ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী শিক্ষককে ছুরিকাঘাতে হত্যা
ছেলে ছাত্রলীগ নেতা, বিএনপি নেতাদের চাপে সম্পর্ক ছিন্ন করতে পরিবারের হলফনামা
কুষ্টিয়ায় জেলা প্রশাসকের বদলির প্রতিবাদে জামায়াত-সমর্থিত বিক্ষোভ: জাতীয় নির্বাচনে সহয়তাই জনপ্রিয়তার কারন!
চুয়াডাঙ্গায় বিএনপির কর্মীদের বেদম পিটুনিতে জামায়াতের আমির আইসিইউতে, ভাই নিহত
টিকটকে পরিচয়, রাজশাহীতে প্রেমিকের খোঁজে এসে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার ময়মনসিংহের তরুণী
কুষ্টিয়া আইনজীবী সমিতির নির্বাচন: সভাপতিসহ ৬ পদে আওয়ামীপন্থীরা জয়ী
গাইবান্ধায় নিজ বসতঘরে প্রাথমিক শিক্ষিকার হাত পা বাঁধা লাশ, মিলেছে ধর্ষণের আলামত
মিয়ানমার সীমান্তে গুলিবিদ্ধ শিশু হুজাইফা আর নেই
মিয়ানমার সীমান্ত থেকে ছোড়া গুলিতে গুরুতর আহত টেকনাফের সেই শিশু হুজাইফা আফনান (১২) আর নেই। দীর্ঘ ২৭ দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করার পর তিনি মারা গেছেন।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে। সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটে রাজধানীর জাতীয় ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্স ও হাসপাতালে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নিহত শিশুটির চাচা শওকত আলী।
তিনি জানান, হুজাইফার মরদেহ গ্রামের বাড়িতে নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে এবং তিনি সবার কাছে ভাতিজির জন্য দোয়া কামনা করেন।
এর আগে গত ১১ জানুয়ারি সকালে কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের তেচ্ছিব্রিজ এলাকায় মিয়ানমার সীমান্তের ওপার থেকে আসা গুলিতে গুরুতর আহত হয় হুজাইফা আফনান। সে
স্থানীয় জসিম উদ্দিনের কন্যা। ঘটনার পরপরই তাকে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়। তবে অবস্থার অবনতি হলে একই দিন সন্ধ্যা ৬টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি করা হয়। দুই দিন পর, ১৩ জানুয়ারি বিকেলে মাথায় বিদ্ধ গুলিটি অপসারণ করা সম্ভব না হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অ্যানেসথেসিয়া ও আইসিইউ বিভাগের প্রধান অধ্যাপক হারুন অর রশিদ সে সময় গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, অস্ত্রোপচার করা হলেও ঝুঁকি থাকায় মস্তিষ্কে প্রবেশ করা গুলিটি বের করা সম্ভব হয়নি। তবে মস্তিষ্কের চাপ কমাতে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল। হুজাইফার মৃত্যুর খবরে টেকনাফের হোয়াইক্যং এলাকায় নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।
স্থানীয় জসিম উদ্দিনের কন্যা। ঘটনার পরপরই তাকে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়। তবে অবস্থার অবনতি হলে একই দিন সন্ধ্যা ৬টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি করা হয়। দুই দিন পর, ১৩ জানুয়ারি বিকেলে মাথায় বিদ্ধ গুলিটি অপসারণ করা সম্ভব না হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অ্যানেসথেসিয়া ও আইসিইউ বিভাগের প্রধান অধ্যাপক হারুন অর রশিদ সে সময় গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, অস্ত্রোপচার করা হলেও ঝুঁকি থাকায় মস্তিষ্কে প্রবেশ করা গুলিটি বের করা সম্ভব হয়নি। তবে মস্তিষ্কের চাপ কমাতে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল। হুজাইফার মৃত্যুর খবরে টেকনাফের হোয়াইক্যং এলাকায় নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া।



