ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ক্ষমতায় এসেই নিজেদের লোকদের বাঁচানোর পুরনো খেলায় ফিরলো বিএনপি
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতিতে রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার অবদান
হামলা-মামলা-আটকের মধ্যেই সারাদেশে মিছিল-কার্যালয় খুলছে তৃণমুলের আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা
নবগঠিত বিএনপি সরকারের সন্মতিতেই ‘কালের কন্ঠে” রাষ্ট্রপতি’র খোলামেলা সাক্ষাৎকার!
চাঁদাবাজি বন্ধ না হলে উদ্যোক্তারা ব্যবসা গুটিয়ে নিতে বাধ্য হতে পারেন: ডিসিসিআই সভাপতি
চাগোস দ্বীপ নিয়ে ট্রাম্পের সতর্কবার্তা: স্টারমারকে হুঁশিয়ারি, সামরিক ঘাঁটি নিয়ে উদ্বেগ
মেক্সিকোতে কার্টেল সংঘাতের ছায়া, আতঙ্কের মধ্যেই বিশ্বকাপ আয়োজনের প্রস্তুতি
মার্কিন শুল্কের নতুন অস্থিরতায় বাংলাদেশি রপ্তানিতে আরো তীব্র হবে অনিশ্চয়তা
যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক আরোপের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশি রপ্তানিতে নতুন অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের সাম্প্রতিক রায়ে ডোনাল্ড ট্রাম্পের আগে আরোপিত পাল্টা শুল্ক অবৈধ ঘোষিত হওয়ার পর, ট্রাম্প প্রশাসন ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে সব দেশের পণ্যে ১৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে মার্কিন বাজারে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো কিছুটা চিন্তিত, তবে একই সঙ্গে বাংলাদেশের জন্য সুযোগও রয়েছে।
ঢাকার এসেন্সর ফুটওয়্যার অ্যান্ড লেদার প্রোডাক্টস চামড়ার ব্যাগের রপ্তানিতে মার্কিন বাজারের বড় অংশে কাজ করছে। প্রতিষ্ঠানটির এমডি কে এম মুশফিকুর রহমান বলেন, “গত বছর পাল্টা শুল্কের কারণে কিছুটা সুবিধাজনক অবস্থায় পৌঁছেছিলাম। নতুন ক্রেতার সঙ্গে আলোচনা চলছে, তাই বাজার নিয়ে আমরা আশাবাদী। তবে নতুন শুল্ক পরিস্থিতিতে অনিশ্চয়তা
তৈরি করেছে।” রপ্তানিকারকরা বলছেন, প্রতিযোগী সব দেশের শুল্ক সমান থাকলে বড় কোনো সমস্যা হবে না। তবে সরকারের উচিত মার্কিন সঙ্গে করা বাণিজ্য চুক্তি পুনঃমূল্যায়ন করা এবং পরিস্থিতি মোকাবেলায় সতর্ক পদক্ষেপ নেওয়া। বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম মনে করেন, “শুল্কের নতুন অস্থিরতা কিছু ক্রেতাকে অপেক্ষা করতে বাধ্য করতে পারে। তাই আমাদের উচিত চুক্তির সীমা ও সুবিধা মূল্যায়ন করা।” গত অর্থবছরে বাংলাদেশ ৪৮.২৮ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে গিয়েছে ৮৬৯ কোটি ডলারের পণ্য, যার ৮৭ শতাংশই তৈরি পোশাক। চামড়াবিহীন জুতা রপ্তানিকারক এনপলি ফুটওয়্যারও নতুন মার্কিন ক্রেতার সঙ্গে চুক্তি করে রপ্তানি বাড়িয়েছে। এমডি রিয়াদ মাহমুদ বলেন, “শুল্কের পরিবর্তন ক্রয়াদেশকে প্রভাবিত করে, তবে
বাংলাদেশের অবস্থান এখনও ভালো।” বিশ্লেষকরা বলছেন, নতুন শুল্কে মার্কিন বাজারে অস্থিরতা থাকলেও, প্রতিযোগী দেশের সঙ্গে সমান শুল্ক এবং ক্রেতাদের ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধির সুযোগ বাংলাদেশের জন্য আশা জাগাচ্ছে। রপ্তানিকারকরা বলছেন, স্বল্প-মেয়াদে টিকে থাকার জন্য সরকারের সক্রিয় উদ্যোগ প্রয়োজন। স্প্যারো গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের এমডি শোভন ইসলাম বলেন, “শুল্ক কমলে মার্কিন ক্রেতাদের ক্রয়ক্ষমতা বাড়বে। বাংলাদেশের জন্য সুযোগ এখনও আছে, তবে রপ্তানার অবকাঠামো ও বন্দরের সক্ষমতা নিশ্চিত করতে হবে।” বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান র্যাপিডের চেয়ারম্যান এম এ রাজ্জাক বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে করা বাণিজ্য চুক্তি এখন বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। চুক্তি থেকে কৌশলে বেরিয়ে আসার উপায় খুঁজে সরকারকে সাবধানে পদক্ষেপ নিতে হবে।”
তৈরি করেছে।” রপ্তানিকারকরা বলছেন, প্রতিযোগী সব দেশের শুল্ক সমান থাকলে বড় কোনো সমস্যা হবে না। তবে সরকারের উচিত মার্কিন সঙ্গে করা বাণিজ্য চুক্তি পুনঃমূল্যায়ন করা এবং পরিস্থিতি মোকাবেলায় সতর্ক পদক্ষেপ নেওয়া। বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম মনে করেন, “শুল্কের নতুন অস্থিরতা কিছু ক্রেতাকে অপেক্ষা করতে বাধ্য করতে পারে। তাই আমাদের উচিত চুক্তির সীমা ও সুবিধা মূল্যায়ন করা।” গত অর্থবছরে বাংলাদেশ ৪৮.২৮ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে গিয়েছে ৮৬৯ কোটি ডলারের পণ্য, যার ৮৭ শতাংশই তৈরি পোশাক। চামড়াবিহীন জুতা রপ্তানিকারক এনপলি ফুটওয়্যারও নতুন মার্কিন ক্রেতার সঙ্গে চুক্তি করে রপ্তানি বাড়িয়েছে। এমডি রিয়াদ মাহমুদ বলেন, “শুল্কের পরিবর্তন ক্রয়াদেশকে প্রভাবিত করে, তবে
বাংলাদেশের অবস্থান এখনও ভালো।” বিশ্লেষকরা বলছেন, নতুন শুল্কে মার্কিন বাজারে অস্থিরতা থাকলেও, প্রতিযোগী দেশের সঙ্গে সমান শুল্ক এবং ক্রেতাদের ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধির সুযোগ বাংলাদেশের জন্য আশা জাগাচ্ছে। রপ্তানিকারকরা বলছেন, স্বল্প-মেয়াদে টিকে থাকার জন্য সরকারের সক্রিয় উদ্যোগ প্রয়োজন। স্প্যারো গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের এমডি শোভন ইসলাম বলেন, “শুল্ক কমলে মার্কিন ক্রেতাদের ক্রয়ক্ষমতা বাড়বে। বাংলাদেশের জন্য সুযোগ এখনও আছে, তবে রপ্তানার অবকাঠামো ও বন্দরের সক্ষমতা নিশ্চিত করতে হবে।” বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান র্যাপিডের চেয়ারম্যান এম এ রাজ্জাক বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে করা বাণিজ্য চুক্তি এখন বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। চুক্তি থেকে কৌশলে বেরিয়ে আসার উপায় খুঁজে সরকারকে সাবধানে পদক্ষেপ নিতে হবে।”



