ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
কারামুক্ত হলেন সাংবাদিক আনিস আলমগীর
দণ্ডিত যুদ্ধাপরাধীদের ‘মহিমান্বিত’ করে শহীদদের সঙ্গে প্রতারণা করেছে সংসদ: ছাত্র ইউনিয়ন-ফ্রন্টের প্রতিবাদ
সংসদে রাজাকারদের জন্য শোক প্রস্তাব: ৪১ বিশিষ্ট নাগরিকের প্রতিবাদ
ইউনূসের পদাঙ্ক অনুসরণে তারেক: দিবসের তালিকায় ফেরেনি ৭ই মার্চ, ১৫ই আগস্ট ও সংবিধান দিবস
দেশের জন্য রাশিয়া থেকে জ্বালানি ক্রয় নির্ভর করছে যুক্তরাষ্ট্রের অনুমতির ওপর: রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী
উপদেষ্টার শিশুকন্যার ‘ছাগল চোর নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী’ বনাম মির্জা আব্বাস: রাজনীতির বাকবাঁদল
৭৪ কারাগারে ২৩ অ্যাম্বুলেন্স: সংকটের অজুহাতে পথেই রাজনৈতিক বন্দিদের মৃত্যু
মার্কিন চুক্তি পর্যালোচনায় বিসিআই: একপাক্ষিক এই চুক্তিতে রাজস্ব হারানোর পাশাপাশি অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখে পড়বে বাংলাদেশ
বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজ (বিসিআই) যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত সাম্প্রতিক বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
গত ৯ই ফেব্রুয়ারি স্বাক্ষরিত এ চুক্তিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশি পণ্যের ওপর পাল্টা শুল্ক ২০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৯ শতাংশ করেছে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানিকৃত তুলা ও কৃত্রিম তন্তু দিয়ে তৈরি তৈরি পোশাক রপ্তানিতে শুল্কমুক্ত সুবিধা দেওয়া হয়েছে, যা বাংলাদেশের রপ্তানির প্রায় ৮৫-৮৬ শতাংশকে কভার করতে পারে।
কিন্তু বিসিআইয়ের চুলচেরা বিশ্লেষণে চুক্তিটিকে অনেক ক্ষেত্রে অসম ও একপাক্ষিক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
বিসিআইয়ের আলোচনা সভায় উঠে আসা মূল উদ্বেগসমূহবিসিআই সম্প্রতি (১৭ই ফেব্রুয়ারি) একটি আলোচনা সভা আয়োজন করে, যেখানে সভাপতি আনোয়ার-উল আলম চৌধুরীসহ ব্যবসায়ী নেতা ও অর্থনীতিবিদরা চুক্তির বিভিন্ন দিক
নিয়ে সমালোচনা করেন। সভায় বলা হয়, রপ্তানি বৃদ্ধির আশা অবাস্তব। তৈরি পোশাক (আরএমজি) রপ্তানিতে বড় ধরনের উল্লম্ফনের সম্ভাবনা কম। শুল্ক কমলেও মোট শুল্কভার (সাধারণ শুল্ক ১৫.৫% + ১৯% পাল্টা শুল্ক) প্রায় ৩৪.