যমুনায় বসে গবেষণার বিলাসিতা ও সার্বভৌমত্ব বিক্রির নীল নকশা: কার স্বার্থে এই মহাপরিকল্পনা? – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৮ জানুয়ারি, ২০২৬

যমুনায় বসে গবেষণার বিলাসিতা ও সার্বভৌমত্ব বিক্রির নীল নকশা: কার স্বার্থে এই মহাপরিকল্পনা?

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৮ জানুয়ারি, ২০২৬ |
বিশেষ কলাম । মোঃ রনি হোসেন । বাংলাদেশে যখন বিদ্যুৎ বিলের রিচার্জ করলেই টাকা উধাও হয়, যখন গ্যাসের সিলিন্ডার সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে, ঠিক তখনই রাষ্ট্রীয় অতিথিভবন যমুনায় বসে গবেষণা ইনস্টিটিউশন গঠনের নির্দেশ দেন দেশের প্রধান বাটপার সুদখোর ইউনূস। এই বাটপারের কর্মকাণ্ড দেখতে ও শুনতে মহৎ মনে হলেও বাস্তবে তা ভয়ংকর কারণ বাংলাদেশে মহাপরিকল্পনা, রিফর্ম আর গবেষণা এই শব্দগুলো দীর্ঘ দেড় বছর ধরে ব্যবহার হয়েছে রাষ্ট্রীয় সম্পদ বেসরকারিকরণ ও বিদেশি স্বার্থের দরজা খুলতে। তাহলে প্রশ্ন একটাই এই গবেষণা কাদের জন্য? নুনুস সরকারের ঘোষিত বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মহাপরিকল্পনা (২০২৬–২০৫০) কাগজে কলমে দেশীয় সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহারের কথা বললেও বাস্তবে এর ভেতরে লুকিয়ে আছে এক

ভয়াবহ চক্রান্ত। এগুলো হলো বন্দর বিক্রি, জ্বালানি আমদানি নির্ভরতা বৃদ্ধি, এবং কৌশলগত সম্পদে বিদেশি নিয়ন্ত্রণ। এই দেশ দেড় বছরে ইতোমধ্যে দেখেছে, ক্যাপাসিটি চার্জের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা লুট। নিজস্ব গ্যাস অনুসন্ধান উপেক্ষা করে LNG আমদানির দাসত্ব। বন্দরের ব্যবস্থাপনা বিদেশি কনসোর্টিয়ামের হাতে তুলে দেওয়ার চেষ্টা। এখন প্রশ্ন হলো এই নতুন গবেষণা ইনস্টিটিউশন কি সেই একই এজেন্ডার আরেকটি নতুন সংস্করণ? ৫ই আগস্ট পরবর্তী ইউনূস মডেলের সবচেয়ে ভয়ংকর দিক হলো দেশের জনগণের মতামতকে অপ্রয়োজনীয় মনে করা ও দেশকে আন্তর্জাতিক এনজিও, দাতা সংস্থা ও কর্পোরেট কনসালট্যান্টদের হাতে নীতি তুলে দেওয়া। রাষ্ট্র কি কোনো গ্রামীণ ব্যাংকের বোর্ডরুম? দেশের বন্দর, বিদ্যুৎ, জ্বালানি কি তার বাপের সম্পত্তি? ২০২৬

থেকে ২০৫০ এই দীর্ঘ সময়সীমার পরিকল্পনা মানে হলো; আজকের অনির্বাচিত সিদ্ধান্ত দিয়ে আগামী প্রজন্মকে চুক্তি, ঋণ ও নির্ভরতার জালে বন্দি করা। বাটপার ইউনুস ক্ষমতা দখলের পর থেকেই এমন মহাপরিকল্পনা হচ্ছে দেশে। চাহিদা বাড়িয়ে দেখানো হয়েছে, নবায়নযোগ্য শক্তিকে সাইডলাইনে রাখা হয়েছে, বিদেশিদের প্রেস্ক্রিপশন হুবহু নীতিতে পরিণত করেছে এই বাটপার৷ তাহলে এবার কী যাওয়ার আগে ইউনুস পরিবেশের কথা বলে কর্পোরেট জায়ান্টসদের হাতে দেশ দিয়ে বিদায় নিতে চাচ্ছে? বিশ্ববাসী দেখেছে পরিবেশগত দায়বদ্ধতা এই শব্দ এখন আন্তর্জাতিক কর্পোরেট আগ্রাসনের সবচেয়ে সুন্দর মোড়ক। কার্বন ক্রেডিট, গ্রিন ফান্ড, ক্লাইমেট ফাইন্যান্স এসবের আড়ালে উন্নয়নশীল দেশগুলোকে নতুনভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। ইউনূসের আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক এই ব্যবস্থার সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত এটা

