ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
শিবির ক্যাডারদের হাতে কারাগার, কারাগারে আটকে আওয়ামী লীগের উপর চলছে পরিকল্পিত গণহত্যা
জাতিসংঘের প্রতিবেদনে স্বীকৃত সত্য : দক্ষিণ এশিয়ায় মূল্যস্ফীতির শিরোমণি বাংলাদেশ
এখন রাজাকারের সাথে কে যোগ দিছে? বলেন আপনারা দেশের মানুষ” – জনতার কথা
যারা মেধার কথা বলে রাজপথ জ্বালিয়েছিল, তারাই আজ কোটা খেয়ে সরকারি অফিসে— কোটা আন্দোলনের মুখোশে ক্ষমতার সিঁড়ি, সাধারণ ছাত্রদের ভাগ্যে শুধু ধোঁকা!
বাংলাদেশ: ইউনুস এবং ইতিহাসের উপর আক্রমণ” (Bangladesh: Yunus and Assault on History) নামক একটি বই সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে
ভুল ইতিহাসের অভিযোগ তুলে বাতিল করল ১৫ হাজার বীর মুক্তিযোদ্ধার ভিডিও সাক্ষাৎকার
তারেক রহমানের নাগরিকত্ব বিতর্ক: নির্বাচনের প্রশ্নচিহ্ন
‘মানুষ মেরে ক্ষমতায় থাকতে চাই না’: শেখ হাসিনার শেষ মুহূর্তের অডিও বার্তা
এক নজরে গুরুত্বপূর্ণ
১, পদত্যাগের প্রস্তুতি: রাষ্ট্রপতির কাছে যাওয়ার জন্য পদত্যাগপত্রসহ সব গুছিয়ে রেখেছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী।
২, জরুরি অবস্থায় অনীহা: হাছান মাহমুদ জরুরি অবস্থার (Emergency) পরামর্শ দিলেও শেখ হাসিনা জানান, ‘তাতে লাভ হবে না’।
৩, দেশত্যাগের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত: তীব্র আক্ষেপের সুরে বললেন, ‘আমি এই দেশে আর থাকব না, অসম্ভব।’
৪, নিরাপত্তা ও কূটনীতি: ডোনাল্ড লু-এর ফোনের অপেক্ষা এবং নিরাপত্তাহীনতায় কূটনীতিকদের ব্রিফিং নিয়ে শঙ্কার চিত্র।
আজকের কন্ঠ ডেস্ক:
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফাঁস হওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের একটি ফোনালাপ দেশজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি করেছে। ৫ আগস্ট সরকার পতনের ঠিক আগমুহূর্তের এই কথোপকথনে শেখ হাসিনার পদত্যাগ, দেশত্যাগ এবং তৎকালীন উত্তপ্ত পরিস্থিতির এক অজানা
চিত্র উঠে এসেছে। অডিও ক্লিপটিতে শেখ হাসিনাকে স্পষ্ট বলতে শোনা যায়, তিনি আর মানুষ মেরে ক্ষমতায় থাকার কোনো যৌক্তিকতা দেখেন না। ফোনালাপের উল্লেখযোগ্য অংশগুলো নিচে তুলে ধরা হলো: ‘মানুষ মেরে থাকার মানে হয় না’ ফোনালাপের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশে শেখ হাসিনাকে বলতে শোনা যায়, তিনি মানসিকভাবে পদত্যাগের চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিয়ে ফেলেছিলেন। তিনি হাছান মাহমুদকে বলেন, “আমি কিন্তু ঠিক করছিলাম যে আজকে যাব রাষ্ট্রপতির কাছে। কারণ সব লিখে-টিখে সব রেডি করছি। মানে এইভাবে মানুষ মেরে থাকার কোনো মানে হয় না।” এ সময় হাছান মাহমুদ পরিস্থিতি সামাল দিতে ‘ইমার্জেন্সি’ বা জরুরি অবস্থা ঘোষণার পরামর্শ দেন। কিন্তু শেখ হাসিনা তা নাকচ করে দিয়ে বলেন, এতে খুব একটা লাভ
হবে না। বরং রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করলে তিন বাহিনীর প্রধানরা যা করার করবেন বলে তিনি মত দেন। ‘এই দেশে আর না’ কথপোকথনের একপর্যায়ে শেখ হাসিনার কণ্ঠে তীব্র হতাশা ও আক্ষেপ শোনা যায়। তিনি দেশ ছাড়ার বিষয়ে অটল সিদ্ধান্ত জানিয়ে বলেন, “আমি কিন্তু থাকব না, সোজা কথা। আর না। অসম্ভব। এই দেশে আর না।” তখন হাছান মাহমুদ তাকে বিষয়টি গোপন রাখার অনুরোধ জানান। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন, শেখ হাসিনার দেশ ছাড়ার খবর জানাজানি হলে মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীরা বড় ধরনের হামলার শিকার হতে পারেন। সেনাপ্রধানের সময় প্রার্থনা ও সহিংসতা শেখ হাসিনা জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য ‘চিফ’ (সেনাপ্রধান) ২৪ ঘণ্টা সময় চেয়েছেন। এছাড়া দেশের বিভিন্ন স্থানে, বিশেষ