৫% থাকায় প্রতিযোগিতায় সুবিধা সীমিত। শুল্কমুক্ত সুবিধা শুধু মার্কিন কাঁচামাল-নির্ভর পণ্যের জন্য, যা চীন-নির্ভরতা কমানোর চাপ সৃষ্টি করছে। রুলস অব অরিজিন (পণ্যের উৎস নিয়ম) নিয়ে অস্পষ্টতা: চুক্তিতে তৃতীয় দেশ থেকে সুবিধা চলে যাওয়ার ক্ষেত্রে রুলস অব অরিজিন নির্ধারণের ধারা রয়েছে। বিসিআই সভাপতি বলেন, “তৃতীয় দেশের সংজ্ঞা স্পষ্ট করা উচিত ছিল। এতে ভবিষ্যতে ব্যাখ্যার সুযোগ থেকে বাংলাদেশের ক্ষতি হতে পারে। বাংলাদেশকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ পণ্য কিনতে হবে, যেমন:১৪টি বোয়িং উড়োজাহাজ। ১৫ বছরে
১৫ বিলিয়ন ডলারের তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি)। কৃষিপণ্য যেমন গম (প্রতিবছর ৭ লাখ টন), সয়া, তুলা (৩.৫ মিলিয়ন ডলার)। সামরিক সরঞ্জাম কেনা বাড়ানো ইত্যাদি। এসব ক্রয় প্রতিশ্রুতি বাংলাদেশকে আরও ব্যয়বহুল উৎস থেকে আমদানি করতে বাধ্য করবে, যা বাজারে প্রতিযোগিতামূলক দামে পণ্য না পাওয়ার ঝুঁকি তৈরি করছে। রাজস্ব হারানো ও দেশীয় শিল্পের ঝুঁকি: যুক্তরাষ্ট্রের ৭,১৩২টি পণ্যকে ডিউটি-ফ্রি বা কম শুল্কে প্রবেশের সুবিধা দেওয়ায় (রাসায়নিক, চিকিৎসা সরঞ্জাম, অটো পার্টস, কৃষিপণ্য ইত্যাদি) সরকারের শুল্ক রাজস্ব কমবে। দেশীয় কৃষি ও শিল্প খাত প্রতিযোগিতায় পড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। অর্থনীতিবিদ ড. এম এ রাজ্জাক বলেন, এ চুক্তি রপ্তানি বাড়ানোর চেয়ে আমদানি বাধ্যতামূলক করে অর্থনৈতিক ঝুঁকি বাড়াবে। বিসিআইসহ অংশগ্রহণকারীরা চুক্তিকে একপাক্ষিক
বলে অভিহিত করেন। চুক্তি গোপনীয়তার মধ্যে স্বাক্ষরিত হওয়ায় উদ্বেগ বেড়েছে। অন্তর্বর্তী সরকার ‘এক্সিট ক্লজ’ যুক্ত করলেও, বিসিআই নতুন সরকারের কাছে চুক্তি পুনর্বিবেচনা, স্টেকহোল্ডারদের সাথে আলোচনা ও প্রয়োজনে সংশোধনের দাবি জানিয়েছে। বিসিআইয়ের বিশ্লেষণে চুক্তিটি স্বল্পমেয়াদি রপ্তানি সুরক্ষা দিলেও দীর্ঘমেয়াদি রাজস্ব ক্ষতি, কাঁচামাল নির্ভরতা পরিবর্তন, দেশীয় শিল্পের প্রতিযোগিতামূলক ক্ষতি ও জাতীয় স্বার্থের ঝুঁকি তৈরি করছে। সভায় বলা হয়, চুক্তিতে দেশের স্বার্থকে যথাযথ বিবেচনা করা হয়নি; বরং এটি আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান সীমিত করতে পারে। বিসিআই নতুন সরকারের কাছে চুক্তি পুনর্বিবেচনা ও খোলামেলা আলোচনার আহ্বান জানিয়েছে, যাতে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্বার্থ সুরক্ষিত হয়। এ বিষয়ে ব্যবসায়ী মহল ও অর্থনীতিবিদদের মধ্যে বিতর্ক অব্যাহত রয়েছে।