কোনো গুজব নয়। তাই প্রশ্নটা সরাসরি পরিবেশ রক্ষার নামে কি বাংলাদেশের জ্বালানি সার্বভৌমত্ব বিক্রি হচ্ছে? বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের সমস্যা গবেষণার অভাবে নয়। সমস্যা হলো গোপন চুক্তি, বিদেশি চাপ, রাজনৈতিক দায়হীনতা এবং এলিটদের রাষ্ট্রকে কর্পোরেট সম্পত্তি ভাবা। বাটপার ইউনূস যদি সত্যিই জনগণের পক্ষে হয়, তবে তার সব চুক্তি প্রকাশ করতে হবে, দেশের জনগণের তথ্য প্রাপ্তির অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। বন্দর ও জ্বালানি খাতে বিদেশি নিয়ন্ত্রণের পরিসীমা স্পষ্ট করতে হবে। সভাপতি রাঙামাটি জেলা ছাত্রলীগ ।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
নতুন প্রেমে পড়েছেন প্রভা? হাম উপসর্গে ৮ জনের মৃত্যু মমতাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাওয়া সায়নী ঘোষ এবার বিদ্রোহী শিবিরে যেসব কারণে খালাস পেলেন ক্রিকেটার নাসির ও তার স্ত্রী তামিমা বিশ্বকাপে প্রথম মুখোমুখি হতে পারেন মেসি-রোনালদো সাইবার সুরক্ষা আইনে কন্টেন্ট অপসারণসহ যেসব বড় পরিবর্তন আসছে আ.লীগ ও ছাত্রলীগের দুই নেতা গ্রেফতার কিশোরীকে ধর্ষণ-হত্যার জেরে আসামির বাড়িতে আগুন, নিহত ৩ জনই প্রতিবেশী বয়স, লিগ ও তারকার হিসাব-নিকাশে বিশ্বকাপের চিত্র যেমন তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে, তারপরেই আমি অবসর নেব – দৃপ্ত শপথ শেখ হাসিনা’র আপিলের সুযোগ শেষ, ত্রুটিপূর্ণ বিচারিক প্রক্রিয়ায় প্রশ্ন রেখেই রায় কার্যকরের পথে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল! ২১ বছর পর ওয়ানডে-তে অস্ট্রেলিয়া বধ কক্সবাজারে মা ও স্কুল পড়ুয়া মেয়েকে ১০ জন মিলে গণধর্ষণ, আইসিইউতে কিশোরী হারাম পণ্যে আরোপিত হালাল ট্যাক্স — উচ্চাভিলাষী বাজেটে রাজস্ব আদায়ে মরিয়া সরকার ধর্ষণের শিকার নারীরা কেন নীরব থাকেন? বাংলাদেশে ছাত্র নিপীড়নঃ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন-কে হত্যা নোয়াখালীতে মিছিলকারী আওয়ামী লীগ কর্মীকে গুলি- বিএনপি-জামাইয়াতের আওয়ামীলীগ নিধনের নীলনকশা ১৯৭০ বিশ্বকাপ ফাইনালের স্মৃতিচারণ করলেন কিংবদন্তি ব্রাজিলিয়ান রিভেলিনো অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ইতিহাস গড়ার সামনে টাইগাররা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের লোভে ৭ ব্যাংকে জিম্মি শিক্ষকদের সারাজীবনের সঞ্চয়