ভারত জড়িত বললে হবে না, প্রমাণ হাজির করতে হবে – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৭ জানুয়ারি, ২০২৫

ভারত জড়িত বললে হবে না, প্রমাণ হাজির করতে হবে

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৭ জানুয়ারি, ২০২৫ |
২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারিতে সংঘটিত বিডিআর (বাংলাদেশ রাইফেলস। বর্তমানে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ—বিজিবি) বিদ্রোহের সুষ্ঠু তদন্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন বিডিআর হত্যাকাণ্ডের তদন্তে গঠিত কমিশনের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) আ ল ম ফজলুর রহমান। তিনি বলেন, “বিডিআর বিদ্রোহের তদন্ত করতে বর্তমান সরকার জাতীয় স্বাধীন কমিশন গঠন করেছে। দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র চিহ্নিত করতে আমাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।” কমিশনের চেয়ারম্যান বলেন, “আমরা এই দায়িত্বকে অতি গুরুত্ব সহকারে নিয়েছি। আমরা আমাদের বুদ্ধির ওপর নির্ভর করে নিরপেক্ষভাবে যে তিন মাস সময় আমাদেরকে দেওেয়া হয়েছে তার ভেতরেই তদন্ত শেষ করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। আমরা কোনো রকম পক্ষ নেব না। কোনো কিছুতে আমরা প্রভাবিত হবো না।” তিনি বলেন, “যেহেতু এটা

একটা জাতীয় সমস্যা, হাজার বছরেও এরকম ঘটনা ঘটেনি। সামান্য সময়ে এত মানুষ নিহত হয়েছে। আমরা আপনাদের মাধ্যমে জাতিকে জানাতে চাই- যারা এই বিডিআর বিদ্রোহে নিহত হয়েছেন, নিগৃহীত হয়েছেন, বঞ্চিত হয়েছেন, সব কিছুকে আমরা নজরে নেব। সহমর্মিতা ও আন্তরিকতার সঙ্গে আমরা তাদের ক্ষতকে নিরাময় করার চেষ্টা করব।” ফজলুর রহমান বলেন, কিছু চিঠিপত্র আমাদেরকে লিখতে হচ্ছে। প্রধান উপদেষ্টা ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে আমরা জানিয়েছি যে, আমাদের এখানে সাচিবিক সুবিধা দিতে হবে। অফিস দিতে হবে। “আমাদের নিরাপত্তা, ব্যক্তিগত এবং পারিবারিক ট্রান্সপোর্ট সুবিধা দিতে হবে,” তিনি যোগ করেন। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আমরা সুনির্দিষ্ট কোনো দেশকে দায়ী করতে চাই না। ৫ অগাস্টের পর দেশ থেকে অনেকেই

চলে গেছেন। প্রয়োজনে আমরা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে সেসব দেশে টিম পাঠাব।” ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি কী ঘটেছিল পিলখানায়? ২০০৯ সালে তিন দিনব্যাপী 'বিডিআর সপ্তাহ' চলার সময় ২৫ ফেব্রুয়ারি পিলখানা সদর দফতরের দরবার হলে বিডিআরের কয়েক শ সদস্য সশস্ত্র বিদ্রোহ করে। তারা ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জনকে হত্যা করে। পরদিন ২৬ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন সরকার ও বিডিআর বিদ্রোহীদের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে অস্ত্র, গোলাবারুদ ও গ্রেনেড জমা দেয়ার মধ্য দিয়ে বিদ্রোহের সমাপ্তি ঘটে। সেই ঘটনায় মোট ৫৮টি মামলা দায়ের হয়। এর মধ্যে একটি হত্যা ও লুটপাটের অভিযোগে, বাকিগুলো বিদ্রোহের অভিযোগে দায়ের করা হয়। হত্যা মামলার বিচারে, ১৫২ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং ৪২৩ জনকে বিভিন্ন

মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এ ছাড়া, ২৭৭ জন অভিযুক্ত ব্যক্তি খালাস পান। সাজাপ্রাপ্তদের মধ্যে ২৬২ জন বিদ্রোহীকে ৩ মাস থেকে ১৯ বছর পর্যন্ত বিভিন্ন মেয়াদে এবং প্রয়াত বিএনপি নেতা নাসিরউদ্দিন আহমেদ পিন্টু ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা তোরাব আলীসহ ১৬১ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
কবি আল মুজাহিদী আর নেই পর্তুগাল দলে দলাদলির ইঙ্গিত বিশ্বকাপের সবচেয়ে ‘সুদর্শন’ ডি পল, সেরা পাঁচে কারা গাঢ় নীল-জলপাই রঙের শার্টে ফিরছে পুলিশ, প্যান্ট হবে খাকি চুক্তিতে জয়-পরাজয়, ইরান ৭-১ যুক্তরাষ্ট্র দেশে হাম উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু ছবি তোলা নিয়ে দ্বন্দ্বে জড়ালেন ট্রাম্প-মেলোনি ‘কারও সহানুভূতি নেই’, ইসরায়েলকে কড়া বার্তা ভ্যান্সের ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর পেজ থেকে জুয়ার বিজ্ঞাপন, হ্যাকের অভিযোগ একসঙ্গে শাকিব খানের তিন সিনেমা চলছে সিনেপ্লেক্সে ‘আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতিতে ফিরতে দেওয়া হবে না’—বগুড়ায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম পর্তুগালের বিশ্বকাপ ‘এখনই শেষ হয়ে যায়নি’: রোনালদো ৮০% ছেলেই আনফিট তাই ছাত্রীকে লিভ টুগেদারের প্রস্তাব অধ্যাপকের এক হাজার পিস ইয়াবাসহ আটক জুলাইযোদ্ধাকে গণপিটুনির পর পুলিশে সোপর্দ, করতেন মাদকবিরোধী সংগঠনও ফেনীতে আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ মিছিলের জেরে ৫ ছাত্রলীগ কর্মীকে আটকের পর কারাগারে সংরক্ষিত বনের ভেতরে এলজিইডির রাস্তা: বন বিভাগের আপত্তি উপেক্ষা করে অনড় স্থানীয় সংসদ সদস্য সাভারে মাদ্রাসার টয়লেট থেকে পাকিস্তানে তৈরি রিভলবার-গুলি উদ্ধার একাত্তেরর লজ্জাজনক পরাজয়ের পর আবারও বঙ্গোপসাগরে পাকিস্তানি সাবমেরিন হামে শিশুমৃত্যুর দায়ে ইউনূস-নুরজাহানের বিচার দাবিতে মহাখালীতে আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ মিছিল গুপ্ত সংগঠন শিবির নেতা জিসানের পক্ষে দাঁড়ানো দুই এপিপির নিয়োগ বাতিল