নিয়ে সমালোচনা করেন। সভায় বলা হয়, রপ্তানি বৃদ্ধির আশা অবাস্তব। তৈরি পোশাক (আরএমজি) রপ্তানিতে বড় ধরনের উল্লম্ফনের সম্ভাবনা কম। শুল্ক কমলেও মোট শুল্কভার (সাধারণ শুল্ক ১৫.৫% + ১৯% পাল্টা শুল্ক) প্রায় ৩৪.৫% থাকায় প্রতিযোগিতায় সুবিধা সীমিত। শুল্কমুক্ত সুবিধা শুধু মার্কিন কাঁচামাল-নির্ভর পণ্যের জন্য, যা চীন-নির্ভরতা কমানোর চাপ সৃষ্টি করছে। রুলস অব অরিজিন (পণ্যের উৎস নিয়ম) নিয়ে অস্পষ্টতা: চুক্তিতে তৃতীয় দেশ থেকে সুবিধা চলে যাওয়ার ক্ষেত্রে রুলস অব অরিজিন নির্ধারণের ধারা রয়েছে। বিসিআই সভাপতি বলেন, “তৃতীয় দেশের সংজ্ঞা স্পষ্ট করা উচিত ছিল। এতে ভবিষ্যতে ব্যাখ্যার সুযোগ থেকে বাংলাদেশের ক্ষতি হতে পারে। বাংলাদেশকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ পণ্য কিনতে হবে, যেমন:১৪টি বোয়িং উড়োজাহাজ। ১৫ বছরে
১৫ বিলিয়ন ডলারের তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি)। কৃষিপণ্য যেমন গম (প্রতিবছর ৭ লাখ টন), সয়া, তুলা (৩.৫ মিলিয়ন ডলার)। সামরিক সরঞ্জাম কেনা বাড়ানো ইত্যাদি। এসব ক্রয় প্রতিশ্রুতি বাংলাদেশকে আরও ব্যয়বহুল উৎস থেকে আমদানি করতে বাধ্য করবে, যা বাজারে প্রতিযোগিতামূলক দামে পণ্য না পাওয়ার ঝুঁকি তৈরি করছে। রাজস্ব হারানো ও দেশীয় শিল্পের ঝুঁকি: যুক্তরাষ্ট্রের ৭,১৩২টি পণ্যকে ডিউটি-ফ্রি বা কম শুল্কে প্রবেশের সুবিধা দেওয়ায় (রাসায়নিক, চিকিৎসা সরঞ্জাম, অটো পার্টস, কৃষিপণ্য ইত্যাদি) সরকারের শুল্ক রাজস্ব কমবে। দেশীয় কৃষি ও শিল্প খাত প্রতিযোগিতায় পড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। অর্থনীতিবিদ ড. এম এ রাজ্জাক বলেন, এ চুক্তি রপ্তানি বাড়ানোর চেয়ে আমদানি বাধ্যতামূলক করে অর্থনৈতিক ঝুঁকি বাড়াবে। বিসিআইসহ অংশগ্রহণকারীরা চুক্তিকে একপাক্ষিক
বলে অভিহিত করেন। চুক্তি গোপনীয়তার মধ্যে স্বাক্ষরিত হওয়ায় উদ্বেগ বেড়েছে। অন্তর্বর্তী সরকার ‘এক্সিট ক্লজ’ যুক্ত করলেও, বিসিআই নতুন সরকারের কাছে চুক্তি পুনর্বিবেচনা, স্টেকহোল্ডারদের সাথে আলোচনা ও প্রয়োজনে সংশোধনের দাবি জানিয়েছে। বিসিআইয়ের বিশ্লেষণে চুক্তিটি স্বল্পমেয়াদি রপ্তানি সুরক্ষা দিলেও দীর্ঘমেয়াদি রাজস্ব ক্ষতি, কাঁচামাল নির্ভরতা পরিবর্তন, দেশীয় শিল্পের প্রতিযোগিতামূলক ক্ষতি ও জাতীয় স্বার্থের ঝুঁকি তৈরি করছে। সভায় বলা হয়, চুক্তিতে দেশের স্বার্থকে যথাযথ বিবেচনা করা হয়নি; বরং এটি আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান সীমিত করতে পারে। বিসিআই নতুন সরকারের কাছে চুক্তি পুনর্বিবেচনা ও খোলামেলা আলোচনার আহ্বান জানিয়েছে, যাতে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্বার্থ সুরক্ষিত হয়। এ বিষয়ে ব্যবসায়ী মহল ও অর্থনীতিবিদদের মধ্যে বিতর্ক অব্যাহত রয়েছে।



