ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
৬ ঘণ্টার ব্যবধানে আরেক দফা কমল স্বর্ণের দাম
বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন
ইরান-ইসরাইল যুদ্ধেও যে কারণে বাড়ছে না স্বর্ণের দাম
পদত্যাগ করেছেন সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান
রমজানে ফলের বাজার থেকে লুট ৭০০–৮০০ কোটি টাকা
ভোক্তা অধিকার দিবসে ক্যাবের প্রতিবাদ: পণ্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি জনজীবন কঠিন করে তুলেছে
আরও কমলো স্বর্ণের দাম
মাঠ পর্যায়ে গোয়েন্দা কার্যক্রম জোরদারে এনবিআরের নির্দেশনা
মাঠ পর্যায়ের কর অঞ্চলগুলোকে গোয়েন্দা কার্যক্রম শক্তিশালী করার নির্দেশ দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। ফাঁকি দেওয়া রাজস্ব পুনরুদ্ধার ও কর ফাঁকি প্রতিরোধের জন্য এই নির্দেশনা দেওয়া হয়।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য (কর অডিট, ইন্টেলিজেন্স এন্ড ইনভেস্টিগেশন)র দফতর থেকে জারি করা নির্দেশনায় বলা হয়েছে, প্রতিটি কর অঞ্চলকে ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন সেল (আইআইসি)’র টিম গঠন করতে হবে।
সেই সঙ্গে টিমের কার্যপদ্ধতি, সুপারিশ প্রণয়নের ভিত্তি ও ফাঁকি দেওয়া কর পুনরুদ্ধারের জন্য কমিটির অনুমোদন প্রক্রিয়া সম্পর্কেও বিস্তারিত নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
নির্দেশনায় বলা হয়, বিভিন্ন ধরনের গোয়েন্দা তথ্য, কর ফাঁকির অভিযোগ, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সংবাদ, আয়কর নথি ও বিভিন্ন রেজিস্টারে ঘষা-মাজা বা কাটা-ছেঁড়া, অস্বাভাবিক পরিমাণ করমুক্ত
আয়, করযোগ্য আয় ও পরিশোধিত করের তুলনায় সম্পদ বিবরণীতে অস্বাভাবিক পরিমাণ নীট সম্পদ প্রদর্শন ইত্যাদি বিষয় নিয়ে সংশ্লিষ্ট টিম তদন্ত কার্যক্রম শুরু করবে। তদন্ত টিম কর ফাঁকির সুস্পষ্ট তথ্য-উপাত্ত সংক্রান্ত প্রতিবেদন ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন কমিটির কাছে দাখিল করবে। এরপর রাজস্ব ফাঁকির প্রমাণ পেলে সংশ্লিষ্ট কর কমিশনারেটের আইআইসি রাজস্ব পুনরুদ্ধারের জন্য আইনি ব্যবস্থা নিতে অনুমোদন দিবে। এছাড়া, প্রতিটি কর কমিশনারেটকে প্রতি মাসে নির্ধারিত ছকে গোয়েন্দা কার্যক্রমের অগ্রগতি সম্পর্কিত প্রতিবেদন প্রস্তুত করতে হবে। সেই প্রতিবেদনে অতিরিক্ত কর দাবি ও আদায়ের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরে পরবর্তী মাসের ১০ তারিখের মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) পাঠাতে হবে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড আশা করছে, ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন সেলের কার্যক্রম
জোরদার করার মাধ্যমে ফাঁকি দেওয়া রাজস্ব পুনরুদ্ধার সম্ভব হবে, কর ফাঁকির প্রবণতা কমবে এবং দেশে সুষ্ঠু কর সংস্কৃতি গড়ে উঠবে।
আয়, করযোগ্য আয় ও পরিশোধিত করের তুলনায় সম্পদ বিবরণীতে অস্বাভাবিক পরিমাণ নীট সম্পদ প্রদর্শন ইত্যাদি বিষয় নিয়ে সংশ্লিষ্ট টিম তদন্ত কার্যক্রম শুরু করবে। তদন্ত টিম কর ফাঁকির সুস্পষ্ট তথ্য-উপাত্ত সংক্রান্ত প্রতিবেদন ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন কমিটির কাছে দাখিল করবে। এরপর রাজস্ব ফাঁকির প্রমাণ পেলে সংশ্লিষ্ট কর কমিশনারেটের আইআইসি রাজস্ব পুনরুদ্ধারের জন্য আইনি ব্যবস্থা নিতে অনুমোদন দিবে। এছাড়া, প্রতিটি কর কমিশনারেটকে প্রতি মাসে নির্ধারিত ছকে গোয়েন্দা কার্যক্রমের অগ্রগতি সম্পর্কিত প্রতিবেদন প্রস্তুত করতে হবে। সেই প্রতিবেদনে অতিরিক্ত কর দাবি ও আদায়ের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরে পরবর্তী মাসের ১০ তারিখের মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) পাঠাতে হবে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড আশা করছে, ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন সেলের কার্যক্রম
জোরদার করার মাধ্যমে ফাঁকি দেওয়া রাজস্ব পুনরুদ্ধার সম্ভব হবে, কর ফাঁকির প্রবণতা কমবে এবং দেশে সুষ্ঠু কর সংস্কৃতি গড়ে উঠবে।



