ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
জিয়াউর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা জাতিকে সশস্ত্র যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে উজ্জীবিত করে: রাষ্ট্রপতি
মাইকে ঘোষণা দিয়ে ২ গোষ্ঠীর সংঘর্ষে ইমামসহ নিহত ২
যে মামলায় জামিন পেলেন ইনু, মেনন ও বিচারপতি মানিক
২৬ মার্চ প্যারেড স্কয়ারে কুচকাওয়াজ ও ফ্লাই পাস্ট
২৫ মার্চ দেশে এক মিনিটের ‘ব্ল্যাক আউট’
ঈদের ছুটি শেষ, অফিস খুলছে আজ
২৫ ও ২৬ মার্চ আলোকসজ্জা নিষিদ্ধ করল সরকার
মার্কিন মদতে রাজনীতিতে শক্ত অবস্থায় জামায়াত: ইরানে হামলার পর ভোল বদলে যুক্তরাষ্ট্র-বিরোধী সমাবেশ-মিছিল
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির নিহত হওয়ার পর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা রাজধানী ঢাকায় ব্যাপক বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে যুক্তরাষ্ট্রের ‘আগ্রাসন’-এর বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন। কিছু চরমপন্থী সমর্থক যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ‘যুদ্ধে’ যোগ দেওয়ার আহ্বান জানালেও দলীয় নেতৃত্ব শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ ও কূটনৈতিক সমাধানের ওপর জোর দিয়েছে।
রোববার (১ মার্চ) বিকেলে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের উত্তর গেটে জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী উত্তর ও দক্ষিণের উদ্যোগে এক বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ শেষে হাজারো নেতাকর্মী বিজয়নগর, কাকরাইল হয়ে শান্তিনগর পর্যন্ত বিক্ষোভ মিছিল করে। জামায়াতের নায়েবে আমির এ টি এম আজহারুল ইসলাম প্রধান অতিথির বক্তব্যে
হামলাকে “আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন” ও “ন্যক্কারজনক” বলে নিন্দা করেন। তিনি জাতিসংঘ ও ওআইসিকে অবিলম্বে হস্তক্ষেপের আহ্বান জানান এবং হামলা না থামলে বৃহত্তর কর্মসূচির ঘোষণা দেন। বিস্তারিত সংবাদঃ ইরানে হামলা বন্ধ না হলে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে বৃহত্তর কর্মসূচি, হুঁশিয়ারি জামায়াতের ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতারাও মিছিলে অংশ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের বিরুদ্ধে স্লোগান দেন এবং খামেনিকে ‘শহীদ’ বলে স্মরণ করেন। কিছু কর্মী সোশ্যাল মিডিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ‘জিহাদ’ বা প্রতিরোধ যুদ্ধে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। আরও পড়ুনঃ বাংলাদেশে উগ্রবাদের প্রসারের মধ্যেই জামায়াতের সাথে বন্ধুত্ব চায় যুক্তরাষ্ট্র, কূটনীতিকের অডিও ফাঁস এই প্রতিবাদের প্রেক্ষাপটে উঠে এসেছে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ১৮ মাসে (২০২৪-২০২৬) জামায়াত নেতাদের সঙ্গে মার্কিন কর্মকর্তাদের একাধিক বৈঠক। ওয়াশিংটন পোস্টের
রিপোর্ট অনুসারে, ২০২৫-২০২৬ সালে মার্কিন কূটনীতিকরা জামায়াতের সঙ্গে ঢাকায়, ওয়াশিংটনে ও ভার্চুয়ালি একাধিক সাক্ষাৎ করেন। এর মধ্যে রয়েছে: ২০২৫ সালের মার্চে দুই সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূতের জামায়াত হেডকোয়ার্টার সফর। জুনে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসে জামায়াত প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা। জুলাইয়ে চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ট্রেসি অ্যান জ্যাকবসনের জামায়াত আমির শফিকুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ। নভেম্বরে