ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আদালত দখলের রাজনীতি! এজলাসে ভাঙচুর
অফিসিয়ালি বিএনপির চাঁদাবাজি যুগের সূচনা চাঁদাবাজির নতুন নাম “সমঝোতা”
ইউনূস-জাহাঙ্গীরের জোর করে দেয়া সেই ইউনিফর্ম পরতে চায় না পুলিশ
ইউনূস আমলের ভয়াবহ দুর্নীতি-চাঁদাবাজির হিসাব সামনে আনল ডিসিসিআই
রাষ্ট্রপতির বাকস্বাধীনতা কেড়ে নিয়েছিলেন ইউনূস
সংসদের বৈধতার প্রশ্ন ও রাজনৈতিক বাস্তবতা
মুক্তিযুদ্ধকে ‘জনযুদ্ধ’ বলে ছোট করতে চাইলে তারা মীর জাফর: ভাইরাল ভিডিওতে তরুণের মন্তব্য
মিয়ানমারের ড্রোন হামলার অভিযোগ: সীমান্তে যুদ্ধের শঙ্কা ও আঞ্চলিক নিরাপত্তায় ‘লাল সংকেত’
বাংলাদেশ–মিয়ানমার সীমান্ত পরিস্থিতি মানবিক ও কূটনৈতিক সংকটের গণ্ডি পেরিয়ে এখন সরাসরি আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য ‘লাল সংকেত’ হিসেবে দেখা দিয়েছে। মিয়ানমার সরকারের সাম্প্রতিক অভিযোগ—বাংলাদেশের ভূখণ্ড ব্যবহার করে তাদের সেনাবাহিনীর ওপর ড্রোন হামলা চালানো হচ্ছে—পরিস্থিতিকে এক বিপজ্জনক মোড়ে নিয়ে গেছে। নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা আশঙ্কা করছেন, এই উত্তেজনা যেকোনো সময় বড় ধরনের সংঘাতে বা যুদ্ধের রূপ নিতে পারে।
সম্প্রতি মিয়ানমার সেনাবাহিনী অভিযোগ করেছে, বাংলাদেশের কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও সীমান্ত সংলগ্ন এলাকা ব্যবহার করে বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন আরসা (ARSA) তাদের ওপর সশস্ত্র হামলা চালাচ্ছে। বিশেষ করে আধুনিক প্রযুক্তির ড্রোন ব্যবহার করে হামলা চালানোর বিষয়টি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। মিয়ানমারের দাবি অনুযায়ী, এসব হামলায় তুরস্কে নির্মিত ‘কামিকাজে’
ড্রোনের ব্যবহার এবং বিচ্ছিন্নতাবাদীদের লজিস্টিক সহায়তা দেওয়ার অভিযোগ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের অবস্থানকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, মিয়ানমারের এই অভিযোগ এবং পাল্টা সামরিক হুঁশিয়ারি কেবল কথার কথা নয়। কোনো রাষ্ট্রের ভূখণ্ড যদি প্রতিবেশী দেশের বিরুদ্ধে হামলার জন্য ব্যবহৃত হয়, তবে আন্তর্জাতিক আইনে সেই রাষ্ট্র পরোক্ষভাবে সংঘাতের অংশ হিসেবে গণ্য হতে পারে। মিয়ানমার সেনাবাহিনী সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশে হামলার যে সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করেছে, তা মূলত ‘প্রি-এম্পটিভ স্ট্রাইক’ বা আগাম হামলার কৌশলগত বৈধতা তৈরির চেষ্টা বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। আধুনিক যুদ্ধকৌশলে ড্রোনের ব্যবহার মানেই সরাসরি যুদ্ধ ঘোষণা নয়, বরং এটি এক ধরনের ‘ছায়াযুদ্ধ’ বা প্রক্সি ওয়ারের ইঙ্গিত। মিয়ানমারের অভিযোগ
সত্যি হলে তা বাংলাদেশের সীমান্ত নজরদারি, গোয়েন্দা সক্ষমতা এবং ক্যাম্পগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলবে। অন্যদিকে, এই অভিযোগ মিথ্যা হলেও মিয়ানমারের ধারাবাহিক প্রচারণার ফলে আন্তর্জাতিক মহলে বাংলাদেশের কূটনৈতিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। বিশ্লেষকরা সতর্ক করে বলছেন, বাংলাদেশ কোনো বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীর নিরাপদ আশ্রয়স্থল হতে পারে না। তবে মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সংঘাতের জেরে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব হুমকিতে পড়লে তা উপেক্ষা করার সুযোগ নেই। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, সীমান্তে দীর্ঘমেয়াদী উত্তেজনা এবং পাল্টাপাল্টি অভিযোগ প্রায়শই বড় যুদ্ধের ক্ষেত্র প্রস্তুত করে। বর্তমান প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের জন্য জরুরি হয়ে পড়েছে সীমান্ত নজরদারি ও ড্রোন শনাক্তকরণ সক্ষমতা বৃদ্ধি করা। একইসঙ্গে রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার এবং নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর মধ্যে
