল অভিযানের হুমকি বাস্তবে রূপ নিয়েছে, যা প্রমাণ করে ট্রাম্প মাদুরোর ওপর সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগে প্রস্তুত। পিনার মতে, কৌশলগত হামলার পর দেশটি এখন ‘চাপা উত্তেজনার শান্ত অবস্থায়’ রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র নো-ফ্লাই জোন জারি করেছে এবং ভেনেজুয়েলা সরকার আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েন করেছে। তবে এখন পর্যন্ত সরকার শুধু যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসনের নিন্দা জানিয়েছে, নতুন কোনো সামরিক পদক্ষেপ ঘোষণা করেনি। কী হচ্ছে ভেনেজুয়েলায় আল জাজিরার কারাকাসে অবস্থানরত সংবাদদাতা জানিয়েছেন, ভেনেজুয়েলার রাজধানীতে একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে এবং আকাশে ধোঁয়ার কুণ্ডলী উঠতে দেখা গেছে। একই সময় রয়টার্স সংবাদ সংস্থা জানায়, শনিবার ভোরে রাজধানী শহর

কারাকাসে জোরালো বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায় বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন। অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়, কারাকাসে অন্তত ৭টি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে এবং শহরের ওপর দিয়ে নিচু উচ্চতায় যুদ্ধবিমান উড়তে দেখা গেছে। বিস্ফোরণের পর রাজধানীর দক্ষিণাঞ্চলের একটি বড় সামরিক ঘাঁটির আশপাশে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায় বলে জানা গেছে। ভেনেজুয়েলা সরকারের আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, কেবল রাজধানী কারাকাস নয়; মিরান্ডা, আরাগুয়া ও লা গুয়ারা রাজ্যেও বেসামরিক ও সামরিক স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে। সরকার জানিয়েছে, এসব হামলাকে তারা যুক্তরাষ্ট্রের ‘সামরিক আগ্রাসন’ হিসেবে প্রত্যাখ্যান ও নিন্দা জানাচ্ছে। সরকারি বক্তব্যে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র এই হামলা চালিয়েছে ভেনেজুয়েলার তেল ও খনিজ সম্পদ দখলের উদ্দেশ্যে। তবে কারাকাস স্পষ্টভাবে ঘোষণা

করেছে, এ ধরনের প্রচেষ্টা কোনোভাবেই সফল হবে না। হামলার পর প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো দেশে জাতীয় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন। সরকার জানায়, সংবিধান ও জাতীয় নিরাপত্তা আইনের আলোকে যথাযথ সময় ও পরিস্থিতিতে জাতীয় প্রতিরক্ষা পরিকল্পনা বাস্তবায়নের নির্দেশ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট। মাদুরো ঠিক কখন এ নির্দেশ জারি করেন তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে। কারণ, যুক্তরাষ্ট্রের দাবি অনুযায়ী তিনি মার্কিনিদের হাতে বন্দি। নিকোলাস মাদুরো কে? নিকোলাস মাদুরো ২০১৩ সাল থেকে ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট। হুগো শ্যাভেজের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে তিনি আগে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পরে ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলেন। শ্যাভেজের মৃত্যুর পর তিনি ক্ষমতায় আসেন। মাদুরো নিজেকে সমাজতান্ত্রিক প্রকল্পের রক্ষক হিসেবে তুলে ধরেন এবং যুক্তরাষ্ট্রকে ভেনেজুয়েলার অস্থিতিশীলতার জন্য দায়ী করেন। তবে পশ্চিমা দেশ

