
ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর

ট্রাম্পের শুল্কে ওলটপালটের শঙ্কা বিশ্ব অর্থনীতির

ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত ময়মনসিংহের ইয়াসিন

গাজায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় নিহত ১৫

কাছে, তবু দূরে…, নৈশভোজে পাশাপাশি বসেও কথা হল না মোদি-ইউনুসের

ভারতে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত, পাইলট নিহত

‘বাণিজ্য যুদ্ধে কেউ জয়ী হয় না’, ইইউর সতর্কবার্তা

বাংলাদেশের নাম উচ্চারণ করে যা বললেন ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক অন্যদের আরোপিত শুল্কের ‘প্রায় অর্ধেক’, বললেন ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিশ্বের প্রায় ১০০টি দেশের ওপর নতুন করে শুল্কারোপ করেছেন। হাতেগোনা অনুগত কয়েকটি রাষ্ট্রের উপর বেসলাইন শুল্কারোপ করে বিশেষ সুবিধা দিয়েছেন। চীন, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া এবং ইউরোপের কয়েকটি রাষ্ট্রের পর বড় অংকের শুল্কারোপ করেছেন তিনি।
ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, অন্যান্য দেশ যুক্তরাষ্ট্রকে 'বাজেভাবে' ব্যবহার করেছে এবং আমেরিকান পণ্যের ওপর অসম শুল্ক আরোপ করেছে।
এটিকে তিনি 'প্রতারণার' সঙ্গে তুলনা করেছেন।
অন্যান্য দেশ অসম শুল্ক আরোপ করার কারণে যুক্তরাষ্ট্রও তাদের ওপর এই পাল্টা শুল্ক আরোপ করছে।
তবে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের আরোপিত শুল্ক অন্যদের আরোপিত শুল্কের 'প্রায় অর্ধেক'।
‘সেই হিসাবে পুরোপুরি পাল্টা শুল্ক হচ্ছে না। তবে হ্যাঁ, আমি তা করতে পারতাম। কিন্তু এটি করলে অনেক দেশের
জন্য কঠিন হয়ে যেত। আমি তা করতে চাইনি,’-যোগ করেন ট্রাম্প। শুল্কারোপের ট্রাম্প তার বক্তব্যে বারবার উল্লেখ করেন যে এটি যুক্তরাষ্ট্রের "মুক্তির দিন"। এই দিনটির জন্য যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষা করছিলো বলেও জানান। তিনি বলেন, আজকের দিনটি আমেরিকান শিল্পের "পুনর্জন্মের" দিন এবং আজ আমেরিকা "পুনরায় সম্পদশালী" হলো। এই শুল্কারোপের বিষয়ে ট্রাম্পের যুক্তি হচ্ছে- নতুন এই 'রিসিপ্রোকাল ট্যারিফ' বা পাল্টা শুল্ক ব্যবস্থা যুক্তরাষ্ট্রকে 'আবার সম্পদশালী' করবে। ধারণা করা হচ্ছে- নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে প্রায় ১০০টি দেশের ওপর আরোপ করা এই শুল্ক বিশ্বব্যাপী অর্থনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। যুক্তরাষ্ট্র লাভবান হলেও ক্ষতিগ্রস্ত হবে অন্য দেশগুলোর বাণিজ্য। অনেক দেশ ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তকে 'বাণিজ্য যুদ্ধ' হিসেবে আখ্যায়িত করছে। বিশ্ব নেতারা
এই শুল্ক প্রত্যাখ্যান করেছেন। ১০ শতাংশ বেসলাইন শুল্ক প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কিছু দেশের ওপর ‘বেসলাইন শুল্ক’ আরোপ করেন। এই হার ১০ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে এবং ৫ এপ্রিল থেকে কার্যকর হবে। দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে—যুক্তরাজ্য, সিঙ্গাপুর, ব্রাজিল, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, তুরস্ক, কলম্বিয়া, আর্জেন্টিনা, এল সালভাদর, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরব। ‘সবচেয়ে খারাপ দুষ্কৃতকারীদের’ জন্য কাস্টম শুল্ক হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তারা বলেছেন, ‘সবচেয়ে খারাপ দুষ্কৃতকারী’ ৬০ দেশের ওপর সুনির্দিষ্ট পারস্পরিক শুল্ক আরোপ করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প, যা ৯ এপ্রিল থেকে কার্যকর হবে। কর্মকর্তারা আরও বলেন, এই দেশগুলো মার্কিন পণ্যে উচ্চ শুল্ক আরোপ করে, মার্কিন বাণিজ্যে ‘শুল্ক-বহির্ভূত’ বাধা আরোপ করে অথবা আমেরিকান অর্থনৈতিক লক্ষ্যগুলোকে দুর্বল করতে কাজ করে। এই
