ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে, তারপরেই আমি অবসর নেব – দৃপ্ত শপথ শেখ হাসিনা’র
হারাম পণ্যে আরোপিত হালাল ট্যাক্স — উচ্চাভিলাষী বাজেটে রাজস্ব আদায়ে মরিয়া সরকার
ধর্ষণের শিকার নারীরা কেন নীরব থাকেন?
“বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন ও আশা- আকাঙ্ক্ষা যেভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে” – দ্যা ডিপ্লোম্যাট
বাজেটে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন নিয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ
দেশে নিবন্ধিত মোবাইল সিমের সংখ্যা ৩২ কোটি ৮২ লাখ
শর্ত মানলে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন আ.লীগের নেতাকর্মীরা
মজুরি বন্ধ, ঈদ বোনাসও নেই: চা বাগানে শ্রমিকদের কর্মবিরতি ঘোষণা
ঈদুল আযহার ঠিক আগমুহূর্তে সাপ্তাহিক মজুরি না পেয়ে দেউন্দি টি কোম্পানি লিমিটেডের অধীনস্থ চারটি চা বাগানের শ্রমিকরা কর্মবিরতিতে নেমেছেন।
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের একটি এবং হবিগঞ্জের তিনটি চা বাগানে একযোগে এই কর্মবিরতি শুরু হয়েছে সোমবার, ২৫শে মে থেকে। বিশেষত মুসলমান শ্রমিক পরিবারগুলো ঈদের আগে মজুরি না পাওয়ায় চরম হতাশা ও দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছে।
দেউন্দি টি কোম্পানির অধীনে যে চারটি বাগানে কর্মবিরতি চলছে সেগুলো হলো মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার রহিমপুর ইউনিয়নে অবস্থিত মিরতিংগা চা বাগান এবং হবিগঞ্জ জেলার লাল চান্দ, নোয়াপাড়া ও দেউন্দি চা বাগান।
গত সপ্তাহ থেকেই এই চারটি বাগানে সাপ্তাহিক মজুরি ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বন্ধ থাকায় শ্রমিকদের মধ্যে অসন্তোষ দানা বাঁধতে শুরু করে।
মিরতিংগা চা বাগান
কর্তৃপক্ষের ম্যানেজার ও ডেপুটি ম্যানেজারের লিখিত বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা যায়, কৃষি ব্যাংক কর্তৃপক্ষ লোন প্রদান না করায় ২১শে মে থেকে শ্রমিকদের সাপ্তাহিক মজুরি বা তলব বন্ধ রাখা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে সরাসরি জানানো হয়, ব্যাংক লোনের ওপর পরবর্তী তলব নির্ভর করছে এবং যতদিন কর্তৃপক্ষ মজুরি দিতে না পারবে ততদিন শ্রমিকদের মজুরি বহন করা হবে না। শ্রমিকদের নিয়মিত সাপ্তাহিক তলব গত বৃহস্পতিবার দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু কৃষি ব্যাংকের লোনের অজুহাতে বাগান কর্তৃপক্ষ তা পরিশোধ না করায় শ্রমিকরা পূর্বঘোষিত আল্টিমেটাম অনুযায়ী সোমবার সকাল থেকে মিরতিংগা চা ফ্যাক্টরিতে কর্মবিরতি শুরু করেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রে আরও জানা গেছে, শুধু সাপ্তাহিক মজুরিই নয়, স্টাফদের বেতন-ভাতা, ঈদ বোনাস, পূজা উৎসব বোনাসসহ অন্যান্য
প্রাপ্যও দিতে পারছে না বাগান কর্তৃপক্ষ। মিরতিংগা চা বাগানে দুই শতাধিক মুসলিম চা শ্রমিকের বসবাস, যাদের এই সাপ্তাহিক মজুরির ওপর নির্ভর করে জীবিকা নির্বাহ করতে হয়। মিরতিংগা চা বাগান পঞ্চায়েত সভাপতি মন্টু অলমিকের সভাপতিত্বে কর্মবিরতিতে নেতৃত্ব দেন বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের মনু-ধলই ভ্যালী সভাপতি ও স্থানীয় ইউপি সদস্য ধনা বাউরি, চা-ছাত্র যুব পরিষদ মনু-ধলই ভ্যালীর যুগ্ম আহ্বায়ক মানিক প্রসাদ পাল, সিরাজুল ইসলাম জব্বার, রামনারাইন কৈরী এবং ইমরান নাজিরসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। মিরতিংগা চা বাগানের ইউপি সদস্য ও চা শ্রমিক ইউনিয়নের মনু-ধলই ভ্যালির সভাপতি ধনা বাউরী বলেন, “ঈদের ঠিক আগ মুহূর্তে পূর্ণ মজুরি প্রদান না করায় শ্রমিকরা কাজ বন্ধ রেখেছেন। এই চা বাগানে কমপক্ষে শতাধিক
