ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মমতাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাওয়া সায়নী ঘোষ এবার বিদ্রোহী শিবিরে
ট্রাম্পের মুখে ইরানের সঙ্গে চুক্তির আভাস, কমল তেলের দাম
ইরানের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি শান্তি চুক্তির আভাস মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্টের
ইসরাইলে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা প্রতিহত করতে সহায়তা করে যুক্তরাষ্ট্র
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় বদলে গেল মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা সমীকরণ, কীভাবে?
বিশ্লেষণ।। বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র ট্রেড ডিল: কার স্বার্থে, কার বিনিময়ে?
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে অভিযান স্থগিতের ঘোষণা ইরানের
যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভ, ইরান যুদ্ধ নিয়ে ক্ষোভ
যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে স্থানীয় সময় শনিবার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ হয়েছে। কর্তৃত্ববাদী শাসন, কঠোর অভিবাসন নীতি ও ইরান যুদ্ধের প্রতিবাদ জানাতে ওই কর্মসূচিতে কয়েক লাখ মানুষ অংশ নিয়েছিলেন।
এক বছরেরও কম সময়ের মধ্যে এটি ছিল ট্রাম্পের বিরুদ্ধে তৃতীয় দফার বিক্ষোভ। ‘নো কিংস’ কর্মসূচির আওতায় এর আয়োজন করা হয়। আয়োজকদের দাবি, ৫০টি অঙ্গরাজ্যে ৩ হাজার ৩০০টির বেশি ইভেন্টে কমপক্ষে ৮০ লাখ মানুষ সমবেত হন। তবে মার্কিন কর্তৃপক্ষ জাতীয়ভাবে বিক্ষোভকারীর সংখ্যার কোনো আনুমানিক হিসাব দেয়নি।
জনবহুল শহর নিউইয়র্কে কয়েক হাজার বিক্ষোভকারী সমবেত হয়েছিলেন। সেখানে ট্রাম্পের কট্টর সমালোচক ও অস্কারজয়ী অভিনেতা রবার্ট ডি নিরো অংশ নিয়ে প্রেসিডেন্টকে স্বাধীনতা ও নিরাপত্তার জন্য হুমকি
হিসেবে অভিহিত করেন। আটলান্টা থেকে সান দিয়েগোতেও বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। দিনের শেষ দিকে আলাস্কার বাসিন্দারাও এতে যোগ দেন। আটলান্টার সমাবেশে মার্ক ম্যাককাহি নামের একজন বলেন, জনগণের সম্মতি ছাড়া কোনো দেশ শাসিত হতে পারে না। বিক্ষোভকারীরা এখানে জড়ো হয়েছে, কারণ তারা মনে করছে যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান নানাভাবে হুমকির মুখে। পরিস্থিতি আর স্বাভাবিক নেই। অনেক কিছু ঠিকঠাক চলছে না। রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে কয়েক হাজার বিক্ষোভকারী জড়ো হয়েছিলেন। তাদের অনেকের হাতে থাকা ব্যানারে ট্রাম্পের ক্ষমতা ছাড়ার দাবি ও ফ্যাসিবাদ রুখে দেওয়ার আহ্বান লেখা ছিল। ৬৭ বছর বয়সী রবার্ট পাভোসেভিচ বলেন, ট্রাম্প একের পর এক মিথ্যা বলেই যাচ্ছেন। অথচ কেউ কিছু বলছে না। মার্কিনিরা বর্তমানে এক ভয়াবহ
পরিস্থিতির মধ্যে আছে।
হিসেবে অভিহিত করেন। আটলান্টা থেকে সান দিয়েগোতেও বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। দিনের শেষ দিকে আলাস্কার বাসিন্দারাও এতে যোগ দেন। আটলান্টার সমাবেশে মার্ক ম্যাককাহি নামের একজন বলেন, জনগণের সম্মতি ছাড়া কোনো দেশ শাসিত হতে পারে না। বিক্ষোভকারীরা এখানে জড়ো হয়েছে, কারণ তারা মনে করছে যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান নানাভাবে হুমকির মুখে। পরিস্থিতি আর স্বাভাবিক নেই। অনেক কিছু ঠিকঠাক চলছে না। রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে কয়েক হাজার বিক্ষোভকারী জড়ো হয়েছিলেন। তাদের অনেকের হাতে থাকা ব্যানারে ট্রাম্পের ক্ষমতা ছাড়ার দাবি ও ফ্যাসিবাদ রুখে দেওয়ার আহ্বান লেখা ছিল। ৬৭ বছর বয়সী রবার্ট পাভোসেভিচ বলেন, ট্রাম্প একের পর এক মিথ্যা বলেই যাচ্ছেন। অথচ কেউ কিছু বলছে না। মার্কিনিরা বর্তমানে এক ভয়াবহ
পরিস্থিতির মধ্যে আছে।