বিভাগের আওয়তায় থাকা প্রধান বাণিজ্যিক অংশীদার দেশের মধ্যে রয়েছে—ইউরোপীয় ইউনিয়নের ওপর ২০ শতাংশ, চীনের ওপর ৫৪ শতাংশ, ভিয়েতনামের ওপর ৪৬ শতাংশ, থাইল্যান্ডের ওপর ৩৬ শতাংশ, জাপানের ওপর ২৪ শতাংশ, কম্বোডিয়ার ওপর ৪৯ শতাংশ, দক্ষিণ আফ্রিকার পণ্যে ৩০ শতাংশ ও তাইওয়ানের পণ্যে ৩২ শতাংশ। কানাডা ও মেক্সিকোর প্রতি সহানুভূতি গতকাল বুধবার ট্রাম্প তার ঘোষণায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দুই বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদার কানাডা ও মেক্সিকোর নাম উল্লেখ করেননি। যদিও মেক্সিকোর সঙ্গে সীমান্ত বিরোধ রয়েছে। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে পূর্ববর্তী নির্বাহী আদেশ বজায় থাকবে, যাতে ফেন্টানাইল এবং সীমান্ত সংকট সমাধানের প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে দুটি দেশের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছিল। গাড়ি আমদানিতে
২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ এ ছাড়া প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বিদেশে তৈরি সব অটোমোবাইলের বা গাড়ি আমদানিতে ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেন। এই শুল্ক ৩ এপ্রিল মধ্যরাত থেকে কার্যকর হবে
জন্য কঠিন হয়ে যেত। আমি তা করতে চাইনি,’-যোগ করেন ট্রাম্প। শুল্কারোপের ট্রাম্প তার বক্তব্যে বারবার উল্লেখ করেন যে এটি যুক্তরাষ্ট্রের "মুক্তির দিন"। এই দিনটির জন্য যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষা করছিলো বলেও জানান। তিনি বলেন, আজকের দিনটি আমেরিকান শিল্পের "পুনর্জন্মের" দিন এবং আজ আমেরিকা "পুনরায় সম্পদশালী" হলো। এই শুল্কারোপের বিষয়ে ট্রাম্পের যুক্তি হচ্ছে- নতুন এই 'রিসিপ্রোকাল ট্যারিফ' বা পাল্টা শুল্ক ব্যবস্থা যুক্তরাষ্ট্রকে 'আবার সম্পদশালী' করবে। ধারণা করা হচ্ছে- নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে প্রায় ১০০টি দেশের ওপর আরোপ করা এই শুল্ক বিশ্বব্যাপী অর্থনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। যুক্তরাষ্ট্র লাভবান হলেও ক্ষতিগ্রস্ত হবে অন্য দেশগুলোর বাণিজ্য। অনেক দেশ ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তকে 'বাণিজ্য যুদ্ধ' হিসেবে আখ্যায়িত করছে। বিশ্ব নেতারা
এই শুল্ক প্রত্যাখ্যান করেছেন। ১০ শতাংশ বেসলাইন শুল্ক প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কিছু দেশের ওপর ‘বেসলাইন শুল্ক’ আরোপ করেন। এই হার ১০ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে এবং ৫ এপ্রিল থেকে কার্যকর হবে। দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে—যুক্তরাজ্য, সিঙ্গাপুর, ব্রাজিল, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, তুরস্ক, কলম্বিয়া, আর্জেন্টিনা, এল সালভাদর, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরব। ‘সবচেয়ে খারাপ দুষ্কৃতকারীদের’ জন্য কাস্টম শুল্ক হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তারা বলেছেন, ‘সবচেয়ে খারাপ দুষ্কৃতকারী’ ৬০ দেশের ওপর সুনির্দিষ্ট পারস্পরিক শুল্ক আরোপ করেছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প, যা ৯ এপ্রিল থেকে কার্যকর হবে। কর্মকর্তারা আরও বলেন, এই দেশগুলো মার্কিন পণ্যে উচ্চ শুল্ক আরোপ করে, মার্কিন বাণিজ্যে ‘শুল্ক-বহির্ভূত’ বাধা আরোপ করে অথবা আমেরিকান অর্থনৈতিক লক্ষ্যগুলোকে দুর্বল করতে কাজ করে। এই
বিভাগের আওয়তায় থাকা প্রধান বাণিজ্যিক অংশীদার দেশের মধ্যে রয়েছে—ইউরোপীয় ইউনিয়নের ওপর ২০ শতাংশ, চীনের ওপর ৫৪ শতাংশ, ভিয়েতনামের ওপর ৪৬ শতাংশ, থাইল্যান্ডের ওপর ৩৬ শতাংশ, জাপানের ওপর ২৪ শতাংশ, কম্বোডিয়ার ওপর ৪৯ শতাংশ, দক্ষিণ আফ্রিকার পণ্যে ৩০ শতাংশ ও তাইওয়ানের পণ্যে ৩২ শতাংশ। কানাডা ও মেক্সিকোর প্রতি সহানুভূতি গতকাল বুধবার ট্রাম্প তার ঘোষণায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দুই বৃহত্তম বাণিজ্য অংশীদার কানাডা ও মেক্সিকোর নাম উল্লেখ করেননি। যদিও মেক্সিকোর সঙ্গে সীমান্ত বিরোধ রয়েছে। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে পূর্ববর্তী নির্বাহী আদেশ বজায় থাকবে, যাতে ফেন্টানাইল এবং সীমান্ত সংকট সমাধানের প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে দুটি দেশের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছিল। গাড়ি আমদানিতে
২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ এ ছাড়া প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বিদেশে তৈরি সব অটোমোবাইলের বা গাড়ি আমদানিতে ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেন। এই শুল্ক ৩ এপ্রিল মধ্যরাত থেকে কার্যকর হবে