ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ট্রাম্প-এরদোগান ফোনালাপ, কথা হলো যেসব বিষয়ে
ইউরেনিয়াম বিদেশে যাবে না, মোজতবা খামেনির নির্দেশ
ধারণার চেয়েও দ্রুত সামরিক সক্ষমতা ও ড্রোন উৎপাদন বাড়াচ্ছে ইরান
নানা কৌশলেও হরমুজ সচল করতে পারেনি আমেরিকা, দাবি ইরানের
হরমুজে জাহাজ চলাচলে নতুন শর্ত আরোপ করল ইরান
বাংলাদেশ বিমানবাহিনীতে টিটিপি-আইএসআইএস-কে’র গোপন নেটওয়ার্ক! পেশোয়ার থেকে সতর্কতা!
ভদকা, বুলেট ট্রেন ও রান্না: যেভাবে গড়ে ওঠে শি-পুতিনের বন্ধুত্ব
‘মিল্টন’ ধেয়ে আসছে, কোথায় আঘাত হানবে?
‘হেলেনের’ পর এবার যুক্তরাষ্ট্রের দিকে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘মিল্টন’।
এটি চলতি সপ্তাহের মাঝামাঝি সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার উপকূলে আঘাত হানতে পারে। আঘাত করার আগে দ্রুত একটি বড় হারিকেনে পরিণত হতে পারে।
রোববার ফ্লোরিডার বাসিন্দাদের এ বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে ভয়েস অব আমেরিকা।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রোববার ভোরে গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ঝড় ‘মিল্টন’ ফ্লোরিডার টেম্পা থেকে প্রায় ১ হাজার ৩৮৫ কিলোমিটার পশ্চিম-দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছিল বলে জানিয়েছে মিয়ামির ন্যাশনাল হারিকেন সেন্টার। পরবর্তীতে এটি ঘণ্টায় ৭ কিলোমিটার বেগে পূর্বদিকে অগ্রসর হয়। তবে ঝড়টি ঘণ্টায় ৯৫ কিলোমিটার গতি নিয়ে ঘুরপাক খাচ্ছে।
ঘূর্ণিঝড় ‘মিল্টন’ ঠিক কোথায় আঘাত হানবে তা স্পষ্ট করে বলা না গেলে এটি ফ্লোরিডায়
কঠোরভাবে আঘাত হানবে বলে জানিয়েছেন ফ্লোরিডার গভর্নর রন ডিস্যান্টিস। সেই সঙ্গে আঘাত হানা সম্ভাব্য অঞ্চলগুলো থেকে সোম ও মঙ্গলবারের (৭-৮ অক্টোবর) মধ্যে বাসিন্দাদের বাধ্যতামূলক ও স্বেচ্ছাসেবীদের মাধ্যমে সরিয়ে নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। এর আগে গত মাসের শেষদিকে ফ্লোরিডার বিগ বেন্ড উপকূলে আঘাত হানে হারিকেন হেলেন। ওই সময় বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১৪০ মাইল। হারিকেনের তাণ্ডবে প্রাণহানির পাশাপাশি বিগ বেন্ড ও আশপাশের এলাকার অসংখ্য গাছপালা ও বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে পড়ে। সেই সঙ্গে বহু ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি শত শত রাস্তা ডুবে যায়।
কঠোরভাবে আঘাত হানবে বলে জানিয়েছেন ফ্লোরিডার গভর্নর রন ডিস্যান্টিস। সেই সঙ্গে আঘাত হানা সম্ভাব্য অঞ্চলগুলো থেকে সোম ও মঙ্গলবারের (৭-৮ অক্টোবর) মধ্যে বাসিন্দাদের বাধ্যতামূলক ও স্বেচ্ছাসেবীদের মাধ্যমে সরিয়ে নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। এর আগে গত মাসের শেষদিকে ফ্লোরিডার বিগ বেন্ড উপকূলে আঘাত হানে হারিকেন হেলেন। ওই সময় বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১৪০ মাইল। হারিকেনের তাণ্ডবে প্রাণহানির পাশাপাশি বিগ বেন্ড ও আশপাশের এলাকার অসংখ্য গাছপালা ও বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে পড়ে। সেই সঙ্গে বহু ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি শত শত রাস্তা ডুবে যায়।