শফিকুর রহমানকে যুক্তরাষ্ট্রে ভিসা প্রদান। ওয়াশিংটনে চারটি বৈঠক এবং ইউএস ট্রেড রিপ্রেজেনটেটিভের সঙ্গে ভার্চুয়াল আলোচনা। বিস্তারিত সংবাদঃ নির্বাচনের পূর্বে জামায়াতসহ উগ্রবাদীদের সাথে মার্কিনিদের বৈঠক: বাংলাদেশে উগ্রবাদ প্রতিষ্ঠায় পশ্চিমা মদদ একটি অডিওতে মার্কিন কূটনীতিক বলেন, বাংলাদেশ ‘ইসলামিক শিফট’ করেছে এবং জামায়াত নির্বাচনে ভালো করবে; “আমরা চাই তারা আমাদের বন্ধু হোক।” এই engagement-এর সময় ইউনূস সরকার জামায়াতের নিষেধাজ্ঞা তুলে
নেয়, যা দলটির রাজনৈতিক পুনরুত্থান ঘটায়। বর্তমানে জামায়াত সংসদে বিরোধী দল হিসেবে আসীন। ইরান হামলার প্রতিবাদে এই বিক্ষোভকে অনেকে জামায়াতের ‘আন্তর্জাতিক ইসলামপন্থী’ অবস্থানের প্রকাশ বলে দেখছেন, যা ইউনূস আমলে মার্কিন engagement-এর সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
হামলাকে “আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন” ও “ন্যক্কারজনক” বলে নিন্দা করেন। তিনি জাতিসংঘ ও ওআইসিকে অবিলম্বে হস্তক্ষেপের আহ্বান জানান এবং হামলা না থামলে বৃহত্তর কর্মসূচির ঘোষণা দেন। বিস্তারিত সংবাদঃ ইরানে হামলা বন্ধ না হলে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে বৃহত্তর কর্মসূচি, হুঁশিয়ারি জামায়াতের ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতারাও মিছিলে অংশ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের বিরুদ্ধে স্লোগান দেন এবং খামেনিকে ‘শহীদ’ বলে স্মরণ করেন। কিছু কর্মী সোশ্যাল মিডিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ‘জিহাদ’ বা প্রতিরোধ যুদ্ধে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। আরও পড়ুনঃ বাংলাদেশে উগ্রবাদের প্রসারের মধ্যেই জামায়াতের সাথে বন্ধুত্ব চায় যুক্তরাষ্ট্র, কূটনীতিকের অডিও ফাঁস এই প্রতিবাদের প্রেক্ষাপটে উঠে এসেছে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ১৮ মাসে (২০২৪-২০২৬) জামায়াত নেতাদের সঙ্গে মার্কিন কর্মকর্তাদের একাধিক বৈঠক। ওয়াশিংটন পোস্টের
রিপোর্ট অনুসারে, ২০২৫-২০২৬ সালে মার্কিন কূটনীতিকরা জামায়াতের সঙ্গে ঢাকায়, ওয়াশিংটনে ও ভার্চুয়ালি একাধিক সাক্ষাৎ করেন। এর মধ্যে রয়েছে: ২০২৫ সালের মার্চে দুই সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূতের জামায়াত হেডকোয়ার্টার সফর। জুনে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসে জামায়াত প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা। জুলাইয়ে চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স ট্রেসি অ্যান জ্যাকবসনের জামায়াত আমির শফিকুর রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ। নভেম্বরে শফিকুর রহমানকে যুক্তরাষ্ট্রে ভিসা প্রদান। ওয়াশিংটনে চারটি বৈঠক এবং ইউএস ট্রেড রিপ্রেজেনটেটিভের সঙ্গে ভার্চুয়াল আলোচনা। বিস্তারিত সংবাদঃ নির্বাচনের পূর্বে জামায়াতসহ উগ্রবাদীদের সাথে মার্কিনিদের বৈঠক: বাংলাদেশে উগ্রবাদ প্রতিষ্ঠায় পশ্চিমা মদদ একটি অডিওতে মার্কিন কূটনীতিক বলেন, বাংলাদেশ ‘ইসলামিক শিফট’ করেছে এবং জামায়াত নির্বাচনে ভালো করবে; “আমরা চাই তারা আমাদের বন্ধু হোক।” এই engagement-এর সময় ইউনূস সরকার জামায়াতের নিষেধাজ্ঞা তুলে
নেয়, যা দলটির রাজনৈতিক পুনরুত্থান ঘটায়। বর্তমানে জামায়াত সংসদে বিরোধী দল হিসেবে আসীন। ইরান হামলার প্রতিবাদে এই বিক্ষোভকে অনেকে জামায়াতের ‘আন্তর্জাতিক ইসলামপন্থী’ অবস্থানের প্রকাশ বলে দেখছেন, যা ইউনূস আমলে মার্কিন engagement-এর সঙ্গে সাংঘর্ষিক।