মুসলিম শ্রমিক পরিবার রয়েছে। তারা চরম দুর্ভোগের মধ্যে রয়েছে। তাছাড়া কোম্পানি শ্রমিকদের স্ববেতনে বকেয়া মজুরি প্রদানেরও নিশ্চয়তা দিচ্ছে না। ফলে শ্রমিকরা ক্ষুব্ধ হয়ে উঠছেন।” দেউন্দি টি কোম্পানি লিমিটেডের মিরতিংগা চা বাগানের ডেপুটি ব্যবস্থাপক রেজাউল হায়াত খান দাবি করেন, শ্রমিকদের কোনো বকেয়া নেই। তার ভাষায়, “ব্যাংক থেকে গত বৃহস্পতিবার টাকা উত্তোলন করা যায়নি। তবে এই সপ্তাহে তাদের হাফ পেমেন্ট দিতে চাইলে শ্রমিকরা সেটি নিতে চায়নি। এখন তারা আন্দোলন শুরু করেছে।” অর্থাৎ কর্তৃপক্ষ ও শ্রমিকদের বক্তব্যের মধ্যে স্পষ্ট দ্বন্দ্ব রয়েছে — শ্রমিকরা পূর্ণ মজুরির দাবিতে অনড়, অন্যদিকে কর্তৃপক্ষ আংশিক পরিশোধের প্রস্তাব দিয়েছিল। বাংলাদেশ চা শ্রমিক সংঘ বকেয়া মজুরি দ্রুত পরিশোধ করে অবিলম্বে বাগান চালু করার দাবি
জানিয়েছে। ঈদের আগে শ্রমিকদের ন্যায্য পাওনা নিশ্চিত করা না হলে আন্দোলন আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে সংগঠনটির পক্ষ থেকে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।
কর্তৃপক্ষের ম্যানেজার ও ডেপুটি ম্যানেজারের লিখিত বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা যায়, কৃষি ব্যাংক কর্তৃপক্ষ লোন প্রদান না করায় ২১শে মে থেকে শ্রমিকদের সাপ্তাহিক মজুরি বা তলব বন্ধ রাখা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে সরাসরি জানানো হয়, ব্যাংক লোনের ওপর পরবর্তী তলব নির্ভর করছে এবং যতদিন কর্তৃপক্ষ মজুরি দিতে না পারবে ততদিন শ্রমিকদের মজুরি বহন করা হবে না। শ্রমিকদের নিয়মিত সাপ্তাহিক তলব গত বৃহস্পতিবার দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু কৃষি ব্যাংকের লোনের অজুহাতে বাগান কর্তৃপক্ষ তা পরিশোধ না করায় শ্রমিকরা পূর্বঘোষিত আল্টিমেটাম অনুযায়ী সোমবার সকাল থেকে মিরতিংগা চা ফ্যাক্টরিতে কর্মবিরতি শুরু করেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রে আরও জানা গেছে, শুধু সাপ্তাহিক মজুরিই নয়, স্টাফদের বেতন-ভাতা, ঈদ বোনাস, পূজা উৎসব বোনাসসহ অন্যান্য
প্রাপ্যও দিতে পারছে না বাগান কর্তৃপক্ষ। মিরতিংগা চা বাগানে দুই শতাধিক মুসলিম চা শ্রমিকের বসবাস, যাদের এই সাপ্তাহিক মজুরির ওপর নির্ভর করে জীবিকা নির্বাহ করতে হয়। মিরতিংগা চা বাগান পঞ্চায়েত সভাপতি মন্টু অলমিকের সভাপতিত্বে কর্মবিরতিতে নেতৃত্ব দেন বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের মনু-ধলই ভ্যালী সভাপতি ও স্থানীয় ইউপি সদস্য ধনা বাউরি, চা-ছাত্র যুব পরিষদ মনু-ধলই ভ্যালীর যুগ্ম আহ্বায়ক মানিক প্রসাদ পাল, সিরাজুল ইসলাম জব্বার, রামনারাইন কৈরী এবং ইমরান নাজিরসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। মিরতিংগা চা বাগানের ইউপি সদস্য ও চা শ্রমিক ইউনিয়নের মনু-ধলই ভ্যালির সভাপতি ধনা বাউরী বলেন, “ঈদের ঠিক আগ মুহূর্তে পূর্ণ মজুরি প্রদান না করায় শ্রমিকরা কাজ বন্ধ রেখেছেন। এই চা বাগানে কমপক্ষে শতাধিক
মুসলিম শ্রমিক পরিবার রয়েছে। তারা চরম দুর্ভোগের মধ্যে রয়েছে। তাছাড়া কোম্পানি শ্রমিকদের স্ববেতনে বকেয়া মজুরি প্রদানেরও নিশ্চয়তা দিচ্ছে না। ফলে শ্রমিকরা ক্ষুব্ধ হয়ে উঠছেন।” দেউন্দি টি কোম্পানি লিমিটেডের মিরতিংগা চা বাগানের ডেপুটি ব্যবস্থাপক রেজাউল হায়াত খান দাবি করেন, শ্রমিকদের কোনো বকেয়া নেই। তার ভাষায়, “ব্যাংক থেকে গত বৃহস্পতিবার টাকা উত্তোলন করা যায়নি। তবে এই সপ্তাহে তাদের হাফ পেমেন্ট দিতে চাইলে শ্রমিকরা সেটি নিতে চায়নি। এখন তারা আন্দোলন শুরু করেছে।” অর্থাৎ কর্তৃপক্ষ ও শ্রমিকদের বক্তব্যের মধ্যে স্পষ্ট দ্বন্দ্ব রয়েছে — শ্রমিকরা পূর্ণ মজুরির দাবিতে অনড়, অন্যদিকে কর্তৃপক্ষ আংশিক পরিশোধের প্রস্তাব দিয়েছিল। বাংলাদেশ চা শ্রমিক সংঘ বকেয়া মজুরি দ্রুত পরিশোধ করে অবিলম্বে বাগান চালু করার দাবি
জানিয়েছে। ঈদের আগে শ্রমিকদের ন্যায্য পাওনা নিশ্চিত করা না হলে আন্দোলন আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বলে সংগঠনটির পক্ষ থেকে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।