ও বিরোধীরা তাকে কর্তৃত্ববাদী শাসন, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান দুর্বল করা এবং নির্বাচন প্রক্রিয়ায় কারচুপির অভিযোগে অভিযুক্ত করে। ২০২৪ সালের নির্বাচনে তার বিজয় যুক্তরাষ্ট্রসহ বহু দেশ স্বীকৃতি দেয়নি। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলায় ‘বড় পরিসরের হামলা’ চালিয়েছে। তিনি তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে বলেন, অভিযানের সময় প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রীকে আটক করে দেশ থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ট্রাম্পের দাবি অনুযায়ী, এই অভিযান যুক্তরাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে পরিচালিত হয়েছে। তবে এ বিষয়ে পেন্টাগন কোনো মন্তব্য করেনি। মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর সব প্রশ্ন হোয়াইট হাউসের দিকে পাঠিয়েছে বলে সিবিএস নিউজ জানিয়েছে। ‘ঔপনিবেশিক যুদ্ধ’ ও আত্মরক্ষার অধিকার ভেনেজুয়েলার প্রতিরক্ষামন্ত্রী ভ্লাদিমির পাদ্রিনো লোপেজ শনিবার ভোরে স্প্যানিশ ভাষায় দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় জানান, দেশের সব সশস্ত্র বাহিনী তাৎক্ষণিকভাবে মোতায়েন করা হবে। তিনি বলেন, ভেনেজুয়েলা তার ইতিহাসে ‘সবচেয়ে ভয়াবহ আগ্রাসনের’ মুখোমুখি হয়েছে এবং প্রেসিডেন্ট মাদুরোর নির্দেশ অনুযায়ী সেনাবাহিনী পূর্ণ প্রস্তুতিতে রয়েছে। প্রতিরক্ষামন্ত্রীর ভাষায়, ‘তারা আমাদের ওপর হামলা করেছে, কিন্তু তারা আমাদের দমন করতে পারবে না।’ তিনি আরও বলেন, ভেনেজুয়েলা বিদেশি সেনা উপস্থিতি কোনোভাবেই মেনে নেবে না এবং দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সর্বোচ্চ প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে। হামলায় বেসামরিক এলাকাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন এবং হতাহতদের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে বলে জানান। ভেনেজুয়েলা সরকার এক বিবৃতিতে বলেছে, এই আগ্রাসন আন্তর্জাতিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য গুরুতর হুমকি, বিশেষ করে লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলে। সরকার এটিকে ‘ঔপনিবেশিক যুদ্ধ’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে বলেছে, সরকার পরিবর্তনের যেকোনো চেষ্টা ব্যর্থ হবে। জাতিসংঘ সনদের ৫১ নম্বর অনুচ্ছেদের কথা উল্লেখ করে ভেনেজুয়েলা আত্মরক্ষার অধিকার সংরক্ষণের কথা জানিয়েছে। প্রয়াত প্রেসিডেন্ট হুগো শ্যাভেজের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, ‘দেশ রক্ষার একমাত্র পথ হলো ঐক্য, সংগ্রাম ও বিজয়।’ তবে যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া ভেনেজুয়েলার পক্ষে কতটা সম্ভব তা নিয়ে প্রশ্ন থেকে যায়।প্রাকৃতিক সম্পদে সমৃদ্ধ হলেও ভেনেজুয়েলা দীর্ঘদিন ধরে তীব্র অর্থনৈতিক সংকটে রয়েছে। তেলের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা, ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা এবং যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার ফলে দেশটি মূল্যস্ফীতি, বেকারত্ব, দারিদ্র্য ও খাদ্যসংকটে পড়েছে। এই পরিস্থিতির কারণে লাখ লাখ মানুষ দেশ ছেড়ে চলে গেছে, যা একটি বড় আঞ্চলিক অভিবাসন সংকটে রূপ নিয়েছে। নতুন এ যুদ্ধ তীব্র মানবিক সংকট তৈরি করতে পারে বলে ইতিমধ্যে বিশ্লেষকরা সতর্কবার্তা দিচ্ছেন। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপ ভেনেজুয়েলা ও গোটা অঞ্চলে দীর্ঘমেয়াদি অস্থিরতা তৈরি করতে পারে। অতীতে ইরাকসহ বিভিন্ন দেশে বলপ্রয়োগের মাধ্যমে সরকার পরিবর্তনের চেষ্টা বহু বছরের বিশৃঙ্খলা ডেকে এনেছে। ভেনেজুয়েলার ক্ষেত্রেও একই ধরনের পরিণতির আশঙ্কা প্রকাশ করছেন তারা। সূত্র : আল জাজিরায় প্রকাশিত লুসিয়া নিউম্যান ও উরুবা জামালের পৃথক প্রতিবেদন অনুসারে

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
জামিন পাওয়ার পরও যদি জেলগেট থেকেই আবার ভুয়া মামলা দিয়ে গ্রেফতার করা হয় ঘুষের বিনিময়ে দেশ বিক্রির রাজনীতির নামই ছিল বিএনপি–জামায়াত জুলাই–আগস্টে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের যারা শহীদ হয়েছেন, তাদের বিষয়ে সুশীল সমাজ চুপ কেন? Bail, Then Re-Arrested: Prison Gates Turned Into Tools of Political Vengeance গ্যাস সংকটে ক্ষুব্ধ জনতা, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ বাঙালি জাতির মুক্তির নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ডাকে জন্ম নিয়েছিল স্বাধীন বাংলাদেশ রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান Biased Election, Broken Democracy এক সপ্তাহে ৮ বার অগ্নিসংযোগ: মিরসরাইয়ে ‘টার্গেট’ হিন্দু পরিবার, আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটছে জাফরাবাদের রাজধানীতে ভুয়া ডিবি পরিচয়ে যুবলীগ নেতাকে তুলে নিয়ে রাতভর পৈশাচিক নির্যাতন: ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণের অভিযোগ ভোট চাওয়ার সময় নাই!”—সাধারণ মানুষের প্রশ্নের মুখে পালিয়ে বাঁচলেন বিএনপি কর্মী নাইকো কেলেঙ্কারি: তারেক মামুনের কারণে টেংরাটিলায় বিলিয়ন ডলারের গ্যাস ক্ষতি নাইকোর বিরুদ্ধে জয়: বিএনপি–জামায়াতের ঘুষের রাজনীতির আন্তর্জাতিক দণ্ড বাংলাদেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর সহিংসতা, ২০২৫ সালে উর্ধ্বমুখী সংকট, ভাষার মাস ফেব্রুয়ারি বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলির নির্দেশ দেননি শেখ হাসিনা’—জয়ের দাবির পক্ষে জোরালো যুক্তি বার্গম্যানের চট্টগ্রাম বন্দর কার জন্য? এনসিটি ইস্যুতে জনগণের স্বার্থবিরোধী সিদ্ধান্ত ও রাষ্ট্রীয় দায় গণভোটে সরকারি প্রচারণা ও রিট পিটিশন ১২০১/২০২৬: আইন লঙ্ঘন নাকি নজির? বিতর্কের মধ্যেই ‘হ্যাঁ’ ভোটের জয় ভোটের অধিকার যদি থাকবেই, তবে পছন্দমতো দিতে পারি না কেন? বিনা চিকিৎসায় চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে আ.লীগ নেতা আব্দুর রহমান মিয়া’র মৃত্যু