সমন্বয় বাড়ানোর তাগিদ দেওয়া হয়েছে। মানবিক আশ্রয়ের সুযোগ নিয়ে কেউ যাতে বাংলাদেশের মাটিকে ব্যবহার করে প্রতিবেশী রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সহিংসতা চালাতে না পারে, সে বিষয়ে এখনই ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি কার্যকর করার আহ্বান জানিয়েছেন নিরাপত্তা সংশ্লিষ্টরা। কূটনৈতিক ও সামরিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আজ যদি দৃশ্যমান ও কঠোর রাষ্ট্রীয় পদক্ষেপ না নেওয়া হয়, তবে আগামীকাল পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে। সীমান্তে যা ঘটছে, তা এখন আর কেবল সীমান্তের বিষয় নয়; এটি সরাসরি বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় নিরাপত্তার অগ্নিপরীক্ষা।
ড্রোনের ব্যবহার এবং বিচ্ছিন্নতাবাদীদের লজিস্টিক সহায়তা দেওয়ার অভিযোগ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের অবস্থানকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, মিয়ানমারের এই অভিযোগ এবং পাল্টা সামরিক হুঁশিয়ারি কেবল কথার কথা নয়। কোনো রাষ্ট্রের ভূখণ্ড যদি প্রতিবেশী দেশের বিরুদ্ধে হামলার জন্য ব্যবহৃত হয়, তবে আন্তর্জাতিক আইনে সেই রাষ্ট্র পরোক্ষভাবে সংঘাতের অংশ হিসেবে গণ্য হতে পারে। মিয়ানমার সেনাবাহিনী সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশে হামলার যে সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করেছে, তা মূলত ‘প্রি-এম্পটিভ স্ট্রাইক’ বা আগাম হামলার কৌশলগত বৈধতা তৈরির চেষ্টা বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। আধুনিক যুদ্ধকৌশলে ড্রোনের ব্যবহার মানেই সরাসরি যুদ্ধ ঘোষণা নয়, বরং এটি এক ধরনের ‘ছায়াযুদ্ধ’ বা প্রক্সি ওয়ারের ইঙ্গিত। মিয়ানমারের অভিযোগ
সত্যি হলে তা বাংলাদেশের সীমান্ত নজরদারি, গোয়েন্দা সক্ষমতা এবং ক্যাম্পগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলবে। অন্যদিকে, এই অভিযোগ মিথ্যা হলেও মিয়ানমারের ধারাবাহিক প্রচারণার ফলে আন্তর্জাতিক মহলে বাংলাদেশের কূটনৈতিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। বিশ্লেষকরা সতর্ক করে বলছেন, বাংলাদেশ কোনো বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীর নিরাপদ আশ্রয়স্থল হতে পারে না। তবে মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সংঘাতের জেরে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব হুমকিতে পড়লে তা উপেক্ষা করার সুযোগ নেই। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, সীমান্তে দীর্ঘমেয়াদী উত্তেজনা এবং পাল্টাপাল্টি অভিযোগ প্রায়শই বড় যুদ্ধের ক্ষেত্র প্রস্তুত করে। বর্তমান প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের জন্য জরুরি হয়ে পড়েছে সীমান্ত নজরদারি ও ড্রোন শনাক্তকরণ সক্ষমতা বৃদ্ধি করা। একইসঙ্গে রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার এবং নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর মধ্যে
সমন্বয় বাড়ানোর তাগিদ দেওয়া হয়েছে। মানবিক আশ্রয়ের সুযোগ নিয়ে কেউ যাতে বাংলাদেশের মাটিকে ব্যবহার করে প্রতিবেশী রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সহিংসতা চালাতে না পারে, সে বিষয়ে এখনই ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি কার্যকর করার আহ্বান জানিয়েছেন নিরাপত্তা সংশ্লিষ্টরা। কূটনৈতিক ও সামরিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আজ যদি দৃশ্যমান ও কঠোর রাষ্ট্রীয় পদক্ষেপ না নেওয়া হয়, তবে আগামীকাল পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে। সীমান্তে যা ঘটছে, তা এখন আর কেবল সীমান্তের বিষয় নয়; এটি সরাসরি বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় নিরাপত্তার অগ্নিপরীক্ষা।



