‘ভারত টুকরো না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশে শান্তি আসবে না’: সাবেক জেনারেল আজমির বিস্ফোরক মন্তব্যে তোলপাড় – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৭ ডিসেম্বর, ২০২৫

‘ভারত টুকরো না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশে শান্তি আসবে না’: সাবেক জেনারেল আজমির বিস্ফোরক মন্তব্যে তোলপাড়

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৭ ডিসেম্বর, ২০২৫ |
বাংলাদেশের সাবেক সেনাসদস্য এবং জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির গোলাম আযমের ছেলে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (বরখাস্ত) আবদুল্লাহিল আমান আজমি ভারতের বিরুদ্ধে চরম উসকানিমূলক মন্তব্য করেছেন। এক অনলাইন আলোচনায় তিনি মন্তব্য করেন, "ভারত যতদিন টুকরো টুকরো না হবে, ততদিন বাংলাদেশে পূর্ণ শান্তি আসবে না।" তার এই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে ভারতের রাজনৈতিক ও প্রতিরক্ষা মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। সম্প্রতি ঢাকার জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার সময় আজমি দাবি করেন, নয়াদিল্লি সব সময় বাংলাদেশের ভেতরে অস্থিরতা জিইয়ে রাখে। তিনি বলেন, "ভারত ভেঙে টুকরো না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশ কখনোই প্রকৃত শান্তি দেখবে না।" পার্বত্য চট্টগ্রাম নিয়ে অভিযোগ আবদুল্লাহিল আমান আজমি অভিযোগ করেন, ১৯৭৫ থেকে ১৯৯৬ সাল

পর্যন্ত ভারত পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে অস্থিরতা সৃষ্টিতে ইন্ধন যুগিয়েছে। তিনি বলেন, শেখ মুজিবুর রহমানের শাসনামলে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (পিসিজেএসএস) গঠিত হয় এবং এর সশস্ত্র শাখা ছিল শান্তিবাহিনী। আজমির দাবি, "ভারত তাদের আশ্রয় দিয়েছে, অস্ত্র ও প্রশিক্ষণ দিয়েছে, যার ফলে পাহাড়ে রক্তপাত হয়েছে।" এছাড়া, ১৯৯৭ সালে সই হওয়া পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তিরও কঠোর সমালোচনা করেন তিনি। তার মতে, শান্তিবাহিনীর অস্ত্র সমর্পণ ছিল কেবলই একটি ‘লোকদেখানো নাটক’। ভারতের তীব্র প্রতিক্রিয়া ও নিরাপত্তা উদ্বেগ আজমির এই বক্তব্যের পর ভারতের প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞ এবং সাবেক সেনা কর্মকর্তা কর্নেল মায়াঙ্ক চৌবে টুইটারে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তিনি বলেন, এটি কোনো বিচ্ছিন্ন মন্তব্য নয়, বরং বাংলাদেশের ক্ষমতার কাঠামোর ভেতরে লুকিয়ে

থাকা একটি বিশেষ ‘মনস্তত্ত্ব’। কর্নেল চৌবে সতর্ক করে বলেন, "এ ধরনের বক্তব্য প্রমাণ করে যে চরমপন্থী গোষ্ঠীগুলো বর্তমানে কতটা শক্তিশালী বোধ করছে। ভারতকে অবশ্যই সতর্ক এবং প্রস্তুত থাকতে হবে। যারা কূটনীতির আড়ালে হাসিমুখে ভারতের ভাঙনের স্বপ্ন দেখে, তাদের বিষয়ে আমাদের স্পষ্ট ধারণা থাকা প্রয়োজন।" জামায়াতের উত্থান ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর এবং ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জামায়াতে ইসলামীর মতো দলগুলোর পুনরুত্থান নিয়ে ভারতে উদ্বেগ বাড়ছে। আগামী নির্বাচনের আগে জামায়াতের রাজনৈতিক সক্রিয়তা এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র রাজনীতিতে তাদের সাম্প্রতিক প্রভাব ভারতের নীতিনির্ধারকদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর বিশ্লেষণে বলা হচ্ছে, ১৯৭১ সালে যেই ভারত

বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য নিজেদের জওয়ানদের রক্ত দিয়েছে এবং লাখো শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়েছে, সেই ভারতের অখণ্ডতা বিনষ্টের আহ্বান জানানো ইতিহাসের অকৃতজ্ঞতা এবং সুবিধাবাদী রাজনীতির বহিঃপ্রকাশ। দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তির জন্য প্রতিবেশী দেশের ধ্বংস কামনা না করে বরং পারস্পরিক সহযোগিতা প্রয়োজন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
২ লাখ ৪২ হাজার অবৈধ অভিবাসীকে নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়েছে মালয়েশিয়া কৃষকের কষ্টের ধানে মিলারের চড়া মুনাফা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও গণভোট ব্যবস্থা ফিরল প্রকাশের আগেই প্রাথমিক বৃত্তির ফল ‘ফাঁস’, তদন্ত কমিটি গঠন মার্কিন হামলায় বুশেহরে আইআরজিসির অ্যারোস্পেস স্থাপনায় আগুন মধ্যপ্রাচ্যে একাধিক মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার দাবি ইরানের ফুটবল বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে দেশে ১১ মৃত্যু, হাইকোর্টে রিট চীনে কারখানায় আগুন, নিহত ২৮ মাঝ আকাশে আর্জেন্টাইন পাইলটের আত্মহত্যা এনসিপির সমাবেশ চলাকালে অবৈধভাবে বিদ্যুৎ নিয়েছিল খোয়াই নদীর বাঁধ ভেঙে হবিগঞ্জের ১০ গ্রাম প্লাবিত বালু উত্তোলন ঘিরে কলাবাগান রণক্ষেত্র, নারীসহ আহত অর্ধশতাধিক নিজের এআই ছবি-ভিডিও দেখে হুঁশিয়ারি দিলেন কনকচাঁপা ওষুধ ছাড়াই নিয়ন্ত্রণে থাকবে ডায়াবেটিস, জেনে নিন সেই ম্যাজিক উপাদান ঝরল ৩২টি প্রাণ: পাহাড়ধস ও ভাঙা বেড়িবাঁধে বাঁশখালীর এক লাখ মানুষের নির্ঘুম রাত ভাষা শহিদদের স্মরণে নির্মিত শহিদ মিনারের চারপাশ ঘিরে শৌচাগার নির্মাণ ২৯৭ জনের প্রকল্পে কাজ করেন ৫০ জন, বাকিরা ভুয়া! সরকারি প্রকল্পে ব্যাপক হরিলুট মব-মামলা-নিষেধাজ্ঞার তোয়াক্কা না করে চট্টগ্রামের পানিবন্দী মানুষের মাঝে ছাত্রলীগের খাবার বিতরণ দুর্নীতি ও ব্যর্থতায় জর্জরিত পাকিস্তানি সিটি প্রকল্পকে অনুসরণের পরিকল্পনা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ইসরায়েলি অস্ত্র কোম্পানির স্বার্থ রক্ষায় ফিলিস্তিনপন্থি শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা কিংস-অক্সফোর্ড কর্তৃপক্ষের