করে নোয়াখালীতে গান পাউডার দিয়ে ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া এবং নেতাকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “নেতাকর্মী, নেতৃত্ব কিচ্ছু মানতেছে না। প্রত্যেক জায়গায় সবার ঘরবাড়ি তছনছ করে দিচ্ছে।” ডোনাল্ড লু ও কূটনীতিক প্রসঙ্গ ফোনালাপের শুরুতে হাছান মাহমুদ জানান, হোটেল ওয়েস্টিনে কূটনীতিকদের ব্রিফিং করার কথা থাকলেও ইন্টারনেট সংযোগ না থাকা এবং নিরাপত্তাজনিত কারণে কূটনীতিকরা সেখানে যেতে অনীহা প্রকাশ করছেন। কথোপকথনের শেষ দিকে তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোনাল্ড লু বিকেল ৪টায় তার সঙ্গে কথা বলতে চেয়েছেন। জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, “কথা বললে বলুক। কি বলে শুনি।” ধারণা করা হচ্ছে, এই কথোপকথনটি ৫ আগস্ট দুপুরের আগের। ফাঁস হওয়া
এই অডিও বার্তাটি প্রমাণ করে যে, সরকার পতনের চূড়ান্ত মুহূর্তে শেখ হাসিনা রক্তপাত এড়াতে পদত্যাগের সিদ্ধান্তই প্রাধান্য দিয়েছিলেন।
চিত্র উঠে এসেছে। অডিও ক্লিপটিতে শেখ হাসিনাকে স্পষ্ট বলতে শোনা যায়, তিনি আর মানুষ মেরে ক্ষমতায় থাকার কোনো যৌক্তিকতা দেখেন না। ফোনালাপের উল্লেখযোগ্য অংশগুলো নিচে তুলে ধরা হলো: ‘মানুষ মেরে থাকার মানে হয় না’ ফোনালাপের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশে শেখ হাসিনাকে বলতে শোনা যায়, তিনি মানসিকভাবে পদত্যাগের চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিয়ে ফেলেছিলেন। তিনি হাছান মাহমুদকে বলেন, “আমি কিন্তু ঠিক করছিলাম যে আজকে যাব রাষ্ট্রপতির কাছে। কারণ সব লিখে-টিখে সব রেডি করছি। মানে এইভাবে মানুষ মেরে থাকার কোনো মানে হয় না।” এ সময় হাছান মাহমুদ পরিস্থিতি সামাল দিতে ‘ইমার্জেন্সি’ বা জরুরি অবস্থা ঘোষণার পরামর্শ দেন। কিন্তু শেখ হাসিনা তা নাকচ করে দিয়ে বলেন, এতে খুব একটা লাভ
হবে না। বরং রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করলে তিন বাহিনীর প্রধানরা যা করার করবেন বলে তিনি মত দেন। ‘এই দেশে আর না’ কথপোকথনের একপর্যায়ে শেখ হাসিনার কণ্ঠে তীব্র হতাশা ও আক্ষেপ শোনা যায়। তিনি দেশ ছাড়ার বিষয়ে অটল সিদ্ধান্ত জানিয়ে বলেন, “আমি কিন্তু থাকব না, সোজা কথা। আর না। অসম্ভব। এই দেশে আর না।” তখন হাছান মাহমুদ তাকে বিষয়টি গোপন রাখার অনুরোধ জানান। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন, শেখ হাসিনার দেশ ছাড়ার খবর জানাজানি হলে মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীরা বড় ধরনের হামলার শিকার হতে পারেন। সেনাপ্রধানের সময় প্রার্থনা ও সহিংসতা শেখ হাসিনা জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য ‘চিফ’ (সেনাপ্রধান) ২৪ ঘণ্টা সময় চেয়েছেন। এছাড়া দেশের বিভিন্ন স্থানে, বিশেষ
করে নোয়াখালীতে গান পাউডার দিয়ে ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া এবং নেতাকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “নেতাকর্মী, নেতৃত্ব কিচ্ছু মানতেছে না। প্রত্যেক জায়গায় সবার ঘরবাড়ি তছনছ করে দিচ্ছে।” ডোনাল্ড লু ও কূটনীতিক প্রসঙ্গ ফোনালাপের শুরুতে হাছান মাহমুদ জানান, হোটেল ওয়েস্টিনে কূটনীতিকদের ব্রিফিং করার কথা থাকলেও ইন্টারনেট সংযোগ না থাকা এবং নিরাপত্তাজনিত কারণে কূটনীতিকরা সেখানে যেতে অনীহা প্রকাশ করছেন। কথোপকথনের শেষ দিকে তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোনাল্ড লু বিকেল ৪টায় তার সঙ্গে কথা বলতে চেয়েছেন। জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, “কথা বললে বলুক। কি বলে শুনি।” ধারণা করা হচ্ছে, এই কথোপকথনটি ৫ আগস্ট দুপুরের আগের। ফাঁস হওয়া
এই অডিও বার্তাটি প্রমাণ করে যে, সরকার পতনের চূড়ান্ত মুহূর্তে শেখ হাসিনা রক্তপাত এড়াতে পদত্যাগের সিদ্ধান্তই প্রাধান্য দিয়েছিলেন।



